জুলাই মাসে ভারত ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম দুটি নতুন ইন্টারসেপ্টরের পরীক্ষা চালিয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম স্তরযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির দিকে সর্বশেষ পদক্ষেপ। নয়াদিল্লি এই কর্মসূচিকে প্রতিরক্ষামূলক বলে অভিহিত করে।
কিন্তু কোনো প্রতিবেশী প্রতিদ্বন্দ্বী খুব কমই একটি প্রতিরক্ষা ঢালকে সেভাবে দেখে। ভারতের সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংকটের সময় তার নেতাদের আরও সাহসী করে তুলতে পারে, পাকিস্তান ও চীনকে এমন অস্ত্র তৈরিতে ঠেলে দিতে পারে যা এই ঢালকে অকার্যকর করে দেবে এবং দক্ষিণ এশিয়াকে আগের চেয়ে কম স্থিতিশীল করে তুলবে।
ভারতের দুটি পরিচিত ব্যবস্থা রয়েছে। পৃথ্বী বিমান প্রতিরক্ষা (পিএডি) হলো একটি বহিঃ-বায়ুমণ্ডলীয় ইন্টারসেপ্টর, যা ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে শনাক্ত করে ধ্বংস করে। অ্যাডভান্সড বিমান প্রতিরক্ষা (এএডি) হলো একটি অন্তঃ-বায়ুমণ্ডলীয় ইন্টারসেপ্টর, যা ৩০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করে।
ভারত পৃথ্বী প্রতিরক্ষা যান (পিডিভি)-ও তৈরি করেছে, যা পিএডি-কে প্রতিস্থাপন করবে এবং আরও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করবে। এই কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্বের অংশ হিসেবে জুলাই মাসের পরীক্ষাগুলোতে এডি-১ এবং এডি-২ নামের দুটি নতুন প্রজন্মের ইন্টারসেপ্টর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নয়াদিল্লি বলছে, এই ব্যবস্থাগুলো প্রধান শহর, নেতৃত্ব এবং কৌশলগত সম্পদকে নেতৃত্বশূন্যকরণ ও পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে তারা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্য করে আরও দ্রুতগামী ও বৃহত্তর ইন্টারসেপ্টর মোতায়েন করার পরিকল্পনা করছে।
জুলাই মাসে ভারত ৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম দুটি নতুন ইন্টারসেপ্টরের পরীক্ষা চালিয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম স্তরযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির দিকে সর্বশেষ পদক্ষেপ। নয়াদিল্লি এই কর্মসূচিকে প্রতিরক্ষামূলক বলে অভিহিত করে।
কিন্তু কোনো প্রতিবেশী প্রতিদ্বন্দ্বী খুব কমই একটি প্রতিরক্ষা ঢালকে সেভাবে দেখে। ভারতের সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংকটের সময় তার নেতাদের আরও সাহসী করে তুলতে পারে, পাকিস্তান ও চীনকে এমন অস্ত্র তৈরিতে ঠেলে দিতে পারে, যা এই ঢালকে অকার্যকর করে দেবে এবং দক্ষিণ এশিয়াকে আগের চেয়ে কম স্থিতিশীল করে তুলবে।
ভারতের দুটি পরিচিত ব্যবস্থা রয়েছে। পৃথ্বী বিমান প্রতিরক্ষা (পিএডি) হলো একটি বহিঃ-বায়ুমণ্ডলীয় ইন্টারসেপ্টর, যা ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রকে শনাক্ত করে ধ্বংস করে। অ্যাডভান্সড বিমান প্রতিরক্ষা (এএডি) হলো একটি অন্তঃ-বায়ুমণ্ডলীয় ইন্টারসেপ্টর, যা ৩০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করে।
ভারত পৃথ্বী প্রতিরক্ষা যান (পিডিভি)-ও তৈরি করেছে, যা পিএডি-কে প্রতিস্থাপন করবে এবং আরও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করবে। এই কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্বের অংশ হিসেবে জুলাই মাসের পরীক্ষাগুলোতে এডি-১ এবং এডি-২ নামের দুটি নতুন প্রজন্মের ইন্টারসেপ্টর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নয়াদিল্লি বলছে, এই ব্যবস্থাগুলো প্রধান শহর, নেতৃত্ব এবং কৌশলগত সম্পদকে নেতৃত্বশূন্যকরণ ও পূর্বপ্রস্তুতিমূলক হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে তারা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্য করে আরও দ্রুতগামী ও বৃহত্তর ইন্টারসেপ্টর মোতায়েন করার পরিকল্পনা করছে।
ভারত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র থামাতে পারবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। একইভাবে, এটি একাধিক স্বাধীনভাবে লক্ষ্যভেদী পুনঃপ্রবেশ যান (MIRV) মোকাবিলা করতে পারবে কি না, সেটাও স্পষ্ট নয়। এই যানগুলোতে থাকা একাধিক ওয়ারহেড দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করে।
