Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, এপ্রিল 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানের বিরুদ্ধে বৃহত্তর লড়াইয়ে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে হেরে যাচ্ছে
    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে বৃহত্তর লড়াইয়ে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে হেরে যাচ্ছে

    এফ. আর. ইমরানএপ্রিল 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তেল আবিবে বিক্ষোভকারীরা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের নিন্দা জানান। ছবি: এএফপি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ায়, জয়-পরাজয়ের প্রশ্নটি প্রচলিত ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।

    ইরানের রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বিজয় দাবি করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, যারা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে ছিল কিন্তু কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান চালায়নি, তারাও বিজয় দাবি করেছে।

    তাহলে এই যুদ্ধে আসলে কে জিতছে? এই প্রশ্নটি যতটা সহজ মনে হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল।

    সমসাময়িক যুদ্ধগুলো বিশ্লেষক ও ঐতিহাসিকদের সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, যখন তাঁরা কোনো পক্ষের জয় বা পরাজয় নির্ধারণ করতে চান। ঐতিহাসিক যুদ্ধের মতো নয়—যেখানে রণক্ষেত্রের সুস্পষ্ট বিজয়কে রাজনৈতিক বিজয়ে রূপান্তরিত করা যায়—সমসাময়িক যুদ্ধগুলোর ফলাফল প্রায়শই অস্পষ্ট থাকে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থায়, যা “মানবাধিকার” এবং “আন্তর্জাতিক আইন” সম্পর্কিত একটি উদার গণতান্ত্রিক ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত, জয়-পরাজয়ের মানদণ্ড পরিবর্তিত হয়ে যায়। এই জটিলতার ফলেই “হৃদয় ও মন জয়” করার ধারণাটির উদ্ভব ঘটে, যা প্রথমে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এবং আরও স্পষ্টভাবে ৯/১১-পরবর্তী ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে দেখা যায়।

    জয়-পরাজয়ের ধারণা এখন প্রচারণা, ব্যক্তিনিষ্ঠতা এবং অপ্রতিসম যুদ্ধের ধারণা দ্বারা প্রভাবিত। ফলাফলের অস্পষ্টতা প্রতিটি পক্ষকেই বিজয় দাবি করার সুযোগ দেয়; গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটি শাসক দলকে ভোটারদের কাছে আরও কার্যকরভাবে আবেদন জানাতে সক্ষম করে। স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে বিজয় দাবি করা শাসনব্যবস্থাকে জনগণের সমর্থন ও বৈধতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

    অসম যুদ্ধের ধারণাটি দুর্বল পক্ষকে, সে রাষ্ট্র হোক বা কোনো অরাষ্ট্রীয় সংগঠন, পতন এড়াতে এবং তার প্রতিরোধের আদর্শ অক্ষুণ্ণ রাখতে পারলে বিজয় দাবি করার সুযোগ দেয়। দুর্বল পক্ষ সাধারণত সবল পক্ষের চেয়ে বেশি কষ্ট সহ্য করতে ইচ্ছুক থাকে, কারণ তারা যুদ্ধকে একটি অস্তিত্বের সংকট হিসেবে দেখে।

    জয় থেকে পরাজয়

    সমসাময়িক যুদ্ধগুলোতে সামরিক বিজয় সবসময় রাজনৈতিক বিজয়ে রূপান্তরিত হয় না। ভিয়েতনাম যুদ্ধ এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, কারণ টেট আক্রমণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার দক্ষিণ ভিয়েতনামী মিত্রদের বিজয় শেষ পর্যন্ত একটি রাজনৈতিক পরাজয়ে পরিণত হয়েছিল, যা ভিয়েত কং-কে সদস্য সংগ্রহে সহায়তা করে এবং আমেরিকান যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনকে উস্কে দেয়।

    যখন সংঘাত চলমান থাকে, তখন সামরিক বা রাজনৈতিক বিজয়ের মূল্যায়ন করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসন এবং সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করাকে দ্রুত সামরিক ও রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে আখ্যা দেওয়া হলেও- তা শীঘ্রই একটি পরাজয়ে পরিণত হয় এবং সাদ্দাম-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ইরানকে সর্বোচ্চ সুবিধা লাভের সুযোগ করে দেয়।

    জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি বেআইনি যুদ্ধ শুরু করার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ‘হৃদয় ও মন’ জয়ের লড়াইয়ে হেরে যেতে পারে।

    ২০০১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের পতন ঘটিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আপাত “বিজয়” হলো একটি অস্থায়ী বিজয়ের আরও স্পষ্ট উদাহরণ, যা দুই দশকের মধ্যে সম্পূর্ণ পরাজয়ে পরিণত হয়েছিল।

