ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে এক শিশু, দুই নারী এবং দুই পুরুষ রয়েছেন। একই ঘটনায় আরও দুই শিশু আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হলে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেটকার থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
সড়ক দুর্ঘটনাটি আবারও মহাসড়কে নিরাপদ যান চলাচলের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্সপ্রেসওয়ের মতো উচ্চগতির সড়কে কোনো যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকলে তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ভোররাত বা কম আলোতে চালকদের জন্য এমন পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
এ ঘটনায় আহত দুই শিশুর চিকিৎসা চলছে। তবে তাদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে। কী কারণে ট্রাকটি সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল এবং দুর্ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সড়ক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে নিয়মিত নজরদারি, জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা এবং যানবাহনের নিরাপত্তা মান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। এ ধরনের দুর্ঘটনা শুধু কয়েকটি প্রাণহানির ঘটনা নয়, বরং একটি পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তের পর আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