এছাড়া, দেশজুড়ে উচ্চ গতিতে ধেয়ে আসা অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝাঁককে ভারত কীভাবে প্রতিহত করবে, সেটাও স্পষ্ট নয়। কারণ সম্ভবত এর থেকে পুরোপুরি সুরক্ষা দেওয়া ভারতের পক্ষে সম্ভব নয়।
এতে কঠিন প্রশ্ন ওঠে। ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কি ভারতকে ‘ঢাল ও তলোয়ার’ দিচ্ছে, নাকি এক ভ্রান্ত নিরাপত্তার অনুভূতি দিচ্ছে? দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য এর অর্থ কী, বিশেষ করে ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংকটের পর? এবং ভারত কীভাবে এই আক্রমণ-প্রতিরক্ষার দ্বন্দ্ব সামলাতে পারে?
অন্যান্য অনেক দেশের মতো ভারতও স্বল্প, মাঝারি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, এমনকি আইসিবিএম পর্যন্ত শনাক্ত, লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত ও ধ্বংস করার জন্য তার ইন্টারসেপ্টরগুলোর আধুনিকীকরণে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করছে। পরবর্তী পর্যায়গুলোতে স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশ থেকে আসা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র থামানোর উপযোগী ইন্টারসেপ্টর যুক্ত করা হবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার জন্য একটি গ্লাইড ফেজ ইন্টারসেপ্টর তৈরি করছে এবং অন্যরাও সম্ভবত এই পথ অনুসরণ করবে। ভারত-মার্কিন অংশীদারিত্ব গভীরতর হলে তা ভারতকে অনুরূপ সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু এটি দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত স্থিতিশীলতাকেও জটিল করে তুলবে।
আক্রমণ-প্রতিরক্ষা প্যারাডক্স অনুযায়ী, একটি পরিশীলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তার মালিকের কাছে প্রতিরক্ষামূলক এবং প্রতিপক্ষের কাছে আক্রমণাত্মক বলে মনে হতে পারে। যে রাষ্ট্র নিজেকে সুরক্ষিত মনে করে, সে প্রথম আঘাত হানার মতো যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারে। কেউ কেউ যুক্তি দেন যে, “যেখানে বর্শা আছে, সেখানে ঢালও থাকতে হবে।”
এর দুটি পরিণতি রয়েছে। প্রথমত, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পন্ন কোনো রাষ্ট্র আরও আক্রমণাত্মক ও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি একটি নিরাপত্তাজনিত উভয়সঙ্কট তৈরি করে, যা তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে সেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে অকার্যকর করার মতো পাল্টা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাধ্য করে।
একটি ভালো আক্রমণ সাধারণত একটি ভালো প্রতিরক্ষাকে পরাজিত করে। অত্যাধুনিক প্রতিব্যবস্থা সম্পন্ন কোনো প্রতিপক্ষ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য সেন্সর, ইন্টারসেপ্টর এবং কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল নেটওয়ার্কগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে। এর একটি উপাদান অকার্যকর করে দিলেই পুরো ব্যবস্থাটি পঙ্গু হয়ে যেতে পারে।
প্রতিরক্ষাও প্রায় সবসময়ই আক্রমণের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল। ১৯৫৭ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় অন্তত ৪০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। একটি প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি স্থাপন করতে ১.১ বিলিয়ন ডলার খরচ হয় এবং এটি রাশিয়া ও ইরানের চালিত শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলোর প্রতিটির দাম ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ ডলার।
ভারতের ব্যয়ের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন। কিছু সূত্র অনুযায়ী, প্রতি ইউনিটের জন্য এই ব্যয় ১.২ মিলিয়ন থেকে ২.৫ মিলিয়ন ডলার এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য প্রায় ৩.২ বিলিয়ন ডলার, যে বিভাগে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। অন্যান্য হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে গণনায় ধরলে এই ব্যয় ৪.৫ বিলিয়ন থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
