| সংস্কার, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের পথে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ |
দুর্নীতি কোনো দেশের জন্য কেবল একটি প্রশাসনিক সমস্যা নয়; এটি রাষ্ট্রের সক্ষমতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জনগণের আস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত গভীর প্রাতিষ্ঠানিক সংকট। বাংলাদেশে দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা নতুন নয়।
সরকারি সেবা, ভূমি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্র ও সমাজ কি সত্যিই দুর্নীতির এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে হতাশ হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূচকেও বাংলাদেশের দুর্নীতির পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হয়। সর্বশেষ দুর্নীতি ধারণা সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ২৪ এবং সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম, যে অবস্থান দেশের দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়। তবে একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং দুর্নীতি দমন কাঠামোর সংস্কারের উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে। ফলে মূল প্রশ্ন এখন দুর্নীতি আছে কি না- তা নয়, বরং প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কি দুর্নীতিকে একটি স্থায়ী বাস্তবতা হিসেবে মেনে নেবে, নাকি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি মোকাবিলা করবে?
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সচিবদের উদ্দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারি কাজে গতি বাড়াতে হবে, প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল- একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন ছাড়া রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সচিব সভায় তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, কর্মদক্ষতা এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর নির্দেশনার মধ্যে ছিল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা, ই-নথি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং সরকারি কাজের গতি বাড়ানো। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো ধরনের অনিয়ম, গাফিলতি বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
তিনি দেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের কথাও তুলে ধরে সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। বিকল্প জ্বালানি হিসেবে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি, সরকারি স্থাপনায় সোলার প্যানেল স্থাপন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার – এসব উদ্যোগের মধ্যেও একটি বড় নীতিগত বিষয় রয়েছে। তা হলো, সীমিত সম্পদের দেশে অপচয়, অনিয়ম ও দুর্নীতি কমানো ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
দুর্নীতির মূল সংকট ব্যক্তি নয়, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা
দুর্নীতির মতো দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যার সমাধান শুধু নির্দেশনা বা কঠোর বক্তব্যের মাধ্যমে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গভীর সংস্কার। কারণ দুর্নীতি মূলত ব্যক্তিগত অসততার ফল হলেও এর বিস্তার ঘটে তখনই, যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের ভেতরে দুর্বল জবাবদিহিতা, অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়।
বাংলাদেশের দুর্নীতির বড় সমস্যা হলো – অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম ও বাস্তবতার মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। একজন নাগরিক যখন সরকারি সেবা নিতে গিয়ে মনে করেন যে নিয়ম মেনে কাজ করলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে, কিন্তু অনৈতিক উপায়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব, তখন দুর্নীতি ধীরে ধীরে একটি সামাজিক বাস্তবতায় পরিণত হয়।
অর্থাৎ দুর্নীতি শুধু ঘুষ গ্রহণকারীর সমস্যা নয়; এটি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করে যেখানে নাগরিক, কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠান- সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একদিকে জনগণের আস্থা কমে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের কার্যকারিতা দুর্বল হয়।
এই বাস্তবতায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের গুরুত্ব রয়েছে। প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যদি পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হয় যে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দায়িত্বশীলতার সংস্কৃতি তৈরি হতে পারে। তবে সেই বার্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং অপরাধীর পরিচয়, অবস্থান বা প্রভাব বিবেচনা না করে আইনের প্রয়োগ।
দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো – প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা। একটি কার্যকর রাষ্ট্রে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হয়। একজন সাধারণ কর্মচারী এবং একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তির ক্ষেত্রেও একই ধরনের অপরাধে একই ধরনের আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হয়। যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক বা সামাজিক প্রভাব কাজ করে, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
প্রশাসনিক সংস্কার, প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার প্রয়োজন
দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু মামলা করা বা তদন্ত শুরু করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন পেশাদার তদন্ত, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পর্যাপ্ত জনবল, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া।
