লন্ডনের মেয়র সাদিক খান যুক্তরাজ্যে আসা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে উগ্র ডানপন্থী ও বিভাজনমূলক রাজনীতিকে উসকে দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভূমিকা সবচেয়ে বড়। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
সাদিক খান সরাসরি কিয়ার স্টারমারের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা ট্রাম্পের বিষয়ে আরো কঠোর অবস্থান নেয়। তিনি বলেন, ট্রাম্পের সামরিক বাহিনীর ব্যবহার এবং সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে নেওয়া পদক্ষেপগুলো স্বৈরাচারের কৌশল ছাড়া কিছু নয়। এছাড়া তিনি সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাজ্যের নেতাদের ভয় বা বিভেদের রাজনীতি কখনও গ্রহণযোগ্য নয়।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফর ঘিরে কিয়ার স্টারমারের সরকারও চাপের মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের শুল্ক মওকুফের সম্ভাব্য চুক্তি শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যাওয়ায় স্টারমারের কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি দুর্বল হয়েছে।

সাদিক খান গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বাস্তব কারণগুলো বোঝেন। তবে এমন একজন নেতাকে সমালোচনা করার ক্ষেত্রে ব্রিটেনকে ভয় পাওয়া উচিত নয়, যিনি তার মিত্রদের সঙ্গে মিলে বিশ্বে বিভেদ সৃষ্টি এবং উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে উসকে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের বিভিন্ন শহরে সামরিক বাহিনীর ব্যবহার এবং যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া কিছু আমেরিকান নাগরিককে নির্বাসিত করা পশ্চিমা মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সরাসরি স্বৈরাচারের কৌশল থেকে উদ্ভূত। খান যুক্তরাজ্য এবং আমেরিকার বিশেষ সম্পর্কের মধ্যে সমালোচনামূলক বন্ধু হিসেবে সত্য কথা বলা অপরিহার্য বলে মনে করেন।

