Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, নভে. 7, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ট্রাম্পের পরাজয়ে চীনের কপালে কেন চিন্তার ভাঁজ?
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পের পরাজয়ে চীনের কপালে কেন চিন্তার ভাঁজ?

    নিউজ ডেস্কনভেম্বর 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়কে প্রথমে চীনের জন্য স্বস্তির খবর বলে মনে হলেও চীনা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই নির্বাচনী ধাক্কা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিতে উৎসাহিত করতে পারে। বিশেষ করে তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ এবং চিপ রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তাঁর নীতি আরও কঠোর হওয়ার ঝুঁকি দেখছেন তাঁরা। তাঁদের ধারণা, প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেষ দুই বছরে রাজনৈতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারের চেষ্টা থেকেই এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন ট্রাম্প।

    গত ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট- উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাট পার্টি। ফলে ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগপর্যন্ত বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণাধীন কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করতে হবে ট্রাম্পকে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে দায়ী করেছেন। তাঁর মতে, ওই যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। পরে ভ্যান্সের এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত হন ট্রাম্পও।

    নির্বাচনের এই ফল এসেছে ট্রাম্পের নির্ধারিত চীন সফরের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে। আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর শেনজেনে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার (এপেক) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকও হতে পারে। গত সেপ্টেম্বরে ক্রেমলিন জানিয়েছিল, সম্মেলনের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে নিয়ে তিন নেতার একটি বৈঠকের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পুতিনও ওই সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

    ট্রাম্পের পরাজয়ে চীনের স্বস্তি নেই

    নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই রিপাবলিকানদের পরাজয় কামনা করেছিলেন। কিন্তু ফল প্রকাশের পর বুধবার দিনভর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বৃহস্পতিবার চীনা বিশ্লেষকদের বক্তব্যে ভিন্ন সুর দেখা যায়। তাঁদের পরামর্শ, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিপর্যয়কে চীনের জন্য নিঃশর্ত সুখবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়লেই চীনের ওপর চাপ কমে যাবে—এমন ধারণাও বাস্তবসম্মত নয়।

    বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলেও ওয়াশিংটনের চীননীতি মৌলিকভাবে বদলাবে না। চীনকে মোকাবিলার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান দলের মধ্যে এখন ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে। প্রযুক্তি রপ্তানিতে বিধিনিষেধ এবং চীনে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ ইতিমধ্যে আইনে পরিণত হয়েছে। এসব ব্যবস্থা বহাল থাকার পাশাপাশি আরও কঠোর হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এমনকি চীনের বিরুদ্ধে কে বেশি কঠোর হতে পারে, তা প্রমাণ করতে দুই দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে।

    চীনা বিশ্লেষকদের আরেকটি আশঙ্কা, ট্রাম্প ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিয়ে আবারও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মনোযোগ দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তাইওয়ানের কাছে আরও বেশি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা।

    চীনের শানডং প্রদেশের একজন লেখক ‘ওয়েইচাং’ ছদ্মনামে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক নিবন্ধে লিখেছেন, ট্রাম্পের বড় পরাজয় ও তাঁর রাজনৈতিক ক্ষমতা কমে যাওয়ার খবরে চীনের অনেকে উল্লাস করেছেন। তাঁদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র এখন অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলায় ব্যস্ত থাকবে এবং চীনের ওপর চাপ কমবে। কিন্তু এই স্বস্তির ধারণা বাস্তবতার তুলনায় অনেক সরল।

    ওই লেখকের ভাষায়, চীনকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে, তা নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে। কিন্তু চীনকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন কি না, সে প্রশ্নে দুই দলের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। স্বল্প মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে চীনকে নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা আরও পরিকল্পিত ও সমন্বিত রূপ নিতে পারে।

    হোয়াইট হাউসে নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। ছিলেন টেসলার ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তিজগতের বিখ্যাত ব্যক্তিরা
    হোয়াইট হাউসে নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। ছিলেন টেসলার ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তিজগতের বিখ্যাত ব্যক্তিরা

    চীনবিরোধী অবস্থানে দুই দলের ঐকমত্য

    ওই বিশ্লেষকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এখন প্রেসিডেন্টের তাৎক্ষণিক বা ব্যক্তিনির্ভর সিদ্ধান্তের পরিবর্তে কংগ্রেসে পাস হওয়া স্থায়ী আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গত এপ্রিলে দুই দলের সমর্থনে উত্থাপিত ‘মাল্টিল্যাটারাল অ্যালাইনমেন্ট অব টেকনোলজি কন্ট্রোলস অন হার্ডওয়্যার’ বা ম্যাচ (এমএটিসিএইচ) আইন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রস্তাবিত আইনটির লক্ষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশগুলোকে একই ধরনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণনীতি অনুসরণে বাধ্য করা। এর আওতায় হুয়াওয়ে টেকনোলজিস এবং সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশনের (এসএমআইসি) মতো চীনা চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

    ওই লেখক আরও মনে করেন, ট্রাম্পের নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিতে পারে ডেমোক্র্যাটরা। চীনের বিরুদ্ধে প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক বিধিনিষেধকে গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে তুলে ধরতে পারে তারা। ট্রাম্প হয়তো নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে চাইবেন না। কিন্তু কংগ্রেস তাইওয়ান, শিনজিয়াং এবং চিপ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে বিল উত্থাপন করতে পারে। এতে ট্রাম্পকেও অবস্থান নিতে বাধ্য হতে হবে।

    শানডং প্রদেশের আরেক লেখক ইয়ানবিয়ানও ট্রাম্পের নির্বাচনী বিপর্যয়কে চীনের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং পরিস্থিতি আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম এমন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চীন। তাঁর মতে, ওয়াশিংটনের সামনে এখন মূল প্রশ্ন চীনকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে কি না, তা নয়; বরং আরও কার্যকরভাবে কীভাবে সেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়।

