২০১৩ সালের হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় নিহত ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জন নিহত হন।
আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নিহতদের মধ্যে কিছুজনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, তবে অনেকের ক্ষেত্রে তা পাওয়া যায়নি। তবুও কবর পরিদর্শন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সংস্থার সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
তিনি আরও জানান, মামলার আসামিদের নাম তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে আসামির সংখ্যা ৩০-এর কম হবে না। এরই মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তৎকালীন পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সাবেক সরকার প্রধান থেকে শুরু করে তৎকালীন পুলিশ প্রধান, পুলিশ কমিশনারসহ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, তদন্তের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে এবং আগামী ৭ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। শাপলা চত্বরের ওই ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “তিনি জড়িত ছিলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়টি পাওয়া গেছে।”

