Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তিন দশকে মশা মারতে ব্যয় ১,৮০০ কোটি, তবু কমেনি উপদ্রব
    বাংলাদেশ

    তিন দশকে মশা মারতে ব্যয় ১,৮০০ কোটি, তবু কমেনি উপদ্রব

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাজধানীতে মশা নিয়ন্ত্রণে বছরের পর বছর বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ওষুধ কেনা, যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ওষুধ ছিটানো থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা—সব মিলিয়ে গত তিন দশকে ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি। কিন্তু এত অর্থ খরচের পরও মশার উপদ্রব কমেনি, থামেনি ডেঙ্গুর প্রকোপও।

    চলতি বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ জনই ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা। কীটতত্ত্ববিদেরা আশঙ্কা করছেন, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সেপ্টেম্বরজুড়ে রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মশা নিয়ন্ত্রণে মূলত কীটনাশক ও ওষুধের ওপর নির্ভর করাই সমস্যার অন্যতম কারণ। একই ধরনের কীটনাশক বছরের পর বছর ব্যবহারের ফলে মশার মধ্যে ওষুধপ্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। তাই শুধু ওষুধ ছিটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

    নগর-পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান মনে করেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তাঁর মতে, আলাদা একটি দক্ষ ইউনিট গঠন করে সেখানে পরিকল্পনাবিদ ও জীববিজ্ঞানীদের যুক্ত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।

    চার বছরেই ব্যয় প্রায় ৫৫০ কোটি

    সাম্প্রতিক চার অর্থবছরে মশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ব্যয় ৩৮৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই সংস্থাটি মশা নিয়ন্ত্রণে ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ওষুধ কেনায় ৮০ কোটি টাকা এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে মশক নিয়ন্ত্রণে ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব রয়েছে।

    আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উত্তর সিটি করপোরেশনের ব্যয় ছিল ১৩১ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যয় হয়েছে যথাক্রমে ৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ও ৫০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

    অন্যদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মশা নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংস্থাটির ব্যয় ছিল ৩৩ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২২ কোটি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

    তবে দীর্ঘ সময়ের হিসাব আরও বড়। ১৯৯৬-৯৭ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত ২৭ বছরে মশার ওষুধ, ধোঁয়া দেওয়া, পরিবহন ও যন্ত্রপাতি কেনাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যয় হয়েছে ৭৬৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। একই সময়ে মশক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ খরচ হয়েছে ৫০৬ কোটি ২৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। দুই খাত মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা।

    মাছ, হাঁস, ব্যাঙ থেকে ড্রোন—কত উদ্যোগ!

    মশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। কোথাও ড্রেন-নর্দমায় মাছ ও ব্যাঙ ছাড়া হয়েছে, কোথাও জলাশয়ে হাঁস নামানো হয়েছে। এমনকি মশার প্রজননস্থল খুঁজতে ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে।

    ২০২২ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র কদমগাছ ও ফিঙে পাখির মাধ্যমে মশা নিয়ন্ত্রণের ধারণার কথাও জানিয়েছিলেন। এর আগে মশার লার্ভা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ঝিল, লেক ও পুকুরে কয়েক হাজার হাঁস ও ব্যাঙ ছাড়া হয়েছিল।

    একই বছর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ড্রোন ব্যবহার করে বিভিন্ন ভবনের ছাদে এডিস মশার লার্ভা খোঁজার উদ্যোগ নেয়।

    তবে এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন কীটতত্ত্ববিদেরা। তাঁদের মতে, মাছ, হাঁস, ব্যাঙ বা পাখির ওপর নির্ভর করে মশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।

    কীটতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির সাবেক সভাপতি মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী এসব উদ্যোগকে অবৈজ্ঞানিক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ওষুধের পাশাপাশি আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা প্রয়োজন।

    সামনে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা

    কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশারের মতে, আগস্টের শেষ দিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে এবং সেপ্টেম্বরেও সেই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টির কারণে এডিস মশার যে প্রজনন হয়েছে, সেগুলো এখন রোগ ছড়ানোর উপযোগী হয়ে উঠছে।

    তাই মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিক পর্যায়েও সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে বাড়ির আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

    এবার জোর দেওয়া হচ্ছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায়

    ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কায় দুই সিটি করপোরেশন নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, কোনো এলাকা থেকে মশার অভিযোগ পাওয়া গেলে সেখানে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তিন গুণ কর্মী নিয়ে পুরো ওয়ার্ডে কাজ করা হচ্ছে। সকালে লার্ভা ধ্বংস এবং বিকেলে উড়ন্ত মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম চালানো হয়। এক সপ্তাহ ধরে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও মশার উৎস শনাক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। হাসপাতাল থেকে ডেঙ্গু রোগীর ঠিকানা সংগ্রহ করে দ্রুত সেখানে বিশেষ দল পাঠিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    তবে দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নির্মূল করা সম্ভব নয়। নগরীর পরিচ্ছন্নতা, বৃষ্টির পানি জমে থাকা এবং মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি জোরদার করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অপরাধ

    তুচ্ছ বিরোধের জেরে বন্ধু খুন, ৯ বছর পর আসিফের মৃত্যুদণ্ড

    আগস্ট 18, 2026
    অপরাধ

    হেলমেটের আড়ালেও চিনেছিলেন, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর ব্যাখ্যা

    আগস্ট 18, 2026
    আইন আদালত

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেভাবে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা

    আগস্ট 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.