দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সেনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় সেনা ইন্স্যুরেন্সের সব কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রাইম ব্যাংক আই হাসপাতাল থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে চক্ষুসেবা নিতে পারবেন।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত প্রাইম ব্যাংক আই হাসপাতালটি প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশনের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা উদ্যোগের অংশ। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত চক্ষুসেবা প্রদান করে আসছে। প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মেজর জেনারেল ড. মো. নাঈম আশফাক চৌধুরী (অব.) এবং সেনা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিক শামীম (অব.) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক হাসপাতাল পিএলসি (প্রস্তাবিত) প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম মাহমুদ হাসান (অব.), প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইম ব্যাংক আই হাসপাতালের সমন্বয়কারী মেহতাজ ইকবাল খান ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ আরিফ বিন আজিজ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরেই স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। এই ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ প্রাইম ব্যাংক আই হাসপাতাল ২০১২ সাল থেকে দেশের মানুষকে মানসম্মত চক্ষুসেবা প্রদান করে আসছে। ভারতের আরবিন্দ আই কেয়ার সিস্টেমের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনা সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি আধুনিক সরঞ্জাম ও দক্ষ চিকিৎসক দল নিয়ে কাজ করছে। অন্যদিকে সেনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি সেনা কল্যাণ সংস্থার অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বীমা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
এই চুক্তির মাধ্যমে সেনা ইন্স্যুরেন্সের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রাইম ব্যাংক আই হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসাসেবা সাশ্রয়ী মূল্যে গ্রহণ করতে পারবেন। কর্পোরেট খাতের এই ধরনের উদ্যোগ কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে অবদান রাখছে। প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও সেনা ইন্স্যুরেন্সের এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের পথ উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

