Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সুপ্রিম কোর্টে নথি ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা চেয়ে রিট
    বাংলাদেশ

    সুপ্রিম কোর্টে নথি ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা চেয়ে রিট

    নিউজ ডেস্কজুন 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলার নথি সময়মতো সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে না পৌঁছানোর অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা প্রশাসনিক গাফিলতি, দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

    রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, মামলার নথি দ্রুত এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ দাবি করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ফলে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে এবং সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

    আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন জমা দেন। আবেদনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বিষয়টি শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

    রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, একই বিষয়ে ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। তবে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশের পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করায় শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

    রিট দায়েরের পর আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, একটি মামলার কার্যকর শুনানি নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট নথি নির্ধারিত সময়ে আদালতে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে শুনানির দিনও ফাইল আদালতে পৌঁছায় না। ফলে বিচারকরা শুনানি পরিচালনা করতে পারেন না এবং মামলাগুলো বারবার মুলতবি করতে হয়।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং আদালতের কিছু শাখায় এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে যেখানে দ্রুত ফাইল পাঠানোর জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে অর্থ দাবি করা হয়। এতে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনেক সময় ফাইল অযৌক্তিকভাবে আটকে রাখা হয়। কখনো নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়, আবার কখনো ব্যক্তিগত তদবির ছাড়া ফাইলের অগ্রগতি হয় না। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অবৈধ লেনদেন ছাড়া নথি বেঞ্চে পাঠানো হয় না বলেও রিটে দাবি করা হয়েছে।

    রিট আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন বিধিমালার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি আদালতের নিজস্ব নিয়মের পরিপন্থী। সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) রুলস, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী বেঞ্চ অফিসারকে প্রতিদিন বিকেল ৩টার মধ্যে রিকুইজিশনে স্বাক্ষর করতে হয় এবং পরদিন সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মামলার নথি পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্ট রুলস, ১৯৬৬ অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো নথি আদালতের হেফাজত থেকে বাইরে নেওয়া যায় না এবং যথাযথ রিকুইজিশনের ভিত্তিতেই নথি স্থানান্তর করা সম্ভব। রিটে আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম লঙ্ঘন কর্মচারীদের জন্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য।

    আবেদনে বলা হয়েছে, সময়মতো নথি আদালতে না পৌঁছানো উচ্চ আদালতে মামলার জট বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক মামলা দীর্ঘ সময় কজলিস্টে থাকলেও মূল শুনানি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে আইনজীবীদের গবেষণা, খসড়া প্রস্তুত এবং আদালতে যুক্তি উপস্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি নথি সংগ্রহ ও অনুসন্ধানের পেছনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।

    অন্যদিকে বিচারপ্রার্থীদের বারবার আদালতে উপস্থিত হয়েও শুনানি না হওয়ায় ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি মানসিক চাপও বাড়ছে। দীর্ঘসূত্রতায় ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া দাবি করেন, সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবনের অধিকারের সঙ্গে ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে ৩৫(৩) অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের দ্রুত ও উন্মুক্ত বিচারের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। তার মতে, মামলার নথি অনুপস্থিত থাকার কারণে শুনানি না হওয়া এসব মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

    রিট আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের জারি করা পূর্ববর্তী সার্কুলার ও প্রশাসনিক নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ফাইল ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ঘুষ ও অনিয়ম বন্ধে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    হামের উপসর্গে আরও ১ মৃত্যুসহ মোট ৬৫৭, নতুন শনাক্ত ১ হাজারের বেশি

    জুন 16, 2026
    বাংলাদেশ

    সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল জুলাইযোদ্ধা জোবায়েরের

    জুন 16, 2026
    বাংলাদেশ

    ৩ ইউনিয়নের নামকরণে সন্তানদের নাম জড়ানোয়  বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী

    জুন 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.