    ইয়ানবিয়ানের বিশ্লেষণ, ট্রাম্পের কৌশল হলো এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া, শক্তি প্রয়োগ করা এবং নিরাপত্তার বিনিময়ে মিত্রদেশগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায় করা। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা জোট গঠন, আন্তর্জাতিক নিয়ম তৈরি এবং সরবরাহব্যবস্থা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে চীনকে মোকাবিলা করতে চায়। ফলে ডেমোক্র্যাটরা আবার ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরে আসায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতামূলক নীতি আরও সুসংগঠিত হতে পারে। সরাসরি বিচ্ছিন্ন করার পরিবর্তে চীনের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার হতে পারে।

    চীনের গুইঝৌ প্রদেশের কলাম লেখক জিয়াং তাওয়ের মূল্যায়নও প্রায় একই রকম। তাঁর মতে, চীনকে মোকাবিলার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের দুই দলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ঐকমত্য রয়েছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলেও চীনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বা নিয়ন্ত্রণ কমবে না। বরং কৌশল ও প্রয়োগপদ্ধতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। রিপাবলিকানরা এককভাবে চাপ প্রয়োগে বেশি আগ্রহী, আর ডেমোক্র্যাটরা মিত্রদেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায়। পদ্ধতি আলাদা হলেও উভয় দলের লক্ষ্য একই।

    তাইওয়ান ও চিপ রপ্তানিতে বাড়তে পারে চাপ

    জিয়াং তাও মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তাইওয়ান প্রণালিতে। অঞ্চলটি আরও অস্থির ও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক ইতিহাসের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে তাইওয়ান নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কম। তবে নির্বাচনে বড় ধাক্কা খাওয়ার পর নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারে তিনি তাইওয়ান ইস্যুকে আরও জোরালোভাবে সামনে আনতে পারেন। বিশেষ করে রক্ষণশীল ভোটারদের সমর্থন ফিরে পেতে এ বিষয়টি ব্যবহার করার আশঙ্কা রয়েছে।

    ছবি: সংগৃহীত

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল। ওই প্যাকেজে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্রও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু পরে হোয়াইট হাউস সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্যাকেজটির কার্যক্রম এগিয়ে না নেওয়ার নির্দেশ দেয়। কারণ, সে সময় ট্রাম্প বেইজিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা শুরু করতে চাচ্ছিলেন। মে মাসে চীন সফরের আগে সি চিন পিংকে অসন্তুষ্ট করাও এড়াতে চেয়েছিলেন তিনি।

    ওই বৈঠকের পর চীনের সঙ্গে দর-কষাকষিতে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিকে একটি হাতিয়ার হিসেবে বর্ণনা করেন ট্রাম্প। সেপ্টেম্বরে সি চিন পিং হোয়াইট হাউস সফর করেন। তবে ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে প্রস্তাব না পাঠানো পর্যন্ত অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজটি কার্যকর করা সম্ভব নয়। ফলে সেটি এখনো স্থগিত রয়েছে।

    ২০২৫ সালের এপ্রিল ও মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। পরে দুই দেশ উত্তেজনা কমাতে সম্মত হয়। ২০২৬ সালেও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা অব্যাহত ছিল। তবে আলোচনা চলার পাশাপাশি উভয় দেশ একে অপরের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

    এদিকে বুধবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং। তিনি বলেন, যোগাযোগ বাড়ানো, মতপার্থক্য যথাযথভাবে সামাল দেওয়া এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও কৌশলগতভাবে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় চীন।

    মিত্রদের নিয়ে চীনকে ঘিরতে পারে ওয়াশিংটন

    ইয়ানবিয়ানের মতে, চীনকে এখন নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো সহজ পথ নেই, অবাস্তব আশাবাদেরও সুযোগ নেই। চিপ ও লিথোগ্রাফি থেকে শুরু করে শিল্পকারখানার সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম এবং সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশ উৎপাদন—সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে নিজেদের সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে দেশটিকে।

    তাইওয়ানের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি রিসার্চের (আইএনডিএসআর) প্রতিরক্ষা কৌশল ও সম্পদ বিভাগের সহযোগী গবেষক চেন লিয়াং-চিহ অবশ্য পরিস্থিতিকে কিছুটা ভিন্নভাবে দেখছেন। তাঁর মতে, ট্রাম্প যদি নিজের রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখতে পারেন এবং চীন বিষয়ে বর্তমান নীতি অপরিবর্তিত রাখেন, তাহলে বেইজিং সন্তুষ্ট হতে পারে। এখন চীনের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ এবং বাণিজ্য আলোচনায় যে অগ্রগতি হয়েছে, তা অব্যাহত রাখা সম্ভব কি না।

    চেন লিয়াং-চিহ আরও বলেন, এপেক সম্মেলনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে গত এক বছরে বিভিন্ন সম্মেলন ও ট্রাম্প-সি বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া সমঝোতা ও প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের ওপর। একই সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেওয়া যায় কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

    • জেফ পাও: লন্ডনভিত্তিক সাংবাদিক। প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বাণিজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক নিয়ে তিনি লেখালেখি করেন। সূত্র: এশিয়া টাইমস
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

    নভেম্বর 7, 2026
    আন্তর্জাতিক

    নেতানিয়াহুকে হটানোর সমীকরণে এগিয়ে আইজেনকোট

    নভেম্বর 7, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেনের ত্রাণকেন্দ্রে ভয়াবহ রুশ হামলা, নিহত বেড়ে ৫৩

    নভেম্বর 7, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.