পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে তরুণীদের বাহ্যিক সৌন্দর্যের পরিবর্তে মেধা, জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত সুন্দরী প্রতিযোগিতা সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এর নিয়মকানুন পর্যালোচনার মধ্যেই দেশটিতে চালু হয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক এক নতুন প্রতিযোগিতা। সূত্র: ব্রিফলি নিউজ
‘হাকিলি মুসো’ নামের এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছেন ৮৪ জন তরুণী। অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকেই ২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সমাপনী সনদ অর্জন করেছেন।
| সুন্দরী নয়, মেধাবী তরুণী খুঁজছে বুরকিনা ফাসো |
প্রতিযোগিতার মূল পর্বে অংশ নেওয়ার আগে তরুণীদের এক সপ্তাহের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে হয়। এরপর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানবিষয়ক পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের মেধা ও দক্ষতা যাচাই করা হয়।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নারীদের মূল্যায়নে বাহ্যিক সৌন্দর্যের পরিবর্তে তাঁদের জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা ও বিজ্ঞানচর্চার সক্ষমতাকে সামনে নিয়ে আসা।
একই সঙ্গে বিজ্ঞান শিক্ষায় তরুণীদের আগ্রহ বাড়ানো এবং এ ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করাও প্রতিযোগিতাটির অন্যতম লক্ষ্য।
প্রচলিত সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিপরীতে মেধাভিত্তিক এই আয়োজন বুরকিনা ফাসোতে নারীদের প্রতিভা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা করেছে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা।

