Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Wed, Jan 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ডিপ স্টেট: যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক প্রভাবের অনুসন্ধান
    আন্তর্জাতিক

    ডিপ স্টেট: যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক প্রভাবের অনুসন্ধান

    এফ. আর. ইমরানDecember 24, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    প্রতীকি ছবি/এআই
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে “ডিপ স্টেট” (DEEP STATE) বা গভীর রাষ্ট্রের ধারণা একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ডিপ স্টেট এমন একটি ধারণা বা তত্ব যা বোঝাতে চায় যে, রাষ্ট্রের ভিতর অদৃশ্য অপ্রকাশিত শক্তি কাজ করে যা সরকার নির্বাচিত কর্মকর্তা কিংবা জনগণের ইচ্ছার বাইরে থেকেই ক্ষমতার পরিচালনা করে।

    এটি মূলত একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব যা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী কাঠামোর মধ্যে একটি অদৃশ্য নেটওয়ার্কের অস্তিত্বকে নির্দেশ করে। এই নেটওয়ার্কের সদস্যরা প্রায়শই FBI, CIA এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রশাসনিক বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে চিহ্নিত হয়। ধারণা অনুযায়ী, তারা নির্বাচিত সরকারকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে, কখনও কখনও সরকারী নীতিতে বাধা দেয় অথবা সরকারের উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত করে।

    ডিপ স্টেটের ইতিহাস ও উত্পত্তি-

    ডিপ স্টেটের ধারণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নয়। কমপক্ষে ১৯৫০-এর দশক থেকেই মার্কিন গবেষকরা “দ্বৈত রাষ্ট্র” বা shadow government-এ বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। ১৯৫৫ সালের বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস-এ উল্লেখ ছিল যে আমেরিকানরা এমন একটি লুকানো জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর অস্তিত্বে বিশ্বাস রাখে যা নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতাদের পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। ধারণাটির উৎপত্তি আন্তর্জাতিকভাবে তুরস্ক থেকে, ১৯২৩ সালে অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর তুরস্কের ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র কাঠামো ধরে রাখার চেষ্টা হিসেবে সামরিক গোয়েন্দা, আমলাতন্ত্র ও গোপন নেটওয়ার্কে গড়ে উঠে প্রথম সমান্তরাল ছায়া রাষ্ট্র। যেখানে ১৯৯০-এর দশকে “ডিপ স্টেট” শব্দটি গণতন্ত্র-বিরোধী উচ্চ-স্তরের জোটের জন্য ব্যবহৃত হয়। মার্কিন প্রেক্ষাপটে এটি পরবর্তীতে সরকারি এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে, বিশেষ করে বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সময়।

    ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ডিপ স্টেট বিতর্ক-

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতির সময় ডিপ স্টেটের ধারণা বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। ট্রাম্প এবং তার সমর্থকরা অভিযোগ করেছিলেন যে, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থা তার এজেন্ডার বিরুদ্ধে কাজ করছে। ২০১৬-২০২০ সালের মধ্যে তিনি বারবার এই শব্দ ব্যবহার করেছেন, আদালত, বিচার বিভাগ এবং মিডিয়ার মাধ্যমে তার নীতি বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে। ট্রাম্পের সমর্থকরা মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস, নীতি প্রভাবিতকরণ এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপকে ডিপ স্টেটের কার্যক্রম হিসেবে দেখিয়েছেন। স্টিভ ব্যানন, ব্রেইটবার্ট নিউজ এবং অন্যান্য ট্রাম্পপন্থী মিডিয়া আউটলেট এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন যাতে ট্রাম্পের সমালোচক বা প্রতিপক্ষকে অবৈধ হিসেবে প্রদর্শন করা যায়।

    ডিপ স্টেটের কার্যকারিতা ও বিতর্ক-

    ডিপ স্টেটের কার্যপ্রণালী সাধারণত প্রকাশ্য নয়। এটি সরকারের বিভিন্ন স্তরে নীতি প্রভাবিত করে, বিশেষ করে সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থা, উচ্চপদস্থ প্রশাসন এবং অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সহযোগিতায়। তথ্য নিয়ন্ত্রণ, গোপন নীতি প্রণয়ন এবং মিডিয়ার ব্যবহার ডিপ স্টেটের অন্যতম কৌশল। কিছু ক্ষেত্রে এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হলেও- নির্বাচিত সরকারের নীতি ব্যাহত হয় এবং গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার ক্ষতি হয়।

