Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, অক্টো. 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানের ভূগর্ভস্থ বিমানঘাঁটি থেকে চীনের মোকাবিলায় কী শিখছে তাইওয়ান?
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের ভূগর্ভস্থ বিমানঘাঁটি থেকে চীনের মোকাবিলায় কী শিখছে তাইওয়ান?

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ইরানের ঈগল ৪৪ ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে এফ-৪ যুদ্ধবিমান। ছবি: মিলিটারনি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    হামলার পর ইরানের ঈগল ৪৪ বিমানঘাঁটি দ্রুত পুনরুদ্ধারের ঘটনা দেখিয়েছে, সুরক্ষিত পার্বত্য আশ্রয়কেন্দ্র নিখুঁত লক্ষ্যভিত্তিক গোলাবর্ষণের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষাব্যূহ হিসেবে কাজ করতে পারে। এর ফলে তুলনামূলক দুর্বল বিমানবাহিনীর টিকে থাকা এবং উন্নততর প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করার কৌশল নতুনভাবে বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    এই মাসে দ্য ওয়ার জোন (টিডব্লিউজেড) জানিয়েছে, প্ল্যানেট ল্যাবসের স্যাটেলাইট চিত্র অনুযায়ী, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার অন্তত তিনটি দফা মোকাবিলা করার পরও ইরান হরমোজগান প্রদেশে অবস্থিত তার ভূগর্ভস্থ ঈগল ৪৪ বিমানঘাঁটি মেরামত ও সম্প্রসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    হরমুজ প্রণালীর প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই কমপ্লেক্সটি পাহাড় কেটে তৈরি করা হয়েছে। যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য নির্মিত ঘাঁটিটির ভূগর্ভস্থ হ্যাঙ্গারগুলোকে ৪ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রানওয়ে থেকে বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে মার্চ ও জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অধীনে হামলা চালানো হয়েছিল।

    তবে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকের স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, ইরান বুলডোজার দিয়ে হামলায় সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে এবং রানওয়ের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করছে। একই সঙ্গে পশ্চিম দিকের একটি প্রধান ট্যাক্সিওয়ের অংশে পাকা করার কাজ শেষ করেছে এবং অতিরিক্ত একটি সংযোগপথ নির্মাণের জন্য পাশের এলাকায় ভূগর্ভস্থ মাটি প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছে।

    যদিও তিনটি সহায়ক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে এবং গভীর সুড়ঙ্গগুলোর প্রকৃত অবস্থা এখনো স্পষ্ট নয়, দ্রুত পুনর্নির্মাণের এই প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। চলমান নৌ অবরোধের মধ্যেও প্রকৌশল ইউনিট মোতায়েন করে সামরিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে ইরান।

    এই স্থিতিস্থাপকতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ (ডিওডি) এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সেই মূল্যায়নের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের বিমানবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

    সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় যুদ্ধবিমান সংরক্ষণের মাধ্যমে ইরান দেখিয়েছে, কীভাবে তুলনামূলক দুর্বল একটি বিমানবাহিনীও পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলার মুখে টিকে থাকতে এবং অসম সামরিক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ ধরে রাখতে পারে। উন্নততর বিমানশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কৌশলগত ধারণার ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    ডিলান মালিয়াসভ ২০২৬ সালের এপ্রিলে ডিফেন্স ব্লগে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন, ঈগল ৪৪-এর মতো সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় যুদ্ধবিমান আশ্রয় দেওয়ার ইরানি ‘ফোর্ট্রেস ডকট্রিন’ বা দুর্গভিত্তিক প্রতিরক্ষা মতবাদ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তীব্র বিমান হামলার মুখে কৌশলগত মূল্য প্রমাণ করেছে। তাঁর দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান আনুমানিক দুই-তৃতীয়াংশ সক্রিয় বিমানবহর রক্ষা করতে পেরেছে।

    এ প্রসঙ্গে হ্যারিসন ক্যাস ২০২৬ সালের মার্চে দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্টে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর আগে ইরানের কাছে ২৫০ থেকে ৩০০টি যুদ্ধবিমান ছিল। এর মধ্যে প্রায় ১৩৫টি ছিল ফাইটার বিমান। তবে যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে এসব বিমানের খুব সামান্য অংশই হয়তো উড্ডয়নের উপযোগী ছিল।

    মালিয়াসভের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলা সত্ত্বেও ইরান তখন পর্যন্ত মাত্র ৩৮টি অরক্ষিত বিমান হারিয়েছিল। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের সঙ্গে সরাসরি আকাশযুদ্ধে জড়ানোর পরিবর্তে ইরান তার বিমানগুলো গভীর পাহাড়ি সুড়ঙ্গে ছড়িয়ে রেখেছিল।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় প্রবেশপথগুলোতে গর্ত তৈরি হয়েছিল এবং রানওয়ে অবরুদ্ধ হয়ে কিছু জেট বিমান আটকা পড়েছিল। তা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির পর টিকে থাকা এফ-৪, মিগ-২৯ এবং মি-২৮ বিমানগুলোর উড্ডয়ন প্রমাণ করে, ভূগর্ভস্থ নেটওয়ার্কটি তার প্রাথমিক উদ্দেশ্য পূরণে সফল হয়েছিল। অর্থাৎ, প্রথম দফার বোমাবর্ষণ থেকে বিমানগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল।

