দেশের জরুরি সেবাগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল রাখতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপণ এবং কারাবন্দিদের নিরাপদ স্থানান্তর—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে যেন কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং কারা অধিদপ্তরের সব যানবাহন এখন থেকে দেশের যেকোনো পেট্রল পাম্প থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে জরুরি দায়িত্ব পালনের সময় জ্বালানির ঘাটতির কারণে কোনো বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. হাফিজ-আল-আসাদের স্বাক্ষরে গত ১৫ এপ্রিল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। শনিবার (১৮ এপ্রিল) মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কারাগারের বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো সময় বন্দি স্থানান্তর, অসুস্থ বন্দিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং দাপ্তরিক কাজে যানবাহন ব্যবহার অপরিহার্য। একইভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়মিত টহল, বিশেষ অভিযান এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক যানবাহন সচল রাখা প্রয়োজন।
এই বাস্তবতায়, সংশ্লিষ্ট সব পেট্রল পাম্পে যাতে এসব বাহিনীর যানবাহন দ্রুত জ্বালানি পায়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

