Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্পকে কীভাবে চাপে ফেলতে পারে কানাডা?
    বিশ্ব অর্থনীতি

    বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্পকে কীভাবে চাপে ফেলতে পারে কানাডা?

    এফ. আর. ইমরানUpdated:আগস্ট 25, 2026আগস্ট 25, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বায়ে) ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (ডানে)
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠা বাণিজ্য বিরোধে কানাডা কতটা কার্যকরভাবে পাল্টা চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ কানাডা তার মোট উৎপাদিত পণ্যের প্রায় ৭০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করলেও একই সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির জন্যও কানাডা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার। ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কের গভীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতাই এখন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির অন্যতম বড় কৌশলগত শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    মেইন, মিশিগান ও উইসকনসিনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি অঙ্গরাজ্যের পণ্যের প্রধান ক্রেতা কানাডা। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৪৫টির জন্য কানাডা শীর্ষ তিন ক্রেতার অন্যতম। এই বাস্তবতায় বাণিজ্যযুদ্ধ দীর্ঘ হলে অটোয়ার হাতে এমন কিছু অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে, যা সরাসরি মার্কিন শিল্প, ব্যবসা এবং নির্বাচনী রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যে পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করছেন, তা ‘ডলার-ফর-ডলার’ নীতির ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র যতটুকু শুল্ক আরোপ করবে, কানাডাও সমপরিমাণ প্রতিক্রিয়ামূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। সম্ভাব্য এই তালিকায় রয়েছে ইস্পাত, দুগ্ধপণ্য, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, কৃষিযন্ত্র, ইলেকট্রনিকস, পাল্প ও কাগজশিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত। যদিও সংশ্লিষ্ট তালিকাটি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

    জনমত জরিপগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার জন্য যদি কানাডা বড় ধরনের ছাড় দেয়, তাহলে দেশের অধিকাংশ নাগরিক তাতে সন্তুষ্ট হবেন না। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবেও কার্নি সরকারের ওপর কঠোর অবস্থান বজায় রাখার চাপ রয়েছে।

    একই ধরনের অবস্থান নিয়েছেন অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড, যিনি কানাডায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম সোচ্চার সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শুল্কের হুমকি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বারবার বলেছেন, প্রয়োজনে কানাডাকেও কঠোর অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে।

    জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ

    কানাডার সবচেয়ে বড় চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রগুলোর একটি হলো জ্বালানি। শনিবার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুতের একটি বড় অংশ কানাডা সরবরাহ করে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশও আসে কানাডা থেকে।

    এ প্রসঙ্গে কার্নি বলেন, “আমার মনে হয় না, তারা চায় আমরা এসব জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিই।”

    বর্তমান পাল্টা ব্যবস্থার মধ্যে জ্বালানি খাতকে লক্ষ্য করে কোনো পদক্ষেপ রাখা হয়নি। তবে কানাডার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই বিকল্প পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। যদিও সব প্রাদেশিক প্রিমিয়ার এ ধরনের পদক্ষেপের পক্ষে একমত নন।

    অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড এ বিষয়ে সবচেয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। কানাডার গাড়ি নির্মাণ শিল্পের বড় একটি অংশ অন্টারিওতে অবস্থিত হওয়ায় তিনি মনে করেন, বাণিজ্য বিরোধ আরও গভীরে গেলে জ্বালানিকেও চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তিনি বলেন, “জ্বালানির অতিরিক্ত মাশুলের বিষয়টি বিবেচনার টেবিলে রয়েছে।”

    এর আগেও ২০২৫ সালে তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত সব বিদ্যুতের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে মিশিগান, মিনেসোটা ও নিউইয়র্কের প্রায় ১৫ লাখ বাড়ি এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি প্রভাবিত হতো।

    জ্বালানির পাশাপাশি সার উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশও কানাডার বড় শক্তি। বিশ্বের শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে এই খাতে কানাডার অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কৃষিনির্ভর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পটাশ সরবরাহও একটি কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