    যেহেতু এটি একটি অপ্রতিসম ও চলমান সংঘাত, তাই ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জয়-পরাজয় নির্ণয় করা বিশেষভাবে কঠিন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কৌশলগতভাবে জয়লাভ করেছে, তারা কয়েক ডজন ইরানি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাকে গুপ্তহত্যা করেছে এবং দেশটির অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে।

    কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির আগ পর্যন্ত ইরান ইসরায়েল এবং মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছিল।

    সমসাময়িক যুদ্ধে এই পরিভাষার ব্যক্তিনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে উভয় পক্ষই বিজয় দাবি করেছে। আমেরিকান ও ইসরায়েলিরা ইরানের প্রতিষ্ঠান, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর চালানো ব্যাপক ক্ষতির কথা তুলে ধরেছে। কিন্তু ইরান এই সত্যের দিকে ইঙ্গিত করেছে যে তার রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং একই সাথে তারা হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও গভীর করেছে।

    প্রকৃতপক্ষে, উভয় পক্ষেরই নিজ নিজ জনগণের কাছে বিজয়কে ‘বিক্রি’ করার মতো ভিত্তি ও কারণ রয়েছে, কারণ প্রত্যেকেই কিছু কৌশলগত বিজয় অর্জন করেছে, বিশেষ করে মার্কিন-ইসরায়েলি পক্ষে।

    ব্যর্থ উদ্দেশ্য

    তবে, রাজনৈতিক বিজয় কে অর্জন করেছে তা মূল্যায়ন করলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষে যায় না। এই যুদ্ধের রাজনৈতিক লক্ষ্যগুলো—ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ চাপিয়ে দেওয়া, গণঅভ্যুত্থানে ইন্ধন জোগানো, সশস্ত্র কুর্দি বাহিনীকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করা এবং ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা—সবই ব্যর্থ হয়েছে।

    সামরিক সক্ষমতার বিশাল ব্যবধানের কারণে কৌশলগত বিজয় অর্জিত হলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে এই যুদ্ধ শুরু করতে প্ররোচিত করা কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি। বরং ইরান সফলভাবে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালীতে অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করার দিকে সরিয়ে নেয়।

    প্রণালীটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা ব্যবহার করে—যে কৌশলটি বড় ধরনের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে—ইরান নিজেকে একটি শক্তিশালী দর কষাকষির অবস্থানে দেখতে পায়। দেশটি ১০-দফা পরিকল্পনা নিয়ে পাকিস্তানে আলোচনার জন্য অগ্রসর হয়, যা প্রণালীটির ওপর তার প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিত, তার পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিত এবং যুদ্ধবিরতি লেবানন পর্যন্ত প্রসারিত করত।

    ট্রাম্প প্রশাসন প্রাথমিকভাবে পরিকল্পনাটির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও পরে তা থেকে সরে আসে, যার ফলে ইসলামাবাদে আলোচনা ভেস্তে যায়।

    এরই মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে; এমনকি ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও এই যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ মনে করে এতে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী উদার গণতন্ত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এভাবে “হৃদয় ও মন জয়ের” যুদ্ধে হেরে যেতে পারে, কারণ তারা এমন একটি যুদ্ধ শুরু করেছে যা জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের মতে বেআইনি; একটি বালিকা বিদ্যালয়সহ বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে বহু শিশুকে হত্যা করেছে; একটি সার্বভৌম দেশের বৈধ নেতাকে গুপ্তহত্যা করেছে; এবং একটি গোটা সভ্যতাকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিয়েছে।

    অন্যদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে তেল স্থাপনা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে ইরান রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়েছে। এর ফলে ইরান ও তার আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যারা এই ঘটনাগুলোকে তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে। এর পরিণতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন-ইসরায়েল অক্ষশক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে পারে, যা ভবিষ্যতে ইরানের জন্য সম্পর্ক মেরামত করা আরও কঠিন করে তুলবে।

    সামগ্রিকভাবে, এই যুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত পক্ষকে নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করার সময় এখনও আসেনি। কিন্তু সমসাময়িক যুদ্ধের বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করলে এ কথা বলা যুক্তিসঙ্গত যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একটি কৌশলগত সামরিক বিজয় অর্জন করলেও বৃহত্তর রাজনৈতিক লড়াইয়ে হেরে যাচ্ছে।

    • ফেরাস আবু হেলাল: আরবি ২১ সংবাদ ওয়েবসাইটের প্রধান সম্পাদক। সূত্র: ‘মিডল ইস্ট আই’-এর ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইসলামাবাদে হতে পারে বড় কূটনৈতিক চমক

    এপ্রিল 17, 2026
    আন্তর্জাতিক

    সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান—দাবি ট্রাম্পের

    এপ্রিল 17, 2026
    আন্তর্জাতিক

    সিরিয়া থেকে পুরোপুরি সামরিক উপস্থিতি গুটিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র

    এপ্রিল 17, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.