Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুন 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নিখোঁজ নয়, পরিকল্পিত হত্যা—রাত হলেই শুরু হতো মৃত্যুর মিশন
    অপরাধ

    নিখোঁজ নয়, পরিকল্পিত হত্যা—রাত হলেই শুরু হতো মৃত্যুর মিশন

    মনিরুজ্জামানUpdated:জুন 22, 2026জুন 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন–এর সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ অভিযোগ তুলে ধরেছেন তাঁর একসময়ের দেহরক্ষী ও সেনা কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস। তিনি দাবি করেছেন, দায়িত্ব পালনের সময় তিনি অন্তত ১৫০ থেকে ২০০ জনকে বিভিন্নভাবে হত্যার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন।

    গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় তিনি ছিলেন প্রসিকিউশনের পঞ্চম সাক্ষী।

    জবানবন্দি দেওয়ার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।

    ইমরুল কায়েস তাঁর জবানবন্দিতে জানান, তিনি ২০০১ সালের ৫ এপ্রিল সেনাবাহিনীর আর্মার্ড কোরে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১০ সালের ১০ আগস্ট তাকে র‌্যাব সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়। শুরুতে তিনি প্রশাসনিক শাখায় কাজ করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে গোয়েন্দা শাখায় নেওয়া হয়। পরে তাকে জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী বা ‘রানার’ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ওই দায়িত্বে ছিলেন বলে জানান।

    জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ইমরুল কায়েস ও জিয়াউল আহসানের মধ্যে পূর্বপরিচয় ছিল। ২০০৪ সালে কমান্ডো কোর্স এবং পরে প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়নে কর্মরত থাকার সময় তিনি জিয়াউল আহসানের অধীনে কাজ করেন। পরে র‌্যাবে পুনরায় দেখা হলে জিয়াউল আহসান তার নাম ও যোগাযোগ নম্বর নেন এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে গোয়েন্দা শাখায় পদায়ন করা হয়।

    ‘বস্তা’ নয়—ভেতরে ছিল নিথর দেহ:

    র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে এক ভয়াবহ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, রানার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি একটি মৃতদেহ সরানোর ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।

    ইমরুল কায়েস বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন পর এক রাতে জিয়াউল আহসান তাঁকে র‌্যাব-১ কার্যালয়ের সামনে যেতে বলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি দুটি কালো মাইক্রোবাস দেখতে পান।

    একটি মাইক্রোবাসে ওঠার পর তিনি দেখতে পান, সেখানে জিয়াউল আহসান, র‌্যাব-১-এর তৎকালীন সিও রাশেদ এবং ক্যাপ্টেন কাউসারসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান তাঁকে জানান, গাড়ির পেছনে একটি ‘বস্তা’ আছে, সেটি ফেলে দিতে হবে।

    ইমরুল কায়েস ট্রাইব্যুনালে বলেন, পরে গাড়িটি রাতের বেলা টঙ্গীর দিকে একটি রেললাইনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মাইক্রোবাসের পেছনের অংশ খোলা হলে তিনি ওই ‘বস্তা’ নামাতে গিয়ে বুঝতে পারেন, সেটি আসলে একটি ঠান্ডা মৃতদেহ।

    এরপর অন্যদের সহায়তায় তিনি লাশটি রেললাইনের পাশে রাখেন বলে জানান। পরে জিয়াউল আহসানসহ উপস্থিতরা লাশটি রেললাইনের ওপর তুলে দেন। কিছুক্ষণ পর একটি ট্রেন ওই স্থান অতিক্রম করার পর তারা সেখান থেকে চলে যান বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি। ইমরুল কায়েস আরও বলেন, ঘটনার পর কয়েক দিন তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    রেবেল হান্ট’-এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক বক্তব্য:

    র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাধিক হত্যাকাণ্ড ও গুমের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, বিডিআর বিদ্রোহের পর পরিচালিত ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’ চলাকালে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করা হয়।

    ইমরুল কায়েসের জবানবন্দি অনুযায়ী, এসব হত্যাকাণ্ডের পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের ছিল। তিনি বলেন, কাউকে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা করা হতো, আবার কাউকে পোস্তগোলা ব্রিজ সংলগ্ন সেনা ক্যাম্প থেকে নৌকায় করে নদীতে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে সিমেন্টভর্তি বস্তার সঙ্গে বেঁধে মাথায় গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, উত্তরা, পোস্তগোলা ও কাঁচপুরসহ একাধিক স্থানে একই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    ২০১১ সালের রমজানের শেষ দিকে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ইমরুল কায়েস জানান, জিয়াউল আহসান তাঁকে ক্যামেরা নিয়ে উত্তরা নর্থ টাওয়ার এলাকায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি চারজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখতে পান। পরে তাকে জানানো হয়, ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে ‘ক্রসফায়ারে’ তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে জবানবন্দিতে ইমরুল দাবি করেন, ওই ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও সাজানো।

