Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, জুলাই 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গুঞ্জন নাকি সত্য: হাসিনার সাথে ফোনালাপের কারণেই বিদায় নিচ্ছেন চুপ্পু?
    বাংলাদেশ

    গুঞ্জন নাকি সত্য: হাসিনার সাথে ফোনালাপের কারণেই বিদায় নিচ্ছেন চুপ্পু?

    এফ. আর. ইমরানUpdated:জুলাই 23, 2026জুলাই 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের আলোচনা আবারও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, খুব শিগগিরই তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন। যদিও বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আগের সময়ের শীর্ষ সাংবিধানিক পদে থাকা একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে তিনি এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। এ কারণেই তার সম্ভাব্য পদত্যাগের খবরকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে চলতি বছরের মে মাসে লন্ডন সফরের সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথোপকথনের বিষয়টি। সূত্রগুলোর দাবি, চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে রাষ্ট্রপতি টেলিফোনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন।

    জানা যায়, ৯ মে তিনি লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই ফোনালাপের বিষয়ে জানতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

    এরপর থেকেই রাষ্ট্রপতির অবস্থান নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা শুরু হয় বলে জানা গেছে। সরকারের একটি অংশ মনে করছে, গণঅভ্যুত্থানের পরও আগের সরকারের সময়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ব্যক্তির দায়িত্বে থাকা রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে তারা একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখছেন।

    তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টিকে শুধু একটি ফোনালাপের ঘটনায় সীমাবদ্ধ করে দেখার সুযোগ নেই। তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, ক্ষমতার পালাবদলের পর নতুন সমীকরণ এবং সাবেক সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ইস্যুও এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

    বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতার ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের পেছনের বিষয়টি আরও বিস্তৃত। তার মতে, শেখ হাসিনাকে ঘিরে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আলোচনা, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ তৎপরতা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি—সবকিছু মিলিয়েই বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। একই সময়ে দেশের ভেতরে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পুনর্গঠনের কিছু উদ্যোগও নজরদারিতে রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

    এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সেটিকে সরকারের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তাদের মতে, এর মাধ্যমে সরকার দেখাতে চাইতে পারে যে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারা আগের ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিষয় নিয়ে ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

    এদিকে গত ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    তবে রাষ্ট্রপতি কবে পদত্যাগ করবেন কিংবা তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে—এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এক-দুই দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও আগামী ২৯ জুলাই চারটি দেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণের একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এখনো রাষ্ট্রপতির রয়েছে।

    এর আগে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জানিয়েছিলেন, পরবর্তী নির্বাচনের পর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তিনি পদত্যাগ করতে চান। পরে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, আর না চাইলে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।

    সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে—শেখ হাসিনার সঙ্গে কথিত ফোনালাপই কি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিদায়ের মূল কারণ, নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ? আপাতত বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তবে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    মোবাইল নেটওয়ার্কের মান যাচাইয়ে কঠোর হচ্ছে বিটিআরসি

    জুলাই 23, 2026
    মতামত

    মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যকেন্দ্র হওয়ার ইসরায়েলের স্বপ্ন যেভাবে ভেস্তে যাচ্ছে

    জুলাই 23, 2026
    বাংলাদেশ

    পরিশ্রম ও সততাকে গুরুত্ব না দিলে মেধার পরিবর্তে শর্টকাট নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়

    জুলাই 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.