যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের কাছাকাছি এলাকায় গুলির ঘটনায় ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্য গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে একজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা মুহূর্তেই রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে সরব করে তোলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হোয়াইট হাউস থেকে মাত্র কয়েক শর্ মিটার দূরেই হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। ডিসির মেয়র মুরিয়েল বাউসার এটিকে “পরিকল্পিত গুলি” বলে মন্তব্য করেন, যা পুরো ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তোলে।
এদিকে, এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল সাংবাদিকদের বলেন, একাধিক নিরাপত্তা সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। তিনি ঘটনাটিকে “জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়” হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, হামলার উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা দ্রুতই সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চান।
ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লোরিডায় অবস্থান করছিলেন। ট্রাম্প বলেন, অভিযুক্ত হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে “তার কাজের কঠিন মূল্য দিতে হবে।” তার মতে, এই ধরনের সহিংসতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ওয়াশিংটন মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা জেফ্রি ক্যারল জানান, হামলাকারী একজনই ছিল এবং তাকে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক এক্স পোস্টে লিখেছেন, তিনি ও তার স্ত্রী জিল এই হামলায় গভীরভাবে মর্মাহত। বাইডেন বলেন, “সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা আহত সেনা সদস্য ও তাদের পরিবারের পাশে আছি।”
দুপুরের এই ঘটনার পর হোয়াইট হাউসের আশপাশে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