    ইরানের অবশিষ্ট যুদ্ধবিমান বহরের বড় অংশ ১৯৭৯ সালের আগের তৈরি হলেও উপযুক্ত পরিস্থিতিতে সেগুলো এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    উদাহরণ হিসেবে পল ইডন ২০২৬ সালের মে মাসে ফোর্বস-এ প্রকাশিত এক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন, ২০২৬ সালের এপ্রিলে একটি ইরানি এফ-৫ যুদ্ধবিমান কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ক্যাম্প বুহরিংয়ে বোমা হামলা চালিয়েছিল। একই সময়ে ইরানি এফ-৪ যুদ্ধবিমানগুলো স্ট্যান্ডঅফ গ্লাইড বোমা ব্যবহার করে আরেকটি মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানে। তাঁর মতে, মার্কিন ঘাঁটির ওপর স্থির-ডানাযুক্ত যুদ্ধবিমানের হামলার এই দুটি ঘটনা ছিল বিরল।

    ইডন আরও লিখেছেন, ইরান কাতারের দিকে দুটি এসইউ-২৪ বোমারু বিমান পাঠিয়েছিল, যদিও বিমান দুটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। তাঁর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা এড়িয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানো এবং পারস্য উপসাগরজুড়ে প্রতিপক্ষের অভিযান ব্যাহত করতে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রের অনিশ্চয়তা, বিমান প্রতিরক্ষার ফাঁক এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত নিচু দিয়ে উড়ার কৌশলের ওপর নির্ভর করেছিল।

    পুরোনো ও সেকেলে যুদ্ধবিমানের বহরের কারণে ইরানের প্রচলিত আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা মারাত্মকভাবে সীমিত। তাই প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে আকাশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জনের চেষ্টা না করে দেশটি বিমানশক্তিকে অসম সামরিক আক্রমণের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করেছে।

    ইরান টিকে থাকা যুদ্ধবিমানগুলোকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত করে ভূমিতে থাকা মার্কিন বিমান, রানওয়ে, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং সহায়ক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে মার্কিন বিমান অভিযান ব্যাহত হয়েছে, পরিচালন ব্যয় বেড়েছে এবং সরাসরি আকাশযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ না করেও তার সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা সীমিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের চালকসহ যুদ্ধবিমানের এই অসম সামরিক ব্যবহার তাইওয়ানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিতে পারে। চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে তাইওয়ানও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে।

    ২০২২ সালের জুলাইয়ে দ্য ওয়ার জোন জানিয়েছিল, চীনের প্রাথমিক বোমাবর্ষণ থেকে নিজেদের যুদ্ধবিমান রক্ষার জন্য তাইওয়ান প্রশান্ত মহাসাগরমুখী পূর্ব উপকূলের চিয়াশান ও শিজিশান পর্বতমালায় অবস্থিত অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভর করে।

    প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, গ্রানাইট পর্বতের অভ্যন্তরে খনন করা এবং বিশাল ইস্পাতের বিস্ফোরণরোধী দরজা দিয়ে সুরক্ষিত চিয়াশানের তিনতলা সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ২০০ জন যোদ্ধাকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব। সেখানে স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী জেনারেটর, চিকিৎসাসুবিধা এবং কয়েক মাসের জ্বালানি মজুতের ব্যবস্থাও রয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাইওয়ানের যুদ্ধকালীন সেনা স্থানান্তর পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিমান ও সামরিক সম্পদকে সুরক্ষিত পার্বত্য ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম গুরুত্বপূর্ণ এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান সংরক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব সক্ষমতা ব্যবহার করে সম্ভাব্য উভচর আক্রমণ প্রতিহত করাই এই কৌশলের অন্যতম উদ্দেশ্য।

    জার্নাল অব ইন্দো-প্যাসিফিক অ্যাফেয়ার্স-এ ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে ম্যাথিউ রেভেলস উল্লেখ করেছেন, চীন সম্ভাব্য উভচর আক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে সমন্বিত ও ব্যাপক গোলাবর্ষণের মাধ্যমে তাইওয়ানের বিমানবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা করতে পারে।

