শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডলকে মূল কুশীলব হিসেবে চিহ্নিত করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরাও এ মামলার তদন্ত থেকে বাদ পড়বেন না।
আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর জানান, শাপলা চত্বরের মামলার তদন্ত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, শিগগিরই ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা সম্ভব হবে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “আবদুল জলিল মণ্ডলের বিরুদ্ধে অনেক আগেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। তাকে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই খুঁজছিলাম। অবশেষে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং আজই তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।”
যখন তাকে আগামী ৫ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা চেষ্টা করব নির্ধারিত সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পাশাপাশি ফরমাল চার্জও দাখিল করতে। শিগগিরই আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি যেন বিচার কার্য দ্রুত শুরু করা যায়।”
সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিলের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “শাপলা চত্বরের ঘটনায় সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল নেপথ্যের পরিকল্পনামূলক। তদন্তে আমরা এমন প্রমাণ পেয়েছি। আমরা আরও অনুসন্ধান চালাচ্ছি এবং আশা করছি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হাতে পাব।”
চিফ প্রসিকিউটর আরও উল্লেখ করেছেন, এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদও যুক্ত ছিলেন।

