Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিদ্যুতের আলোয় বৈষম্যের ছায়া
    অর্থনীতি

    বিদ্যুতের আলোয় বৈষম্যের ছায়া

    মনিরুজ্জামানUpdated:জুন 24, 2026জুন 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়লেও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের দেখা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে লোডশেডিংও। শহরাঞ্চলে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হলেও গ্রামীণ জনপদে দিনের বড় একটি অংশই কাটছে বিদ্যুৎহীন অবস্থায়। অনেক এলাকায় ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

    অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল মানুষ জেনারেটর বা আইপিএসের সুবিধা নিয়ে কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও নিম্ন ও মধ্যআয়ের পরিবারগুলোর জন্য বিদ্যুৎ সংকট হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের দুর্ভোগ। ফলে অনেকের কাছে বিদ্যুৎ এখন আর মৌলিক সেবা নয়, বরং এমন এক সুবিধা যা কেবল সামর্থ্যবানদের নাগালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

    দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শুধু আলোর ঘাটতিই তৈরি হচ্ছে না, থমকে যাচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা কার্যক্রম, শিল্পকারখানা, কৃষি সেচ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য— প্রায় সব খাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেও লোডশেডিং নতুন করে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অনেক দর্শক নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় প্রিয় দলের খেলা টেলিভিশনে উপভোগ করতে পারছেন না।

    চলতি মাসে দেশে গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হারে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সময়ে বিদ্যুতের মূল্য বেড়েছে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। তবে দাম বৃদ্ধির পরও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বরং একই মাসে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ৩ হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করেছে। পরে কিছুটা কমলেও সময়ে সময়েই তা আবার বেড়েছে। সব মিলিয়ে গড় লোডশেডিং প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি রয়েছে।

    বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ গত সোমবার মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা তার নির্বাচনী এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

    সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকলে গভীর রাতেও ক্ষুব্ধ মানুষ সংসদ সদস্যকে ফোন করে অভিযোগ জানায়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত এই সংকটের সমাধান না হলে জনপ্রতিনিধিদের জন্য জনসমর্থন ও মর্যাদা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

    ঘাটতি নেই দাবি, তবু কেন লোডশেডিং?

    দেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। গত ৭ জুন সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতির কারণে লোডশেডিং করার প্রয়োজন হচ্ছে না। তবে ঝড়-বৃষ্টি, গাছ পড়ে সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কিংবা বিতরণ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিতে পারে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রাথমিক জ্বালানির সীমাবদ্ধতা, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোর দুর্বলতা, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ সব সময় নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না।

    অন্যদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তাদের মতে, চাহিদা ও জ্বালানি সরবরাহের বাস্তবতা বিবেচনা না করেই অতীতে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে জ্বালানি সংকট, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনের বাইরে রয়েছে। উৎপাদন বন্ধ থাকলেও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এসব কেন্দ্রকে বিপুল অঙ্কের ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয় ও সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে উঠেছে।

    বর্তমানে আমদানিসহ দেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা গড়ে প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছায়। শীত মৌসুমে এই চাহিদা নেমে আসে ১০ হাজার মেগাওয়াটের নিচে।

    দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড তৈরি হয় গত ২০ মে। ওই দিন উৎপাদন হয়েছিল ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তবে রেকর্ড উৎপাদনের দিনেও লোডশেডিং থেকে মুক্তি মেলেনি। বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন সক্ষমতার তুলনায় মূল সংকট জ্বালানির প্রাপ্যতায়। এ কারণেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

    বর্তমানে দৈনিক গড়ে ১৪ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। গত মাসে আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা কম ছিল এবং লোডশেডিংও ছিল সীমিত। কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারও লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতেও সাময়িক উন্নতি দেখা যায়।

    বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, কয়লার সংকটের কারণে এসএস পাওয়ার প্লান্টের উৎপাদন কমে গেছে। একই সঙ্গে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ রয়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ কমে গিয়ে লোডশেডিং বেড়েছে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুটি কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে জাতীয় গ্রিডে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। তবে এরপরও পুরোপুরি লোডশেডিং বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুরো সক্ষমতায় চালানো গেলে লোডশেডিং প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। কিন্তু এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে।

    গ্যাস সরবরাহের সীমাবদ্ধতার কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকেও সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। একই অবস্থা জ্বালানি তেলচালিত কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রেও। এসব কেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৬ হাজার মেগাওয়াট। বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময় সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আড়াই থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করা হলেও দিনের বেশিরভাগ সময় উৎপাদন এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

