নিজের নিরাপত্তার কারণে বহু মানুষ অন্য দেশে আশ্রয় চাইতে বাধ্য হন। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়ার জন্যও বহু আবেদন আসে। তবে ২০২৬ অর্থ বছরে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের সুযোগ এবার সর্বনিম্ন পর্যায়ে আনা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ সালে মাত্র ৭,৫০০ জনকে শরণার্থী হিসেবে গ্রহণের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এটি দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন সংখ্যা। তুলনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলের শেষ বছরে ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পেয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সময় ৩০ অক্টোবর একটি প্রেসিডেন্সিয়াল নথি প্রকাশিত হয়। এই নথি অনুযায়ী ৭,৫০০ জনকে আশ্রয় দেওয়া হবে, যা প্রায়শই কার্যত শরণার্থী গ্রহণ প্রক্রিয়া সীমিত করবে।
বিশেষভাবে, এই সীমিত সংখ্যার মধ্যে প্রাধান্য দেওয়া হবে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী (আফ্রিকানার্স) কে। ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা শ্বেতাঙ্গরা নিগৃহীত হচ্ছেন, যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এটি প্রত্যাখ্যান করেছে।
১৯৮০ সালে মার্কিন কংগ্রেস শরণার্থী আইন পাস করে। এ আইনের মাধ্যমে বৈধভাবে শরণার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ পান। ১৯৮০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২০ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী হিসেবে নতুন জীবন শুরু করেছেন।
গত জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প এই আইনের কার্যকারিতা সীমিত করার উদ্যোগ নেন এবং বিভিন্ন আইনি বাধা উপেক্ষা করে এতে সফল হন।