    রেভেলসের মতে, চীনের কাছে তাইওয়ানের চালকসহ যুদ্ধবিমান ও বিমানঘাঁটির রানওয়েগুলো প্রধান লক্ষ্যবস্তু। পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্স (পিএলএএএফ) এবং রকেট ফোর্স (পিএলএআরএফ) সমন্বিতভাবে কমান্ডকেন্দ্র অচল করা, স্থির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরাস্ত করা, রানওয়েতে গর্ত তৈরি করা এবং উড্ডয়নের আগেই উন্মুক্ত যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নির্ভুল ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাপক হামলা চালাতে পারে।

    তাইওয়ানের সম্ভাব্য অসম বিমানযুদ্ধ কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জিমি চিয়েন ২০২৬ সালের মার্চে গ্লোবাল তাইওয়ান ইনস্টিটিউটের একটি প্রবন্ধে বলেছেন, চীনা আক্রমণ থেকে নিজেদের বিমানবহর রক্ষা করতে তাইওয়ানকে এমন একটি কৌশল গ্রহণ করতে হবে, যেখানে যুদ্ধবিমানগুলোকে পরিস্থিতিনির্ভর আক্রমণাত্মক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

    চিয়েন একটি দ্বিস্তরীয় কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন। সেখানে যুদ্ধবিমানগুলোকে ‘ফিনিক্স ২’ বাহিনী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রাথমিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় এসব বিমানকে পাহাড়ি বাঙ্কারে ছড়িয়ে রেখে সুরক্ষিত করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, স্বল্প ব্যয়ের, রানওয়নিরপেক্ষ ‘ফিনিক্স ১’ ড্রোন এবং ভ্রাম্যমাণ স্থলভিত্তিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চীনের আকাশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতে পারলে তাইওয়ান দ্রুত রানওয়ে মেরামতকারী ইউনিটের সহায়তায় বেছে বেছে লুকিয়ে রাখা যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়ন করাতে পারবে।

    চিয়েনের মতে, এই অসম সামরিক মতবাদে শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা অকার্যকর করার জন্য আকাশ থেকে পরিচালিত হামলা এবং ভূমি থেকে চালানো গোলাবর্ষণের মধ্যে সমন্বয় করা হবে। একই সঙ্গে টিকে থাকা যুদ্ধবিমানগুলোকে সিদ্ধান্তমূলক পাল্টা আক্রমণের জন্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

    টিকে থাকা এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের একটি বহর চীনের জন্যও নতুন সামরিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এতে চীনকে একবারে বড় ধরনের প্রথম আঘাত হানার পরিবর্তে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাটারির মতো ছড়িয়ে থাকা ও চলমান সামরিক সম্পদ অনুসরণ, শনাক্ত এবং লক্ষ্যবস্তু করার কাজে অতিরিক্ত সামরিক সক্ষমতা ব্যয় করতে হতে পারে।

    তাইওয়ান প্রণালীর বাইরেও এই সামরিক কৌশল কোরীয় উপদ্বীপে প্রতিরোধব্যবস্থার ধারণাকে প্রভাবিত করতে পারে। সেখানে উত্তর কোরিয়ার সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বিমানঘাঁটির নেটওয়ার্ক যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে একই ধরনের সামরিক জটিলতার মুখে ফেলেছে।

    উত্তর কোরিয়া এসব ঘাঁটি থেকে মিগ-২৯ ও এসইউ-২৫ যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে প্রধান শহরগুলোকে রক্ষা করতে পারে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটির বিরুদ্ধে ইরানের ব্যবহৃত কৌশলের অনুরূপ পদ্ধতিতে হামলা চালানোর সক্ষমতাও বজায় রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, যুদ্ধের সময় ইরানের ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবহার এবং যুদ্ধবিমানের অসম সামরিক প্রয়োগ তাইওয়ান ও কোরীয় উপদ্বীপের জন্য একটি সম্ভাব্য কৌশলগত দৃষ্টান্ত তুলে ধরে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, পাহাড় কেটে তৈরি সুরক্ষিত ঘাঁটি প্রাথমিক বোমাবর্ষণ সহ্য করতে, রানওয়ে অবরুদ্ধ করার প্রচেষ্টা মোকাবিলা করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ পাল্টা আক্রমণাত্মক সক্ষমতা সংরক্ষণ করতে সহায়তা করতে পারে।

    আক্রমণকারীকে দ্রুত ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জন থেকে বিরত রেখে দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল সামরিক অভিযানে বাধ্য করার সম্ভাবনার কারণে ভূগর্ভস্থ বিমানঘাঁটি উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর আকাশ আধিপত্যের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ অসম প্রতিরক্ষামূলক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

    সূত্র: এশিয়া টাইমস

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা: নিহত ৩ ফিলিস্তিনি, আহত অনেকে

    অক্টোবর 23, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরান কি সৌদি ও হুথিদের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে পারবে?

    অক্টোবর 23, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ২০২৭ সালেও কাটছে না জ্বালানি সংকট, সতর্কবার্তা আইইএ প্রধানের

    অক্টোবর 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.