    এসব কেন্দ্রের কাছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বকেয়া পাওনা প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। বকেয়া অর্থ এবং উৎপাদন ব্যয়ের উচ্চ হার বিবেচনায় নিয়ে সংস্থাটি কেন্দ্রগুলো সীমিত সময়ের জন্য পরিচালনা করছে।

    বিদ্যুৎ সরবরাহে বর্তমানে কিছুটা ভরসা জোগাচ্ছে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো। গত ২০ মে রেকর্ড উৎপাদনের দিনে কয়লা থেকে ৬ হাজার ৮১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেই উৎপাদন কমে ৫ হাজার মেগাওয়াটেরও নিচে নেমে এসেছে। কয়লার সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এসব কেন্দ্রও পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।

    উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও মিলছে না স্বস্তি:

    দেশের একমাত্র নিজস্ব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়াও প্রত্যাশিত মাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না। কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা ৪৫০ মেগাওয়াট হলেও পর্যাপ্ত কয়লা মজুদ থাকা সত্ত্বেও গড়ে মাত্র ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

    ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম মনে করেন, বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকট কাটাতে হলে উৎপাদন ব্যয় কমানোর বিকল্প নেই। তার মতে, এ খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অপচয়, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। কিন্তু এসব সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে। এতে সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে না, বরং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    বিদ্যুৎ সেবায় বৈষম্যের অভিযোগ:

    সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় সেবার নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সুবিধা সবার জন্য সমান হওয়ার কথা। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বিদ্যুতের ঘাটতি সামাল দিতে রাজধানী ও বড় শহরগুলোর তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বেশি লোডশেডিং করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

    গত ১৬ জুন মধ্যরাতে সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে মোট ৩ হাজার ২৭৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। এর মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা আরইবির আওতায় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরিসংখ্যানই শহর ও গ্রামের বিদ্যুৎ সুবিধার ব্যবধান স্পষ্ট করে।

    চুয়াডাঙ্গার হাড়োকান্দি গ্রামের বাসিন্দা রাশেদ আলীর ভাষ্য, শহরাঞ্চলে লোডশেডিং তুলনামূলক কম হলেও গ্রামে তা যেন নিত্যসঙ্গী। যাদের আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে তারা চার্জার ফ্যান, ব্যাটারিচালিত আলো, আইপিএস বা জেনারেটরের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু নিম্নআয়ের মানুষদের সেই সুযোগ নেই। ফলে দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থেকে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।

    এ প্রসঙ্গে ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুবিধার মতো বিদ্যুৎ সেবাতেও ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। অথচ সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শ্রম ও অবদানের ওপরই দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে। তার মতে, এই পরিস্থিতি সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

    তিনি আরও বলেন, দেশে বৈষম্যবিরোধী নানা আন্দোলন হলেও বাস্তবে বৈষম্য পুরোপুরি দূর হয়নি। জ্বালানি খাতেও একই চিত্র বিদ্যমান। দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কথা বলা হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    তিন দিনের পর্যবেক্ষণে উদ্বেগজনক চিত্র:

    গত ২০ থেকে ২২ জুন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা। তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

    সাতক্ষীরায় শহরাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেও জেলার সাতটি উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি আরও কঠিন। অনেক এলাকায় দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

    কাশিয়ানী উপজেলার সিংগা গ্রামের কৃষক পংকজ মণ্ডল বলেন, সারাদিন মাঠে কাজের পর রাতে বিশ্রাম নিতে গেলেই দেখা যায় বিদ্যুৎ নেই। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ ছাড়া ঘুমানো কষ্টকর হয়ে পড়ে। দিনাজপুর জেলা সদরে গত ১৬ থেকে ১৮ জুন বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬০ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া গেছে মাত্র ৩৪ মেগাওয়াট। ফলে ওই সময়ে দিন ও রাতে ৫ থেকে ৬ বার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। বান্দরবানে গত শনি ও রবিবার জেলায় মোট চাহিদা ছিল ৯৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া গেছে ৬০ মেগাওয়াটেরও কম।

    চাঁদপুর শহরে দিন ও রাত মিলিয়ে অন্তত ৫ থেকে ৬ বার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে হাইমচর, মতলব উত্তর, ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকাভেদে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে তাদের।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    কারখানা প্রস্তুত, গ্যাস অধরা—সুদে ঝরছে কোটি কোটি টাকা

    জুন 24, 2026
    অর্থনীতি

    বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে বাড়ছে সরকারের দায়

    জুন 24, 2026
    অর্থনীতি

    অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি, কোথাও প্রবৃদ্ধি কোথাও পতন

    জুন 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.