রাজধানীর হাতিরঝিল থানার রামপুরা টিভি সেন্টার এলাকায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় মাথায় দুটি গুলি লাগায় তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান। আহত পলাশ পশ্চিম রামপুরা এলাকার ইউনুস খানের ছেলে।
আহতের ভাই আলামিন জানান, দুপুরে পলাশ রয়েল মিষ্টির দোকানের সামনের রাস্তায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক সেখানে এসে আকস্মিকভাবে তাকে লক্ষ্য করে পিস্তল উঁচিয়ে ধরে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘কাইল্যা মাসুদ’ পলাশের মাথা লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়।
গুলির শব্দে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে ভাই আলামিনসহ স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।
ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীর মাথায় দুটি গুলি লেগেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ও সংকটাপন্ন। হাসপাতালে আনার পরপরই তাকে জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা তার জীবন বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঘটনার পেছনে স্থানীয় সন্ত্রাসী কাইল্যা মাসুদের নাম উঠে এসেছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে রামপুরা থানা পুলিশ ও ডিবির একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