    ২০১২ সালের শুরুতে আরেকটি ঘটনায় ১১ জন আসামিকে তিনটি মাইক্রোবাসে করে পোস্তগোলা আর্মি ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় নেওয়া হয় বলে তিনি জানান। পরে সেখান থেকে নৌকায় করে নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে আগের মতোই তাদের হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তার দাবি।

    ইমরুল কায়েসের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় জিয়াউল আহসান ছাড়াও মেজর নওশাদ, স্কোয়াড্রন লিডার সাইফ, কমান্ডার সোহায়েল ও এডিজি (অপারেশন) মুজিব উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ২০১২ সালের মাঝামাঝি জাফলং সীমান্তে দুই আসামিকে ভারতীয় পক্ষ থেকে বুঝে নেওয়ার পর ফেরার পথে আলাদা স্থানে গাড়ি থামিয়ে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়।

    এছাড়া র‌্যাব-৪-এর একটি সেফ হাউস থেকে নেওয়া দুই আসামির একজনকে নির্জন স্থানে নিয়ে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয় বলেও তিনি জানান। একইভাবে কাঁচপুর ব্রিজ এলাকায় দুই ‘টার্গেট’কে গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন ইমরুল কায়েস।

    ইলিয়াসকে গলফ করলাম’ : আদালতে ইমরুলের বিস্ফোরক জবানবন্দি

    র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি একাধিক তথ্য জানতে পারেন এবং ওই সময় র‌্যাব সদর দপ্তরের ভেতরে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।

    ইমরুল কায়েসের জবানবন্দি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল তিনি মহাখালী ফ্লাইওভারের কাছে একটি অপারেশনের প্রস্তুতির সময় জিয়াউল আহসানের সঙ্গে ছিলেন। তবে সেদিন নির্ধারিত ‘টার্গেট’ না আসায় অভিযানটি সম্পন্ন হয়নি বলে তিনি জানান।

    এর পরদিন তিনি ৯ দিনের ছুটিতে যান। ছুটিতে থাকা অবস্থায় গণমাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ২৩ এপ্রিল কর্মস্থলে ফিরে র‌্যাব সদর দপ্তরে একটি ‘থমথমে’ পরিবেশ দেখতে পান। ইমরুল কায়েসের দাবি অনুযায়ী, ওই সময় তিনি জানতে পারেন অস্ত্রাগারের ইন-আউট রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

    জবানবন্দিতে তিনি আরও বলেন, একই সময়ে একদিন তিনি জিয়াউল আহসানকে ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলতে শোনেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ফোনালাপে জিয়াউল আহসান বলেন, “স্যার, আপনাদের কথামতো ইলিয়াসকে গলফ করলাম, এখন আপনারা এমন করলে হবে? এর চেয়ে আমি কমান্ডো মানুষ, আমাকে জঙ্গলে পোস্টিং দিয়ে পাঠাই দেন।”

    ইমরুল কায়েসের দাবি, ওই সময় জিয়াউল আহসান ফোনে যাকে ‘তারেক স্যার’ বলে সম্বোধন করছিলেন, তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিককে ইঙ্গিত করছিলেন বলে তিনি মনে করেন।

    ১৫০-২০০ জনকে হত্যা করতে দেখেছি:

    দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস আরো বলেন, রানার হিসেবে প্রায় এক বছর তিন থেকে চার মাস দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিক গুম ও হত্যার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই সময়ে তিনি দেখেছেন বিভিন্ন উপায়ে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন–এর টিএফআই সেল থেকে আনা ব্যক্তিদের কখনো গুলি করে, কখনো ইনজেকশন পুশ করে হত্যা করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, পূর্বে বর্ণিত ঘটনার বাইরে অন্তত ১০ থেকে ১২ জনকে ইনজেকশন দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলেও তিনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। ইমরুল কায়েস ট্রাইব্যুনালে দাবি করেন, তিনি জিয়াউল আহসানের অধীনে দায়িত্ব পালনকালে মোট প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জনকে বিভিন্নভাবে হত্যা করতে দেখেছেন।

    তিনি বলেন, দেশের জন্য শপথ নিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেও সেই দায়িত্ব মানুষ হত্যার জন্য ছিল না। তাঁর ভাষায়, তিনি বিবেকের তাড়নায় এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে জবানবন্দি দিয়েছেন। ইমরুল কায়েস আরও বলেন, তিনি ন্যায়বিচার চান এবং কোনো সৈনিক যেন তাঁর মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি না হন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    চাঁদাবাজির অভিযোগে এমপি পুত্রকে মুচলেকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    জুন 22, 2026
    অর্থনীতি

    জমি দিয়ে ফ্ল্যাট নিতে করের ভয়ংকর হিসাব

    জুন 22, 2026
    অর্থনীতি

    ঘাটতি সত্ত্বেও ১১ মাসে রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা

    জুন 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.