ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের নাম, মোবাইল নম্বর, জন্মতারিখ, ইমেইল ও বাসার ঠিকানা। এ ছাড়া লিঙ্গ, ব্যাংকের শাখা ও গ্রাহক শনাক্তকারী নম্বর এবং ঋণ ও সম্ভাব্য গ্রাহকসংক্রান্ত নথির তথ্যও এসব রেকর্ডে রয়েছে। ফলে ঘটনাটি শুধু গ্রাহকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয় নয়, তাঁদের তথ্যের অপব্যবহারের ঝুঁকিও সামনে এনেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর নিজেদের তথ্যভান্ডারে সম্ভাব্য তথ্য ফাঁসের বিষয়ে সতর্কবার্তা পায় এসবিআই। ব্যাংকটির তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, ভারতের প্রতিরক্ষা সাইবার সংস্থা এবং কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা সার্ট-ইন এ বিষয়ে তথ্য দেয়। এরপর ব্যাংকটি সাইবার নিরাপত্তা–সংক্রান্ত জরুরি পদক্ষেপ শুরু করে।
ঘটনার প্রকৃতি, তথ্য ফাঁসের পরিধি এবং এর সম্ভাব্য উৎস অনুসন্ধানে একটি স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে নিয়োগ দিয়েছে ব্যাংকটি। প্রাথমিক বিশ্লেষণে পাওয়া তথ্যের সত্যতা ও পূর্ণতা যাচাইয়ের পাশাপাশি গ্রাহক এবং ব্যাংকের ওপর এর সম্ভাব্য ঝুঁকিও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
তথ্য ফাঁসের ঘটনা সামনে এলেও এসবিআই জানিয়েছে, এতে ব্যাংকের মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রম, আর্থিক সক্ষমতা কিংবা দৈনন্দিন কাজের ধারাবাহিকতায় উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তথ্য ফাঁসের প্রকৃত উৎস এবং এর পূর্ণ পরিধি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
ব্যাংকটির তদন্তের ফলাফল এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে তা পরবর্তী সময়ে প্রতারণা বা পরিচয় অপব্যবহারের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে এ ঘটনায় এমন কোনো অপব্যবহার ইতিমধ্যে ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

