কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সফটওয়্যার, ডেটা, গবেষণা ও অন্যান্য অদৃশ্য সম্পদে বিনিয়োগ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। জাতিসংঘের পেটেন্ট ও উদ্ভাবনবিষয়ক সংস্থা (ডাব্লিউআইপিও) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে এ ধরনের বিনিয়োগ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে।
ডাব্লিউআইপিওর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণা ও উন্নয়ন, সফটওয়্যার, ডেটা, ব্র্যান্ড, নকশা (ডিজাইন) এবং সাংগঠনিক দক্ষতার মতো অদৃশ্য সম্পদ এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে এআইভিত্তিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এই বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৫৭ শতাংশ প্রতিনিধিত্বকারী ২৯টি অর্থনীতির ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালে অদৃশ্য সম্পদে মোট বিনিয়োগ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ডাব্লিউআইপিওর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি এ খাতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিনিয়োগের রেকর্ড।
১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ডাব্লিউআইপিও দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বজুড়ে উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় কাজ করে আসছে। সংস্থাটির মূল্যায়ন, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে অদৃশ্য সম্পদের গুরুত্ব আরও বাড়ছে এবং ভবিষ্যতেও এই খাতে বিনিয়োগের ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