    সোমবার ফোর্ড বলেন, “আমি দেখতে চাই ট্রাম্প তেল ছাড়া কীভাবে গাড়ি চালান। আমি দেখতে চাই পটাশ ছাড়া কীভাবে তিনি ফল ও সবজি উৎপাদন করেন।”

    লিথিয়াম, নিকেল ও গ্রাফাইটের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজেরও উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে কানাডায়। এসব খনিজ আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যাটারি এবং শিল্প উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কানাডা থেকে রপ্তানি হওয়া খনিজের সবচেয়ে বড় গন্তব্যও যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এই খাতেও অটোয়া চাইলে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এ ক্ষেত্রেও সবচেয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন ডাগ ফোর্ড। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অন্টারিও থেকে যুক্তরাষ্ট্র এক দানা বালুও পাবে না।”

    ক্রয়ক্ষমতার শক্তি

    কানাডা ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে, শুধু শুল্ক নয়, ভোক্তাদের সিদ্ধান্তও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

    গত বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফায় শুল্ক আরোপ করার পর বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার আগেই কানাডার অধিকাংশ প্রদেশ তাদের মদের দোকানের তাক থেকে মার্কিন অ্যালকোহল সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইন ও মদ শিল্পে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে।

    মার্কিন ওয়াইনের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। দেশটির ওয়াইন ইনস্টিটিউট এই পরিস্থিতিকে “কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাজার বিপর্যয়” বলে অভিহিত করে।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় মার্কিন ওয়াইন রপ্তানি বছরে বছরে ৭৮ শতাংশ কমেছে। এর ফলে রপ্তানি মূল্যে প্রায় ৩৫ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছে, যা কানাডীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং ব্রিটিশ মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি ১০ লাখ পাউন্ডের সমপরিমাণ।

    মার্কিন ডিস্টিলারদের সংগঠনও প্রায় একই ধরনের তথ্য দিয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের নিষেধাজ্ঞার কারণে মার্কিন মদজাতীয় পানীয়ের রপ্তানি ৭০ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে।

    কানাডার ১৩টি প্রদেশ ও অঞ্চলের মধ্যে এখনো ১১টিতে এই বয়কট কার্যকর রয়েছে। ফলে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক হতাশার কারণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    যদিও অ্যালকোহল বয়কটের উদ্যোগটি মূলত রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে এসেছে, সাধারণ কানাডীয় নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্তও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার প্রবণতা।

    এপ্রিল মাসে সড়কপথে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডীয়দের ভ্রমণ কিছুটা বাড়লেও জাতীয় তথ্য বলছে, ট্রাম্পের ক্ষমতায় ফেরার আগের সময়ের তুলনায় ২০২৪ সালের একই মাসে প্রায় আট লাখ বেশি কানাডীয় যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। অর্থাৎ চলতি বছরের এপ্রিলে সেই তুলনায় আট লাখ কম কানাডীয় যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন।

    এই ভ্রমণ বয়কটের ফলে গত বছর যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার রাজস্ব হারিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যা মার্কিন মুদ্রায় প্রায় ২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার এবং ব্রিটিশ মুদ্রায় প্রায় ১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন পাউন্ডের সমপরিমাণ।

    কানাডীয় পর্যটকদের আবার যুক্তরাষ্ট্রে আকৃষ্ট করতে দেশটির কয়েকটি শহর ও অঙ্গরাজ্য বিশেষ বিজ্ঞাপন এবং আকর্ষণীয় প্রচারণা শুরু করেছে। তবে ভ্রমণ কমে যাওয়ার প্রবণতা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপও বড় অস্ত্র

    অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পাশাপাশি সময় এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছাও কানাডার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। কারণ এই বাণিজ্য বিরোধে কানাডারও যে ক্ষতি হচ্ছে, তা দেশটির জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব উভয়েই স্বীকার করছেন।

    আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, কানাডীয় আমদানির প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপর সাম্প্রতিক ৫০ শতাংশ শুল্ক স্বল্পমেয়াদে কানাডার জিডিপি প্রায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