    অন্যভাবে বলা যায়, ডিপ স্টেট প্রভাবশালী কর্পোরেশন, গোয়েন্দা সংস্থা ও ব্যাংকিং সেক্টরের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নীতিকে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। গোপন নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপর প্রভাব বিস্তার করে৷ যেন তারা ডিপ স্টেট ব্যক্তিদের ইচ্ছা মত কাজ করে। জনগণের মনোভাব এবং ধারণা প্রভাবিত করতে গণমাধ্যম, প্রোপাগাণ্ডা ও ইনফ্লুয়েন্সার এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন মাধ্যমকেও ব্যবহার করা হয়।

    ডিপ স্টেটের ধারণা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আলোচনার অংশ হলেও- এটি বাস্তবে কতটা কার্যকর তা বিতর্কিত। কিছু সমালোচক মনে করেন যে, ডিপ স্টেটকে একটি কন্সপিরেসি থিওরি বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে নাকচ করে দেন। তারা মনে করেন এমন কোন সংগঠিত ডিপ স্টেট নেই। এটি একটি মিথ, যা রাজনৈতিক বিরোধীদের নীতি বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।

    ফক্স নিউজের প্যানেলিস্ট চার্লস ক্রাউথামার যুক্তি দেন, মার্কিন সরকার একটি “অমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণাধীন কাঠামো” দ্বারা পরিচালিত হয়, গোপন ষড়যন্ত্রের পরিবর্তে নিয়ম ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জর্জ ফ্রিডম্যান এবং আলফ্রেড ডব্লিউ. ম্যাককয়ও উল্লেখ করেছেন যে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত করার জন্য আমলাতন্ত্র তৈরি হয়েছে এবং ৯/১১-এর পরেও গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি সত্ত্বেও এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত ডিপ স্টেটের প্রমাণ নয়।

    বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ডিপ স্টেট-

    এই ডিপ স্টেটের ধারণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশে বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এটি বিদেশি সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে সরকারকে প্রভাবিত করতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতাপূর্ণ অঞ্চলে মিডিয়া ও অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে জনমত নিয়ন্ত্রণ করা হয়। শক্তিশালী রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ফোরামে ডিপ স্টেট দেশের নীতি, কূটনৈতিক চুক্তি এবং অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তথ্য ও প্রযুক্তি, সামাজিক মিডিয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি প্রভাবিত করা সম্ভব।

    ডিপ স্টেটের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব-

    ডিপ স্টেটের প্রভাবের দুটি দিক রয়েছে—

    • ইতিবাচক দিক হিসেবে এটি রাজনৈতিক অস্থিরতা কমায়, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং সামরিক-গোয়েন্দা সংস্থার অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
    • নেগেটিভ দিক হিসেবে এটি নির্বাচিত সরকারের নীতি বাধাগ্রস্ত করে, রাজনৈতিক পক্ষপাত সৃষ্টি করে এবং জনমতের আস্থা কমিয়ে দেয়। এটি একদল অদৃশ্য কর্মীর নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের ক্ষমতা স্থানান্তরিত করে, যা গণতান্ত্রিক নীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

    তবে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কাঠামো অন্যান্য দেশের তুলনায় স্বচ্ছ এবং নিয়ন্ত্রিত। জন ডি. মাইকেলস উল্লেখ করেছেন, মিশর, পাকিস্তান বা তুরস্কের মতো দেশগুলোর গভীর রাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে মার্কিন প্রশাসনিক কাঠামো অনেক বেশি স্বচ্ছ এবং বহুমাত্রিক। আমলারা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক পটভূমি থেকে আসে এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে তারা সক্রিয় হস্তক্ষেপকারী নয়। এছাড়াও, মার্কিন প্রশাসনিক কাঠামোতে নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যের সাংবিধানিক ব্যবস্থা রয়েছে, যা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত করে এবং সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখে।

    বিশ্লেষকরা দেখিয়েছেন যে, ডিপ স্টেটের ধারণা বিভিন্ন দেশ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রায়শই ট্রাম্পপন্থী কনটেক্সটে আলোচিত হয়েছে, যেখানে নির্বাচিত সরকারের নীতি এবং প্রশাসনিক কর্মের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। তবে সরকারি কাঠামো স্বচ্ছ এবং নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এটি একটি নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনিক তত্ত্বের সীমায় থাকে। অন্যদিকে উন্নয়নশীল দেশ বা রাজনৈতিক অস্থির অঞ্চলে ডিপ স্টেট কার্যক্রম সরাসরি নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

