Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, অক্টো. 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মার্কিন সহায়তা ছাড়া কত দিন যুদ্ধ চালাতে পারবে ইউক্রেন?
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন সহায়তা ছাড়া কত দিন যুদ্ধ চালাতে পারবে ইউক্রেন?

    হাসিব উজ জামানUpdated:অক্টোবর 25, 2026অক্টোবর 25, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—মার্কিন সহায়তা আরও কমে গেলে কিংবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে ইউক্রেন কতটা কার্যকরভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে?

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে সাম্প্রতিক মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ার জন্য ট্রাম্প জেলেনস্কির সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ।

    এরই মধ্যে রাশিয়ার হামলা অব্যাহত রয়েছে। ফলে অস্ত্রের সরবরাহ, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে ইউক্রেনের উদ্বেগ বাড়ছে।

    ২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজ বন্ধ করে দেয়। এরপর ইউরোপীয় দেশগুলো সহায়তার বড় অংশের দায়িত্ব নিয়েছে। একই সময়ে নিজেদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতাও দ্রুত বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইউক্রেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্থিক সহায়তার বাইরেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কিয়েভের নির্ভরতা এখনো অনেক বেশি।

    আর্থিক সহায়তায় এগিয়ে ইউরোপ

    জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিল ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে অন্তত ১৩১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। ফলে একক দাতা হিসেবে ওয়াশিংটন এখনো ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় সহায়তাকারী।

    তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যদেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে অন্তত ২২৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিয়েছে। সামগ্রিক সহায়তার পরিমাণে ইউরোপ এখন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে।

    ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন উল্লেখযোগ্য সামরিক সহায়তা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরেও যুক্তরাজ্য ও নরওয়ে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

    তবে ইউরোপের সহায়তার একটি অংশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ন্যাটোর কয়েকটি সদস্যদেশ মার্কিন নির্মাতাদের কাছ থেকে অস্ত্র কিনে সেগুলো ইউক্রেনকে সরবরাহ করে। এসব অস্ত্র হস্তান্তরের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় ওয়াশিংটনের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়ে গেছে।

    বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি ইউক্রেনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ নির্ধারিত সময়ের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত শেষ হয়ে যায়। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সংখ্যা সীমিত হওয়ায় এ ঘাটতি দেশটির নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়েছে। কিয়েভে সাম্প্রতিক রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    জেলেনস্কির মতে, এই সংকটময় সময়ে মিত্রদের কাছ থেকে ইউক্রেনের দুটি বিষয় প্রয়োজন—রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করা এবং আরও কার্যকর ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা।

    সামরিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা এখনো গভীর

    আর্থিক সহায়তা কমে গেলেও মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য, উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও যোগাযোগব্যবস্থার ওপর ইউক্রেনের নির্ভরতা রয়ে গেছে।

    প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি মার্কিন সামরিক প্রযুক্তিনির্ভর স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কবার্তা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব সক্ষমতার সবগুলোর সমতুল্য বিকল্প ইউরোপের হাতে নেই।

    ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের রাশিয়া কর্মসূচির পরিচালক ম্যাক্স বার্গম্যানের মতে, ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করেছে। ফলে মার্কিন সহায়তায় বিঘ্ন ঘটলে ইউক্রেনের পাশাপাশি ইউরোপের নিরাপত্তাব্যবস্থাও চাপে পড়তে পারে।

    বার্গম্যানের আশঙ্কা, এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে, বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি বাড়তে পারে এবং আরও মানুষ দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হতে পারেন। তবে এতে ইউক্রেনের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাশক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়বে বলে তিনি মনে করেন না।

    গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কয়েকবার ইউক্রেন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আগাম সতর্কবার্তা পায়নি। এর ফলে বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রচলিত সতর্কসংকেত না পাওয়ায় হামলার ঝুঁকি বেড়েছে বলে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও ট্রাম্প প্রশাসন গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ সীমিত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মঙ্গলবার রাতে জেলেনস্কি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আবার কার্যকর হয়েছে।

    স্যাটেলাইট যোগাযোগে সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক

    ইউক্রেনের সামরিক যোগাযোগে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, স্টারশিল্ড ব্যবস্থায় পূর্ণ প্রবেশাধিকার পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তবে এর গতি ও কার্যকারিতা দেশের সব অঞ্চলে আগের অবস্থায় ফিরেছে কি না, তা তখনো স্পষ্ট ছিল না।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে অবস্থানরত একটি সূত্র শনিবার সকালে জানিয়েছিল, তাদের এলাকায় যোগাযোগের গতি তখনো ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটারের সমতুল্য সীমায় আটকে ছিল। গতির ওপর এ ধরনের সীমাবদ্ধতা দ্রুতগতির সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরোধী ড্রোন পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করেছে বলে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা ইউক্রেনের স্যাটেলাইট যোগাযোগে গতি সীমিত করার সিদ্ধান্তে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন। ইলন মাস্কও একতরফাভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ নাকচ করেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট।