সমালোচকদের যুক্তি হলো, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক ধরনের ভ্রান্ত নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। কারণ ভারতের ব্যবস্থা সহ কোনো ব্যবস্থাই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের অবিরাম বর্ষণের বিরুদ্ধে সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
অনুমান অনুযায়ী, বেশিরভাগ ব্যবস্থা ৭৫% থেকে ৮০% ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে এবং এই হিসাবও আশাবাদী হতে পারে। প্রচলিত বা পারমাণবিক, যে ধরনের ওয়ারহেডই হোক না কেন, ২০% থেকে ২৫% ব্যর্থতাও আক্রান্ত রাষ্ট্রের কাছে অগ্রহণযোগ্য হবে।
বাস্তবে, এই ভ্রান্ত আত্মবিশ্বাসের অর্থ হলো, কার্যকর প্রতিব্যবস্থা নিয়ে সজ্জিত পাকিস্তান ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দিতে পারে। তারা এমআইআরভি, ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহার করতে পারে, যেখানে গতি এবং নির্ভুলতাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন যে, ভারতের ক্রমাগত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিরাপত্তা সংকট, অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও সংকটকালীন অস্থিতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। একই সঙ্গে এটি চীন ও পাকিস্তান উভয়কেই শঙ্কিত করছে। কোনো গুরুতর সংকটে এই ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করতে উভয় দেশই আক্রমণাত্মক সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে।
এমন কোনো প্রমাণ নেই যে পাকিস্তান ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে, যদিও দেশটি তার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করছে। অন্যদিকে, চীন ইতোমধ্যেই মার্কিন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা তৈরি করেছে। সেগুলোর কয়েকটি ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারে এবং এইচকিউ-২৯-এর মতো নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও তৈরি করছে।
ভবিষ্যতের ব্যবস্থাগুলো মহাকাশে পৌঁছাবে। ভারত ও অন্যান্য দেশগুলো সম্ভবত কক্ষপথে প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র স্থাপন করবে, বিশেষ করে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার জন্য। এর ফলে ১৯৬৭ সালের মহাকাশ চুক্তিটি ক্ষুণ্ণ হতে পারে, যে চুক্তিতে মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে এবং কক্ষপথে গণবিধ্বংসী অস্ত্র নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
অনেক দেশের কাছেই ইতোমধ্যে উপগ্রহ-বিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে, যা মহাকাশ-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে। বর্তমানে কোনো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টাতেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয়, ভারতের প্রচেষ্টাও এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এই ধরনের আলোচনায় প্রধান শক্তিগুলোর আগ্রহ থাকতে পারে এবং ভারতকেও এতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
কিন্তু বাধাগুলো বেশ কঠিন। ইউক্রেন যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত এবং প্রধান শক্তিগুলোর মধ্যে অস্ত্রাগার আধুনিকীকরণের প্রতিযোগিতার কারণে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিগুলো আরও জটিল হয়ে উঠেছে, পরিত্যক্ত হয়েছে বা স্থগিত করা হয়েছে।
সুতরাং, অদূর ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে এমন কোনো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় সম্মত হওয়ার সম্ভাবনা কম। এর মধ্যে পাকিস্তানের প্রস্তাবিত এবং ভারতের প্রত্যাখ্যাত কৌশলগত সংযম ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত।
- ড. জাফর খান: কোয়েটার বেলুচিস্তান ইউনিভার্সিটি অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস (BUITEMS)-এর বেলুচিস্তান থিঙ্ক ট্যাঙ্ক নেটওয়ার্ক (BTTN)-এর নির্বাহী পরিচালক। সূত্র: এশিয়া টাইমস

