Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, অক্টো. 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন ঠেকাতে একজোট হয়ে কাজ করেছে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
    আন্তর্জাতিক

    ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন ঠেকাতে একজোট হয়ে কাজ করেছে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    লন্ডনের কিংস কলেজে একটি সক্রিয় ছাত্র প্রতিবাদ আন্দোলন রয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেকেই ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শিকার ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। ছবি: রয়টার্স
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থি ছাত্র আন্দোলন দমনে প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করেছে বলে নতুন এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে কেফিয়াহ বা ঐতিহ্যবাহী ফিলিস্তিনি স্কার্ফ পরা এবং তরমুজের ইমোজি ব্যবহারের কারণেও শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

    মঙ্গলবার ‘সাইলেন্সিং ডিসেন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে অ্যামনেস্টি। এতে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংশ্লিষ্টতার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামাতে প্রতিষ্ঠানগুলো বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং সক্রিয়ভাবে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করেছে।

    তথ্য অধিকার আইনের (এফওআই) আওতায় পাওয়া নথির বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিন সংহতি আন্দোলন মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ‘বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেনি; বরং তারা এমন এক নেটওয়ার্কের অধীনে কাজ করেছে, যা দমনমূলক পদক্ষেপ নিতে উৎসাহ জুগিয়েছে।’

    অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, কেমব্রিজ, অক্সফোর্ড, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস এবং বার্মিংহামের মতো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদদের ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্লোগান দেওয়া, হাততালি দেওয়া কিংবা কেফিয়াহ পরার কারণেও শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদদের সাময়িক বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং ভিসা বাতিলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিন সংহতি-সংক্রান্ত বিক্ষোভ ও অনুষ্ঠান সীমিত করতে আইনি ও আমলাতান্ত্রিক কৌশলও ব্যবহার করেছে।

    উদাহরণ হিসেবে ২০২৩ সালের নভেম্বরের একটি ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। ওই সময় বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের আইনি ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি মতবিনিময় সভার অনুমোদন প্রত্যাহার করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক পোস্টারে তরমুজের ইমোজি ব্যবহারের বিষয়টিকেই সিদ্ধান্তটির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

    আয়োজকদের কাছে পাঠানো এক ই-মেইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যুক্তি দেয়, তরমুজ বর্তমানে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির প্রতীক হয়ে ওঠায় এর ব্যবহার অনুষ্ঠানটির নিরপেক্ষতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। শুরুতে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছিল। সে সময় কর্তৃপক্ষ শর্ত দিয়ে জানায়, অনুষ্ঠানটি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হওয়ার কথা ছিল বলেই মূলত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

    পরে অভ্যন্তরীণ আলোচনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের বক্তব্য পরিবর্তন করে। তারা জানায়, ওই অধিবেশন হয়তো ‘আলোচনার জন্য কাঙ্ক্ষিত নিরাপদ ও বস্তুনিষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারত না।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসরায়েলি স্টুডেন্ট সোসাইটি ও ইহুদি স্টুডেন্ট সোসাইটির অভিযোগের পরই অনুষ্ঠানটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সংগঠন দুটির অভিযোগ ছিল, আয়োজকেরা অনুষ্ঠানে যথাযথ ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।

    তবে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুখপাত্র অনুষ্ঠানটি বাতিলের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, এটি আয়োজনের জন্য বিকল্প পথের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

    আরেকটি ঘটনায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর সাত শিক্ষার্থীর ওপর ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। শিক্ষার্থীরা কেফিয়াহ এবং রক্তের প্রতীক হিসেবে লাল হাতের ছাপ দেওয়া টি-শার্ট পরেছিলেন। তাঁরা লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের স্টুডেন্ট সার্ভিসেস সেন্টারের প্রবেশপথের খোলা জায়গায় মেগাফোন দিয়ে স্লোগান দিয়েছিলেন। পুরো বিক্ষোভটি স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ১৫ মিনিট।

    ছবি: এএফপি

    এরপর এলএসই কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি ছিল, বিক্ষোভের কারণে কর্মীদের মধ্যে হয়রানি, ভীতি ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে।

    অন্তত দুই শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে তাঁদের পড়াশোনা স্থগিত করতে অথবা একাডেমিক পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই দাবি অস্বীকার করে বলেছে, শিক্ষার্থীরা নিজেদের ইচ্ছাতেই পড়াশোনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

    ব্যক্তিগত তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় পাওয়া তথ্যে আরও দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই বিক্ষোভকে ‘ছোট বাচ্চাদের জেদাজেদি’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের পোশাককে ‘সন্ত্রাসীদের পোশাক’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন তাঁরা। এমনকি একজন কর্মকর্তা তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

    তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে পাওয়া বিভিন্ন বার্তায় দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এর মধ্যে আদালতের নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে বিক্ষোভ বন্ধ করা এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মসূচি ‘প্রিভেন্ট’-এর আওতায় সোপর্দ করার মতো পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় প্রকাশিত ই-মেইলগুলোতে দেখা গেছে, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের কৌশল বিনিময়ের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখতেন। একজন প্রশাসক অন্য প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তাঁরাও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভেতরে ‘আটকে রাখছেন’ বা ‘লকিং ইন’ করছেন কি না।

    অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনের ১৪২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা ইউনিভার্সিটিজ ইউকে (ইউইউকে) এই সমন্বিত তৎপরতাকে আরও জোরদার করেছে।

    যেসব ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থি অবস্থান কর্মসূচি চলছিল, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে সাপ্তাহিক বৈঠকের আয়োজন করে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে ইউইউকে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব বৈঠকের মাধ্যমে ‘কৌশল বিনিময় ও নিজেদের কর্মপন্থা সমন্বয় করার জন্য একটি নিয়মিত প্ল্যাটফর্ম’ তৈরি করা হয়েছিল।

    এই সমন্বয় শুধু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েই সীমিত ছিল না; তা সরকারের কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউইউকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। সংস্থাটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিটের সঙ্গে উপাচার্যদের বৈঠকের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে সরকারের প্রত্যাশার বিষয়গুলোও পৌঁছে দিয়েছে।

    বিক্ষোভ তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউইউকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফিস ফর স্টুডেন্টসের (ওএফএস) সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার ঝুঁকি, বিক্ষোভ ব্যবস্থাপনা এবং দেওয়ানি নিষেধাজ্ঞার মতো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে।

    ইউইউকের একজন মুখপাত্র মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ব্রিটেনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও একাডেমিক স্বাধীনতা রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    তিনি বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও একাডেমিক স্বাধীনতা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল ভিত্তি। আইনের ভেতরে থেকে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকারসহ এই দুটি বিষয়ই সুরক্ষিত রাখতে আমাদের সদস্যরা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ওই মুখপাত্র আরও বলেন, “জটিল আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এমন সব কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও হয়রানি প্রতিরোধের বিষয়টি পরস্পরবিরোধী অবস্থানে চলে যেতে পারে।”

    অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও বিক্ষোভ মোকাবিলায় নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করেছিলেন। এই সমন্বয়ের কাজ হয়েছে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি চিফ সিকিউরিটি অফিসার্সের (এইউসিএসও) মাধ্যমে।

    দেশব্যাপী বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে এইউসিএসওর দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের চেয়ারম্যান কৌশলগত নির্দেশনা পাঠাতেন। তীব্র বিক্ষোভ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রস্তুত রাখতেই এসব নির্দেশনা দেওয়া হতো।

    একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাসংক্রান্ত যোগাযোগ যেন জনসমক্ষে প্রকাশ না পায়, সে জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে তথ্য সুরক্ষা কর্মকর্তাদের পরামর্শ নেওয়া এবং এফওআই থেকে বিশেষ ছাড়ের বিধান ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

    জনসাধারণের সমালোচনা ও প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া এড়াতে এইউসিএসও কেন্দ্রীয়ভাবে তৈরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির খসড়াও সরবরাহ করত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সেগুলো কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করতে পারত।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে সম্ভাব্য হুমকিসংক্রান্ত ব্রিফিং নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল হোরাস সিকিউরিটি কনসালটেন্সি লিমিটেড, মিটি ইন্টেলিজেন্স হাব এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস (জিএসএ)।

    এসব গোয়েন্দা প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের অহিংস কর্মসূচিকেও নিয়মিতভাবে ‘তীব্র হুমকি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হতো।

    ২০২৫ সালের মে মাসে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিকে ‘উচ্চমাত্রার হুমকি’ এবং সমন্বিত নিরাপত্তা উদ্বেগ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল গ্লোবাল সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার (জিএসওসি)। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা হুমকি পর্যবেক্ষণকারী কেন্দ্রীয় কমান্ড হাব হিসেবে পরিচয় দেয়।

    এসব গোপন ব্রিফিংয়ে ‘ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি’-এর মতো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ব্যবহৃত স্লোগানগুলোকে ‘উত্তেজনা বৃদ্ধিকারী বক্তব্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

    পাশাপাশি সোয়াস বা স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ, লিডস, ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন ও গ্লাসগোসহ অন্তত ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিলিস্তিনপন্থি সংগঠনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে নজরদারি চালানোর জন্যও কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

    চলতি বছরের শুরুতে আল-জাজিরা জানিয়েছিল, গাজার পক্ষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ করার জন্য যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাবেক ব্রিটিশ সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের হাজার হাজার পাউন্ড দিয়েছে।

    নিজেদের ‘শীর্ষস্থানীয় গোয়েন্দা’ সংস্থা হিসেবে দাবি করা হোরাস সিকিউরিটি কনসালটেন্সি লিমিটেডকে ২০২২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড দিয়েছে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

    ব্রিটেনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়েও প্রতিষ্ঠানটি কাজ করেছে। তাদের কার্যক্রমের মধ্যে ছিল আন্দোলনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজগুলো তন্নতন্ন করে খোঁজা, সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত করা এবং গোপনে সন্ত্রাসবাদবিরোধী হুমকির মূল্যায়ন করা।

    সব মিলিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এসব পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।

    সূত্র: মিডল ইস্ট আই, আল-জাজিরা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ভারতের স্টেট ব্যাংকে তথ্য ফাঁস, ৩ হাজার ৮৯৭ গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে

    অক্টোবর 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    দুই বাংলাদেশির মরদেহ সৌদি থেকে দেশে ফিরবে কবে?

    অক্টোবর 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ফ্রান্সের আন্দোলনকারীদের ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগান নিয়ে কেন এত রহস্য?

    অক্টোবর 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.