Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, অক্টো. 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ট্রাম্প কি মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসা করতে চান?
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্প কি মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসা করতে চান?

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    মিয়ানমারের সামরিক নেতা মিন অং হ্লাইং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতীকী করমর্দন। পেছনে যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারের দৃশ্য। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার পর দুই দেশের সম্পর্কের সম্ভাব্য পরিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে এআই-নির্মিত ছবিতে।
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিবিসি বাংলা

    মিয়ানমারের সামরিক শাসনকে বিচ্ছিন্ন রাখার ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নীতিতে কি পরিবর্তন এসেছে?

    ট্রাম্প প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে গত মাসে মিয়ানমারের সামরিক নেতা মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকের খবর প্রকাশ এবং কয়েকজন ব্যবসায়ীকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে, নীতিতে পরিবর্তন এসেছে।

    ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে, যখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করে, তখন থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির শাসকগোষ্ঠীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ খুব কমই ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে জান্তা সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে বলে যাদের বিবেচনা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

    ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বরের বৈঠকটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গোয়েন্দা ও গবেষণা বিষয়ক সহকারী সচিব মাইকেল ভ্যান্সের সাথে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল, স্থানীয় আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সঙ্গে বিরোধের জেরে জুন মাসে আটক মার্কিন নাগরিক অ্যাডাম কাস্তিয়োকে মুক্ত করা।

    তবে ক্ষমতা দখলের পর মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন ভ্যান্স। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকার সম্ভাবনা প্রবল।

    এছাড়াও জানা গেছে, ভ্যান্স জুন মাসে টোকিওতে বার্মিজ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং এই মাসে আবারও টোকিওতে সাক্ষাৎ করেছেন, পাশাপাশি সামরিক শাসনের বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও দেখা করেছেন।

    তবে মিয়ানমারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত গত বছরের জুলাই থেকেই পাওয়া যাচ্ছিল। তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধ তুঙ্গে।

    সেই সময় মিন অং হ্লাইংসহ এ অঞ্চলের অন্য নেতাদের কাছে ব্যক্তিগত চিঠি পাঠান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চিঠিতে তিনি জানান, মিয়ানমারের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের বড় ধাক্কা আসতে যাচ্ছে। দেশটির ক্ষেত্রে শুল্কের হার নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪০ শতাংশ।

    একসময় যে দেশকে তারা বন্ধু ও মিত্র হিসেবে দেখত, সেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যের ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্কে অন্য দেশগুলো হতবাক হয়ে পড়ে।

    লম্বা তালগাছের মাঝে, ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি গ্রামের ধোঁয়া ওঠা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিয়ে লোকজন হেঁটে যাচ্ছে।
    ২০২১ সাল থেকে চলমান গৃহযুদ্ধে মিয়ানমারের বেশিরভাগ অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে। ছবি: গেটি ইমেজেস

    কিন্তু মিন অং হ্লাইং এতে দারুণ খুশি হয়েছিলেন।

    তিনি সঙ্গে সঙ্গেই জবাব দেন। চিঠিতে তিনি লেখেন, “বিশ্বের এক নম্বর বাজার, যুক্তরাষ্ট্রের অসাধারণ অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার এই উৎসাহব্যঞ্জক আমন্ত্রণের জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।” ট্রাম্পের অতিরঞ্জিত শব্দচয়ন এবং অস্বাভাবিকভাবে বড় হাতের অক্ষর ব্যবহারের ধরন অনুকরণ করেই তিনি এ কথা লেখেন।

    তিনি আরও লেখেন, “একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের চেতনা নিয়ে আপনার দেশকে জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের স্বীকৃতি জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি, মহামান্য।”

    ট্রাম্পের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সবচেয়ে ভালো উপায় তোষামোদ হতে পারে—এমন ধারণা থেকে কেবল একজন স্বৈরশাসক হিসেবে মিন অং হ্লাইং এই চিঠি লিখেছিলেন, বিষয়টি তেমন নয়। তাঁর সামরিক অভ্যুত্থান এবং এর জেরে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ তাঁকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একঘরে করে দিয়েছিল।

    তাঁর সরকারকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশই স্বীকৃতি দেয়নি। তাঁকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলাও করা হয়েছে। রাশিয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে চীন ছাড়া অন্য দেশগুলোর সরকার তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক এড়িয়ে চলেছে।