    তারপরও ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্তকে কানাডার অধিকাংশ মানুষ সমর্থন করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এ প্রশ্নে উল্লেখযোগ্য ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেখিয়েছেন।

    অ্যাঙ্গাস রিডের সপ্তাহান্তের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৭৬ শতাংশ কানাডীয় বাণিজ্য আলোচনা থেকে সরে আসার অটোয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন। যদিও একই সঙ্গে তারা নিজেদের চাকরির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনও দ্রুত এগিয়ে আসছে। মার্কিন ভোটারদের কাছে অর্থনীতি এখন অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু। একই সঙ্গে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণও খুব শক্ত অবস্থানে নেই বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সিনেট নির্বাচনী লড়াই অনুষ্ঠিত হবে মিশিগান ও মেইনে। উভয় অঙ্গরাজ্যই কানাডার সীমান্তবর্তী এবং তাদের রপ্তানির বড় অংশের প্রধান গন্তব্য কানাডা। ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিরোধের অর্থনৈতিক প্রভাব এসব নির্বাচনী রাজ্যেও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।

    ইয়েল বাজেট ল্যাবের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমান আইন বহাল থাকলে ট্রাম্পের আরোপ করা বৈশ্বিক শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবারকে বছরে গড়ে প্রায় ১ হাজার ১০০ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে।

    পণ্যের দাম আরও বাড়লে এবং বাণিজ্য বিরোধের বিস্তৃত প্রভাব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর পড়লে মার্কিন জনগণের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে অসন্তোষ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    সোমবার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, পহেলা জানুয়ারির পর কানাডা থেকে আমদানি হওয়া গাড়ি ও যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশে উন্নীত করার যে সর্বশেষ হুমকি ট্রাম্প দিয়েছেন, তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিকরাই।

    তিনি বলেন, “মিশিগান, ওহাইও, কেন্টাকি, আলাবামার শ্রমিকদের কাছে কী বার্তা যাচ্ছে? এই শ্রমিকরা কানাডার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল, কারণ কানাডাই তাদের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।”

    কার্নি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য দেশের তুলনায় কানাডা বেশি আমেরিকান গাড়ি কিনে থাকে।

    একই দিনে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রিমিয়ার ডেভিড ইবি বলেন, মার্কিন শুল্কের প্রভাব শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ ভোক্তাদের ওপরই গিয়ে পড়বে।

    তার ভাষায়, “আপনি যদি নতুন বাড়ি বানান, তাহলে প্লাইউডের ওপর এর প্রভাব পড়বে। মেঝে বদলালে ভেনিয়ারের ওপর প্রভাব পড়বে। বিয়ে করলে কাটা ফুলের দামে প্রভাব পড়বে। মাছ ধরতে গেলে মাছ ধরার ছিপের দামেও প্রভাব পড়বে।”

    তিনি আরও বলেন, “এটি আমেরিকানদের জন্য এক অদ্ভুত নীতি। এটি তাদেরই ক্ষতি করবে।”

    ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির অন্যতম কড়া সমালোচক ডাগ ফোর্ডও বলেছেন, পাল্টা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত অঙ্গরাজ্যগুলোকে লক্ষ্য করার সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

    তার ভাষায়, এর উদ্দেশ্য হবে “নিশ্চিত করা যে আমেরিকার অর্থনীতি যাতে এর যন্ত্রণা অনুভব করে।” আসন্ন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অন্টারিওর এই প্রিমিয়ার। তিনি বলেন, “আমাকে যদি অনুমতি দেওয়া হতো, আমি সেখানে গিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইতাম।”

    সূত্র: বিবিসি বাংলা অবলম্বনে

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    রাশিয়া কি যুদ্ধ জিততে চায়, নাকি যুদ্ধ চলাটাই এখন তার স্বার্থ?

    আগস্ট 26, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বঙ্গোপসাগরে জাহাজডুবি: বাংলাদেশিসহ ২২ নাবিকের খোঁজ মেলেনি

    আগস্ট 26, 2026
    ভূ-রাজনীতি

    বাংলাদেশ ‘মক্কা চুক্তি’তে যোগ দিলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জটিল হতে পারে

    আগস্ট 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.