    শনিবারের এক পোস্টে মাস্ক অভিযোগ করেন, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী মানুষ হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণাত্মক ড্রোন হামলায় বাণিজ্যিক স্টারলিংক পরিষেবা ব্যবহার করছে। তাঁর দাবি, এ ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্টারশিল্ডকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন পৃথক ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সেরহি বেসক্রেস্তনভ অবশ্য মাস্কের অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, গতিসীমা এবং রাশিয়ার ভূখণ্ডে পরিষেবার অনুপলব্ধতার কারণে ইউক্রেনের পক্ষে বাণিজ্যিক স্টারলিংক ব্যবহার করে দূরপাল্লার হামলা পরিচালনা করা কার্যত সম্ভব নয়।

    মাস্কের দাবি, স্টারলিংক বন্ধ হয়ে গেলে ইউক্রেনের সম্মুখসারির প্রতিরক্ষা দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যায়ন; স্বাধীনভাবে নিশ্চিত সামরিক পূর্বাভাস নয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পমেয়াদে মার্কিন প্রযুক্তি ও যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন কোনো বাধা তৈরি হলে ইউক্রেনের সামরিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ নির্ভরতা কমাতে ইউরোপ নিজস্ব প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়নে আরও বিনিয়োগ করতে পারে।

    যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন বিরোধে সুবিধা পেতে পারে রাশিয়া

    ওয়াশিংটন ও কিয়েভের বিরোধ শুধু সামরিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইউরোপের নিরাপত্তা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর ঐক্যের ওপরও পড়তে পারে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে তা স্থগিত করেছে এবং রাশিয়াকে ডিজেল রপ্তানির সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা করেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধ বন্ধের জন্য ক্রেমলিন এখনো তার সর্বোচ্চ দাবিগুলো থেকে সরে আসেনি।

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক নাতিয়া সেস্কুরিয়ার মতে, ইউক্রেনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ রাশিয়াকে এই আশা দিতে পারে যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে একসময় ইউরোপের সমর্থনও দুর্বল হয়ে পড়বে।

    নিউ ইউরেশিয়ান স্ট্র্যাটেজিস সেন্টারের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ববিষয়ক প্রধান জন লফও মনে করেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতপার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করছে। তাঁর মতে, ইউক্রেনের ওপর ট্রাম্পের চাপ, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সিদ্ধান্ত এবং প্রস্তাবিত মার্কিন আইন নিয়ে অনিশ্চয়তা ইউরোপের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এ ছাড়া রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলার বিষয়টি নিয়েও ওয়াশিংটনের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে। ট্রাম্প জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জন্য ইউক্রেনের হামলাকে দায়ী করেছেন, যদিও প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    লফের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কিছু বিরোধ প্রশমিত হতে পারে। তবে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষ ট্রাম্পের বাকি মেয়াদেও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে।

    তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াই যুদ্ধ চালাতে পারবে ইউক্রেন?

    বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। ইউরোপের আর্থিক ও সামরিক সহায়তা এবং ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প দেশটিকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কিছু সক্ষমতা দিচ্ছে।

    তবে সব ধরনের সহায়তার বিকল্প তৈরি করা এক বিষয় নয়। অর্থের জোগান বা কিছু প্রচলিত অস্ত্রের সরবরাহ ইউরোপ বাড়াতে পারলেও উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কবার্তা এবং সামরিক যোগাযোগব্যবস্থার বিকল্প দ্রুত তৈরি করা কঠিন।

    সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষমতা, বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপকে আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে।

    সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনৈতিক ঐক্য কত দিন বজায় থাকবে। কারণ ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ শুধু অস্ত্র ও অর্থের ওপর নির্ভর করছে না; নির্ভর করছে মিত্রদের ধারাবাহিক সমর্থন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতার ওপরও।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইউরোপজুড়ে তরুণদের ক্ষোভের আগুন, রাজপথে কেন জেন-জি

    অক্টোবর 25, 2026
    আইন আদালত

    যুদ্ধের প্রভাবে কুয়েত-কাতারের অর্থনীতিতে বড় ধস, সবচেয়ে চাপে কোন দেশ?

    অক্টোবর 25, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানি হামলার শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে নীরবে সপরিবারে কূটনীতিক সরাচ্ছে ওয়াশিংটন

    অক্টোবর 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.