    অথচ এখানে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তাঁকে অন্য যেকোনো দেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর মতোই ‘মহামান্য’ বলে সম্বোধন করছেন। ট্রাম্পের চিঠিতে মিন অং হ্লাইংয়ের ক্ষমতা দখলের ভয়াবহ মানবিক মূল্য, গণতন্ত্রকে গুঁড়িয়ে দেওয়া কিংবা নেতা অং সান সু চিকে কারাবন্দি করার বিষয়ে কোনো উল্লেখই ছিল না।

    সেই একই মাসে শাসকগোষ্ঠী ডিসিআই-এর সাথে তিন মিলিয়ন ডলার (বা ২.৩ মিলিয়ন পাউন্ড) মূল্যের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। ডিসিআই হলো ওয়াশিংটনের একটি দীর্ঘদিনের লবিং সংস্থা, যাকে ২০০২ সালে পূর্ববর্তী বার্মিজ সামরিক সরকার তার ভাবমূর্তি উন্নত করার চেষ্টায় ব্যবহার করেছিল।

    এরপর সামরিক সরকারটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত এবং বিতর্কিত লবিস্ট রজার স্টোনকেও নিয়োগ দেয়। এ জন্য তাঁকে মাসে ৫০ হাজার ডলার পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে।

    প্রায় একই সময়ে সাবেক মার্কিন মেরিন সেনা ও ট্রাম্প-সমর্থক অ্যাডাম কাস্তিয়ো ওয়াশিংটনে যান। ইয়াঙ্গুনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতির পদ থেকে সদ্য সরে দাঁড়ানো কাস্তিয়ো ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের দলের সদস্যদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আবারও সম্পর্ক গড়ে তোলার সময় এসেছে।

    কাস্তিয়োর বিশ্বাস ছিল, সামরিক জান্তাকে বিচ্ছিন্ন রাখতে নিষেধাজ্ঞার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা ব্যর্থ হয়েছে।

    ‘ফাইন্ডিং আওয়ার ভয়েস: আ স্টোরি অব লিডারশিপ ইন ক্রাইসিস অ্যান্ড দ্য আমেরিকান স্পিরিট অ্যাব্রড’ বইয়ে তিনি লেখেন, “নৈতিকতার প্রশ্নে মিয়ানমার যেমন আমেরিকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কৌশলগত স্বার্থের দিক থেকেও দেশটি গুরুত্বপূর্ণ।”

    যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে যুদ্ধ বা বিচ্ছিন্নতার পথে না গিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণ কীভাবে কমাতে পারে এবং কীভাবে শান্তিকে আমেরিকার স্বার্থের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারে—এসব বিষয় নিয়ে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্টের দলের সঙ্গে আলোচনা করেন।

    ক্যাস্টিলো একটি খোলা দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল।

    চীনের ওপর বিরল মৃত্তিকা খনিজের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে এপ্রিলে, যখন ট্রাম্পের শুল্কের পাল্টা জবাব হিসেবে চীন এসব খনিজের রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর বিকল্প উৎস খুঁজে বের করাকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন।

    মিয়ানমারে বিরল মৃত্তিকা খনিজের বড় মজুত রয়েছে। তবে বর্তমানে এসব খনিজ উত্তোলন করা হচ্ছে কেবল চীনের ব্যবহারের জন্য।

    সুতরাং, যখন মিয়ানমার ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে তার বহুল সমালোচিত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করল, যার মাধ্যমে মিন অং হ্লাইং অভ্যুত্থান নেতা থেকে নামমাত্র বেসামরিক রাষ্ট্রপতিতে পরিণত হলেন, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অধিকাংশ পশ্চিমা সরকারের মতো এটিকে অবাধ বা সুষ্ঠু নয় বলে নিন্দা করেনি।

    কয়েক দশক ধরে অন্য দেশগুলোর নির্বাচন নিয়ে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের মূল্যায়ন জানিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন দেশটি এ বিষয়ে নীরব।

    বাইডেন প্রশাসনের সময় যাঁদের লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তাঁদের কয়েকজনের ওপর থেকে ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র-মিয়ানমার নীতির নতুন গতিপথকেই যেন নিশ্চিত করেছে।

    সম্প্রতি এক নিউজলেটারে লবিং প্রতিষ্ঠান ডিসিআই লিখেছে, “বহু বছর ধরে মিয়ানমারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নির্ধারিত হয়েছে বিচ্ছিন্ন রাখা, নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং দূরত্ব বজায় রাখার মধ্য দিয়ে। সেই যুগের অবসান হয়েছে… সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভিন্ন কিছু করার সাহস দেখিয়েছেন।”

    যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের সুরে যে পরিবর্তন এসেছে, তা স্পষ্ট। তবে দেশটির সঙ্গে মিয়ানমারের সম্পর্কের বাস্তব ক্ষেত্রে পরিবর্তন ততটা হয়নি।

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মিয়ানমার উপদেষ্টা রিচার্ড হর্সি বলেন, “বাস্তবে শিরোনামে যা বলা হচ্ছে, তার চেয়ে পরিবর্তন কমই হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর এখনো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

    হর্সির ভাষায়, “নতুন বিষয়টি হলো যোগাযোগের মাত্রা এবং বৈঠকের স্থান। যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এখন নেপিদো সফর করেছেন, যা মিন অং হ্লাইং ঠিক এটাই চেয়েছিলেন। এখন তাঁর পরবর্তী চাওয়া নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা। আর সেটি অর্জন করা আরও কঠিন হবে।”

    ২০২৬ সালের ৮ই অক্টোবর পুত্রাজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি মিন অং হ্লাইং (বাম) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে করমর্দন করছেন।
    মিয়ানমারের নেতা মিন অং হ্লাইং সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় এক কূটনৈতিক সফরে। ছবি: গেটি ইমেজেস

    তবে, গত বছর ট্রাম্পের আরেকটি উদ্যোগই সম্ভবত মিয়ানমারের ওপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলেছে: ইউএসএইড-এর বিলুপ্তি, যা বিরোধী দল, ভিন্নমতাবলম্বী গণমাধ্যম এবং শরণার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত সাহায্য অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দিয়েছিল।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া চার হাজার মিয়ানমারের নাগরিকের অস্থায়ী সুরক্ষার মর্যাদা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তও ছিল। এতে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর আশঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে। মিয়ানমারে ফিরে গেলে তাঁদের অনেককেই কারাবন্দি করা হতে পারে, এমনকি আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখেও পড়তে হতে পারে।

    মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজের বিষয়ে খুব কম বিশেষজ্ঞই মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এসব খনিজ কখনো উল্লেখযোগ্য কাজে আসবে। এসব খনিজের বেশির ভাগই এমন এলাকায় রয়েছে, যেগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘাত চলছে।

    বর্তমানে চীনা কোম্পানিগুলো এসব খনিজ উত্তোলন করছে। আইনশৃঙ্খলাহীন সীমান্তবর্তী এলাকায় কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের। উত্তোলনের পর খনিজগুলো প্রক্রিয়াজাত করার জন্য সীমান্ত পেরিয়ে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে এসব খনিজের নাগাল পাবে, তা বোঝা কঠিন।

    এই প্রতারণা চক্র মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমার সরকারের কাছ থেকে অর্থবহ সহযোগিতা পাবে কিনা, সে বিষয়েও সন্দেহ রয়েছে।

    কয়েকটি বড় আকারের প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে বহুল প্রচারিত কিছু অভিযান চালানো হলেও, সেগুলো পরিচালনাকারী সিন্ডিকেটগুলো আরও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছোট ছোট কার্যক্রমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং অধিকাংশই মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মিত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর সমর্থনে পরিচালিত হয়।

    “নেপিডো-র সঙ্গে কথা বলাটা নিজে থেকেই কোনো ভুল কাজ নয়,” বলেছেন লোয়ি ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পরিচালক হান্টার মার্সটন।

    লোয়ি ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক পরিচালক হান্টার মার্সটন বলেন, “নেপিদোর সঙ্গে আলোচনা করাটা নিজে থেকে ভুল কিছু নয়।”

    তিনি বলেন, “প্রশ্ন হলো, ওয়াশিংটন বিনিময়ে কী চাইছে এবং কী ছাড় দিচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অর্জনে এই যোগাযোগের পথ ব্যবহার করা উচিত। এর মধ্যে রয়েছে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক মানুষের ওপর বিমান হামলা বন্ধ করা।”

    তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বিরোধী পক্ষ ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা, যাদের হাতে দেশের বড় একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। আর প্রতারণার চক্রগুলোর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ হবে, চীনসহ এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের অর্থের প্রবাহ বন্ধ করা।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ভারতের স্টেট ব্যাংকে তথ্য ফাঁস, ৩ হাজার ৮৯৭ গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে

    অক্টোবর 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    দুই বাংলাদেশির মরদেহ সৌদি থেকে দেশে ফিরবে কবে?

    অক্টোবর 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ফ্রান্সের আন্দোলনকারীদের ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগান নিয়ে কেন এত রহস্য?

    অক্টোবর 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.