একটি কার্যকর দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজন – তদন্তকারী সংস্থার স্বাধীনতা, দক্ষ জনবল, তথ্য ব্যবহারের সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ। বড় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির পরিচয়, অবস্থান বা ক্ষমতা যা-ই হোক না কেন, আইনের প্রয়োগ যদি সমান না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরবে না।
এখানে প্রযুক্তি একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সরকারি ক্রয়, কর প্রশাসন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও সরকারি সেবাকে যত বেশি ডিজিটাল ও তথ্যনির্ভর করা যাবে, ব্যক্তিগত যোগাযোগের ওপর নির্ভরতা তত কমবে।
ই-প্রকিউরমেন্ট, অনলাইন সেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং তথ্যের উন্মুক্ততা দুর্নীতির প্রচলিত অনেক সুযোগ কমাতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব যে ই-নথি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, তার মূল উদ্দেশ্যও হলো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা।
তবে প্রযুক্তি কোনো জাদুর কাঠি নয়। দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করে এমন আইন, বিধি ও প্রশাসনিক সংস্কৃতি পরিবর্তন না হলে ডিজিটাল ব্যবস্থাও একসময় নতুন ধরনের অনিয়মের পথ তৈরি করতে পারে। তাই প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি, তথ্যের উন্মুক্ততা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ।
দুর্নীতি কমাতে প্রয়োজন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন
দুর্নীতি শুধু অর্থ আত্মসাতের বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন সক্ষমতাকে দুর্বল করে। একটি প্রকল্পে দুর্নীতি হলে শুধু অর্থের ক্ষতি হয় না, সময় নষ্ট হয়, জনগণের সেবা বাধাগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। তাই দুর্নীতিবিরোধী লড়াই মূলত উন্নয়ন ও সুশাসনের লড়াই।
বাংলাদেশে দুর্নীতি কমানোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনকে দক্ষ ও নিরপেক্ষ রাখতে হলে নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
যেখানে মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে পরিচয়, প্রভাব বা আনুগত্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, সেখানে দুর্নীতির পরিবেশ তৈরি হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর পর্যন্ত যদি যোগ্যতার পরিবর্তে অন্য বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পায়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের দক্ষতা কমে এবং দুর্নীতির সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।
বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। মানুষের শেষ আশ্রয় হওয়া উচিত আদালত। একজন নাগরিকের বিশ্বাস থাকতে হবে যে ক্ষমতাবান ও সাধারণ মানুষের জন্য আইনের প্রয়োগ একই। বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, নিয়োগের স্বচ্ছতা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই দুর্বল হয়ে পড়ে।
একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের স্বাধীন ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দুর্নীতি প্রকাশ, তথ্য অনুসন্ধান এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলো সামনে আনার সুযোগ না থাকলে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা কঠিন।
তাহলে কি বাংলাদেশে দুর্নীতি কমবে?
দুর্নীতি কি বাংলাদেশের স্থায়ী বাস্তবতা হয়ে থাকবে, নাকি রাষ্ট্রীয় সংস্কার, কার্যকর নীতি ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গঠনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব?
বাস্তবতা হলো, বিশ্বের কোনো দেশই পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত নয়। উন্নত রাষ্ট্রগুলোও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিয়মিত লড়াই করে। তবে পার্থক্য হলো, সফল রাষ্ট্রগুলো দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং কার্যকর জবাবদিহিতার মাধ্যমে।
বাংলাদেশেও দুর্নীতি কমানো সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক সংস্কার, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং আইনের সমান প্রয়োগ।
শুধু দুর্নীতিবাজদের শাস্তি দিলেই হবে না; এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে যেখানে দুর্নীতি করার সুযোগ কমে যায় এবং সততার সঙ্গে কাজ করার পরিবেশ তৈরি হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় শক্তি কোনো একক কমিশন, সরকার বা আইন নয়- একটি কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির বক্তব্য মূলত সেই দিকেই ইঙ্গিত করে – রাষ্ট্রকে আরও দক্ষ, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কোনো একদিনের অভিযান নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়া।
শেষ পর্যন্ত দুর্নীতি কমবে কি না, তা নির্ভর করবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর- রাষ্ট্র কি ব্যক্তি নির্ভর ব্যবস্থা থেকে প্রতিষ্ঠান নির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হতে পারবে?
যদি আইন, প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক সংস্কৃতি সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী করা যায়, তাহলে দুর্নীতি বাংলাদেশের অনিবার্য বাস্তবতা থাকবে না। বরং এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য একটি সমস্যায় পরিণত হতে পারে।
তবে এর জন্য প্রয়োজন শুধু কঠোর বক্তব্য নয়- প্রয়োজন ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা।
কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিজয় হবে তখনই, যখন রাষ্ট্র এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে পারবে যেখানে সততা হবে স্বাভাবিক পথ, আর দুর্নীতি হবে ঝুঁকিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য আচরণ।
সেই পরিবর্তনের উত্তর হয়তো আমাদের চারপাশেই রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সেই উত্তরকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক সাহস।

