মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সারাদেশে ঈদুল আজহার আনন্দ ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে। ঈদের প্রথম দিনের পাশাপাশি অনেক এলাকাতেই দ্বিতীয় দিনেও পশু কোরবানি করতে দেখা গেছে মানুষকে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার ঈদের দ্বিতীয় দিনে কোরবানি সম্পন্ন করছেন অনেকে। কেউ পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসরণ করে নির্দিষ্ট দিনে কোরবানি করছেন, আবার কেউ ঈদের দিন কসাই সংকট ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে পরের দিন কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অনেক কোরবানি দাতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের দিন সাধারণত চাপ বেশি থাকে। ফলে কসাই পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, পাশাপাশি পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুত করতেও নানা ভোগান্তি হয়। এসব কারণে অনেক পরিবার দ্বিতীয় দিনকে বেছে নিচ্ছে তুলনামূলক স্বস্তির জন্য।
রাজধানীর মগবাজার এলাকার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাদের পরিবারে বহু বছর ধরে ঈদের কোরবানি দ্বিতীয় দিনে করার রীতি রয়েছে। এবারও সেই ধারাই বজায় রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কসাইদেরও ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। এক কসাই জানান, ঈদের দিন একাধিক পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ শেষ করে পরের দিনও কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে, কারণ চাহিদা এখনো অনেক বেশি।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী কোরবানির নির্ধারিত সময় তিন দিনব্যাপী। ঈদের দিনসহ পরবর্তী দুই দিন অর্থাৎ হিজরি জিলহজ মাসের দশ, এগারো ও বারো তারিখ পর্যন্ত কোরবানি আদায় করা বৈধ। তাই অনেকেই সময় ও সুবিধা অনুযায়ী এই তিন দিনের যেকোনো দিন কোরবানি সম্পন্ন করছেন।
সব মিলিয়ে ঈদের আনন্দ এখনো শেষ হয়নি। প্রথম দিনের ভিড় ও ব্যস্ততা পেরিয়ে দ্বিতীয় দিনেও ধর্মীয় আবহ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা দেশজুড়ে সক্রিয় রয়েছে।

