দেশের শেয়ারবাজারে দুই প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার ভিন্নধর্মী চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণে সূচক ও লেনদেন উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমেছে এবং লেনদেনও হ্রাস পেয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দিনের শুরু থেকেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়তে থাকে। দিন শেষে বাজারে দর বাড়ার তালিকা তুলনামূলকভাবে বড় থাকে, ফলে প্রধান সূচকসহ সব সূচকেই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। একই সঙ্গে বাজারটিতে লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে, যা বিনিয়োগ কার্যক্রমে গতি ফেরার ইঙ্গিত দেয়।
লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, কয়েকশ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে। দর বাড়া ও কমার মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বাড়তির দিকই বাজারকে প্রভাবিত করে। ফলে প্রধান সূচকসহ অন্যান্য সূচক সামান্য হলেও অগ্রগতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সেখানে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারদর বাড়লেও সামগ্রিকভাবে সূচক নিম্নমুখী থাকে। বাজারটির লেনদেনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, যা বিনিয়োগকারীদের তুলনামূলক সতর্ক অবস্থানকে নির্দেশ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, দুই বাজারের এই ভিন্ন প্রবণতা মূলত বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও লেনদেনের গতি ভিন্ন হওয়ার ফল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে অংশগ্রহণ বেশি থাকায় সেখানে সূচকে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে অংশগ্রহণ ও লেনদেন কম থাকায় সূচক দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। সব মিলিয়ে, একদিকে ঢাকা বাজারে আংশিক স্বস্তির চিত্র থাকলেও অন্যদিকে চট্টগ্রাম বাজারে চাপ অব্যাহত রয়েছে, যা সামগ্রিক পুঁজিবাজারের মিশ্র পরিস্থিতিকে তুলে ধরছে।