    গবেষকরা সমালোচনামূলকভাবে যুক্তি দেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিপ স্টেট মূলত প্রশাসনিক ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। জনসাধারণের আস্থা, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতের প্রভাব এ ধারণাকে আরও জটিল করে তোলে। সাংবাদিকরা সতর্ক করেছেন যে ডিপ স্টেটের ধারণা জনসাধারণের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা হ্রাস করতে পারে এবং ভিন্নমত দমনকে যৌক্তিকতা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

    জনমত ও সমীক্ষা তথ্য-

    জনসাধারণের মধ্যে ডিপ স্টেটের ধারণা ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ২০১৭ সালের এবিসি নিউজ / ওয়াশিংটন পোস্টের জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক (৪৮%) আমেরিকানরা ডিপ স্টেটের অস্তিত্বে বিশ্বাসী, যেখানে ৩৫% এটিকে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে বিবেচনা করেন। ২০১৮ সালের মনমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের ৬৩% ডিপ স্টেটের সাথে পরিচিত নন, কিন্তু তিন-চতুর্থাংশের বেশি (৭৪%) মনে করেন যে এটি সম্ভবত বিদ্যমান। ২০১৯ সালের দ্য ইকোনমিস্ট / ইউগভ জরিপে রিপাবলিকানদের ৭০%, স্বাধীনদের ৩৮% এবং ডেমোক্র্যাটদের ১৩% মনে করেন যে, একটি ডিপ স্টেট ট্রাম্পকে উৎখাত করার চেষ্টা করছে। ২০২০ সালের ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও / ইপসোস জরিপে ৩৯% মানুষ বিশ্বাস করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দুর্বল করার জন্য একটি ডিপ স্টেট কার্যকর।

    তাত্ত্বিক বনাম বাস্তব প্রভাব-

    ডিপ স্টেটের তাত্ত্বিক ও বাস্তব প্রভাবের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট। তাত্ত্বিকভাবে এটি একটি অদৃশ্য, শক্তিশালী নেটওয়ার্ক যা নির্বাচিত সরকারের নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। বাস্তবতায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রশাসনিক কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ এবং সাংবিধানিক ভারসাম্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আন্তর্জাতিকভাবে, এটি কখনও কখনও রাজনৈতিক প্রভাব এবং জনমত নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। তথ্য ও মিডিয়ার প্রভাব, অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি এবং প্রশাসনিক নীতি ব্যবহার করে ডিপ স্টেট রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারে, তবে গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

    পরিশেষে, ডিপ স্টেট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতার প্রতীক। এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং নীতি বাস্তবায়নে সহায়ক হলেও- গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতা এবং জনমতের প্রতি আস্থা হ্রাস করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি একটি নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ, যেখানে নির্বাচিত সরকারের নীতি প্রভাবিত হতে পারে, কিন্তু এটি কোনও গোপন, শক্তিশালী ষড়যন্ত্রের অংশ নয়। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশ ও রাজনৈতিক অস্থির অঞ্চলে, ডিপ স্টেট কার্যক্রম নির্বাচিত সরকারের উপর সরাসরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে (প্রয়োজন হলে) জটিল করে।

    তথ্যসূত্র: বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস- ১৯৫৫, সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়- রেবেকা গর্ডন, এবিসি নিউজ / ওয়াশিংটন পোস্ট জরিপ- ২০১৭, মনমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় জরিপ- ২০১৮, দ্য ইকোনমিস্ট / ইউগভ জরিপ- ২০১৯, ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও / ইপসোস জরিপ- ২০২০, উইকিপিডিয়া। জন ডি. মাইকেলস, জর্জ ফ্রিডম্যান, আলফ্রেড ডব্লিউ. ম্যাককয়, স্টিফেন ওয়াল্ট, মার্ক অ্যাম্বিন্ডার, জিওফ্রে নুনবার্গ, বব জেসপ, জেসন লিন্ডস, টম এঙ্গেলহার্ড, মাইকেল জে. গ্লেনন। বিভিন্ন সূত্রের ইংরেজি লেখা থেকে সংক্ষিপ্তাকারে তথ্য সংগ্রহ-অনূদিত করে ‘ডিপ স্টেট’ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেছেন— এফ. আর. ইমরান

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    এরফানের ফাঁসি হলে কঠোর পদক্ষেপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

    January 14, 2026
    আন্তর্জাতিক

    চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২, আহত ৭৯

    January 14, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানকে ঘিরে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    January 14, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.