এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি (ইপিজিএল) তার তেজগাঁও এলাকার ১৬ দশমিক ৫০ ডেসিমেল (১০ কাঠা) জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জমি বিক্রি করা হবে এনার্জিপ্যাক ফ্যাশন লিমিটেডের অনুকূলে। কোম্পানিটি এই সিদ্ধান্ত নিতে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভা আয়োজন করবে। তথ্যটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এনার্জিপ্যাক পাওয়ার শেয়ারপ্রতি ৩ টাকা ৮ পয়সা লোকসান করেছে। আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৮৬ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)। কোম্পানিটি জানিয়েছে, আর্থিক খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সুদহার বৃদ্ধির কারণে প্রথম প্রান্তিকে লোকসান বৃদ্ধি পেয়েছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানির পর্ষদ শুধুমাত্র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য বছরের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ৫ টাকা ১৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৮৬ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয়নি। আলোচ্য বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ১৮ পয়সা। আগের বছরের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৭৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৫৫ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল। আলোচ্য বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা। আগের বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ১৮ পয়সায়।

