Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, আগস্ট 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে পাশে থাকতে চায় লিথুনিয়া
    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে পাশে থাকতে চায় লিথুনিয়া

    হাসিব উজ জামানআগস্ট 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের দেশ লিথুনিয়া। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, আর্থিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছে দেশটি।

    রোববার, ১৬ আগস্ট সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে লিথুনিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিসকেভিচিয়েনে এ আগ্রহের কথা জানান। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

    লিথুনিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটি লেজার প্রযুক্তি, সরকারি সেবার প্রযুক্তিকরণ এবং আর্থিক প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও এগিয়ে নিতে সেই অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান ভাগ করে নিতে আগ্রহী তারা।

    রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিসকেভিচিয়েনে বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো, ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করা এবং সাইবার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে লিথুনিয়া অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করতে চায়।

    তার মতে, শুধু সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ালেই হবে না; দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা গেলে এর সুফল অনেক বেশি হতে পারে। এমন সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বাংলাদেশের দিক থেকেও লিথুনিয়ার প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ দেখানো হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দুই দেশের বর্তমান বাণিজ্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সীমিত হলেও সম্পর্ক সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

    বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতকে এই সহযোগিতার অন্যতম বড় ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা এবং বিপুলসংখ্যক স্বাধীন পেশাজীবীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকেও কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রীর মতে, বাংলাদেশের এই সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে লিথুনিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে নিজেদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে পারে।

    এখানে দুই দেশের জন্যই সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তৈরি হতে পারে। লিথুনিয়ার প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহৎ বাজার, তরুণ দক্ষ জনশক্তি এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার দ্রুত বিস্তার যুক্ত হলে নতুন ধরনের ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গড়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা ও আর্থিক প্রযুক্তির মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল খাতে যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    বৈঠকে বাংলাদেশকে বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবেও তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা যাতে বিনিয়োগ প্রত্যাহার এবং অর্জিত মুনাফা নিজ দেশে নিতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। তার দাবি, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে।

    তবে দুই দেশের সম্পর্কের পরবর্তী ধাপ শুধু আগ্রহ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাস্তব ফল পেতে হলে নিয়মিত সরকারি যোগাযোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণ, দক্ষ জনশক্তি বিনিময় এবং যৌথ প্রকল্পের মতো উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।

    বিশেষ করে বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ও সাইবার নিরাপত্তার চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে দেশের প্রযুক্তি খাতও আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে লিথুনিয়ার প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য যেমন কাজে লাগতে পারে, তেমনি বাংলাদেশের দক্ষ তরুণ কর্মশক্তি ও বড় বাজার লিথুনিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।

    বৈঠকে বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে যোগাযোগ কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে পারলে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-লিথুনিয়া সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বিশ্লেষণ

    নৈতিকতার রাজনীতিঃ ব্যক্তিগত ইচ্ছা বনাম সংখ্যাগুরুর অভিলাষ

    আগস্ট 16, 2026
    বাংলাদেশ

    জাহাজভাঙা শিল্প: ‘গ্রিন ইয়ার্ড’-এর আড়ালে ভয়াবহ মৃত্যুফাঁদ

    আগস্ট 16, 2026
    বাংলাদেশ

    বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট কাটাতে অন্তত ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী

    আগস্ট 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.