Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, আগস্ট 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বরিশালের টিটিসির ভেতরে হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালন: অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ
    বাংলাদেশ

    বরিশালের টিটিসির ভেতরে হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালন: অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

    নিউজ ডেস্কUpdated:আগস্ট 23, 2026আগস্ট 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাহাদ সুমন,বরিশাল প্রতিবেদক-

    বরিশালের গৌরনদী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) ভর্তি কার্যক্রম, আবাসিক কক্ষ ব্যবহার করে রাত্রীযাপনের পরেও বাড়িভাড়ার ভাতা গ্রহণ, বাহিরে খাবার সরবরাহ, প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা না দেয়া, দায়িত্ব বণ্টন, হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা, প্রশিক্ষণার্থী ও সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন ও অতিরিক্ত হিসাব রক্ষক আল-আমিনের যোগসাজসে এসব অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা হচ্ছে। সূত্রমতে, সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ না করেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রাবাসের বিভিন্ন কক্ষ আবাসিক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অধ্যক্ষসহ কেন্দ্রের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী টিটিসির অভ্যন্তরে বসবাস করলেও তারা নিয়মিত বাড়িভাড়া ভাতা গ্রহণ করছেন।

    এ বিষয়ে অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন টিটিসির ভেতরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জনবল নেই। যেকারণে তারা ভেতরে থাকছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, টিটিসিতে সরাসরি অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রমের ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও প্রশিক্ষণার্থীদের কেন্দ্রের সামনে একটি কম্পিউটার দোকানে পাঠানো হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রশিক্ষণার্থীদের ওই দোকানে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ভর্তি ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

    আগৈলঝাড়ার পয়সারহাট থেকে সাইদুল ইসলাম নামে এক বিদেশগামী ব্যক্তি গত ১৭ আগস্ট টিটিসি থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য ভর্তি হতে আসেন। তিনি কেন্দ্রের তৃতীয় তলা থেকে সরাসরি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি জানতে পেরে অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন কেন্দ্রের কর্মরত আব্দুল কাদেরকে ভবিষ্যতে এভাবে কেন্দ্রের ভেতর থেকে ভর্তি কার্যক্রম না করার জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন।

    ভর্তি খরচ সম্পর্কে জানতে টিটিসির সামনে থাকা কম্পিউটার দোকানের পরিচালক মো. আমিন খান বলেন, প্রশিক্ষণে ছেলেদের ভর্তি করতে ৬৫০ টাকা খরচ হয়। আর নারীদের ভর্তি করতে দুই হাজার টাকার মতো খরচ পরে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিজস্ব ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও প্রশিক্ষণার্থীদের বাহিরে নির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার দোকানে পাঠানো হচ্ছে এবং অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে।

    নারীদের প্রশিক্ষণ নিয়েও দুই রকমের বক্তব্য পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত হিসাব রক্ষক আল আমিন বলেন, কেন্দ্রে নারীদের কোনো প্রশিক্ষণ নেই। তবে অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন বলেছেন, হাউসকিপিং ছাড়া কেন্দ্রের অন্যান্য চালু প্রশিক্ষণগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

    টিটিসির অভ্যন্তরে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য রান্না করা খাবার থেকেও বাহিরে খাবার সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জামিলা বেগম নামের এক নারী টিটিসির ভেতর থেকে প্রতিদিন তিন বেলা খাবার নিয়ে কেন্দ্রের সামনের সুজন ফকিরের দোকানে পৌঁছে দিচ্ছেন।

    দোকান মালিক সুজন ফকির জানিয়েছেন, এ খাবার তার জন্য নয়; আমিন খান টিটিসিতে মেস হিসেবে মাসে সাড়ে চার হাজার টাকা খরচ দিয়ে তিন বেলা খাবার খাচ্ছেন। আমিন খান অতিরিক্ত হিসাব রক্ষক আল-আমিনের আপন ভাই। তিনি আগে টিটিসিতে কর্মরত ছিলেন। আয় কম হওয়ায় চাকরি ছেড়ে বর্তমানে তিনি কম্পিউটারের দোকান দিয়েছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন বলেন, আল আমিনের ভাইয়ের দোকানে কেন্দ্রের ভেতর থেকে খাবার দিতে আমি আগে থেকেই নিষেধ করেছি। এরপরেও খাবার দেওয়া হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সরেজমিনে টিটিসির ভেতরে হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালন করতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন বলেন, কেন্দ্রের ভেতরে হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালনের বিষয়টি তেমন কোনো সমস্যা নয়। এতে সরকারের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না বলেও তিনি দাবি করেন।

    টিটিসির পঞ্চম ব্যাচের লিমন ফকিরসহ কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার প্রায় ছয় মাস পার হলেও তারা এখনো বরাদ্দকৃত ভাতার টাকা পাননি। লিমন আরও জানায়, ভাতার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রশিক্ষকদের সঙ্গে একাধিকবার তাদের কথার কাটাকাটি হয়েছে।

    স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী জসিম মোল্লা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত হিসাব রক্ষক আল আমিনের কথায় তিনি তার শ্যালককে টিটিসিতে কাজে দিয়েছিলেন। প্রায় তিন মাস কাজ করার পর তার বেতনের অর্ধেক টাকা দেওয়া হয়। বাকি টাকা আল আমিন আত্মসাত করেছেন। পরে স্থানীয়দের চাঁপের মুখে আল আমিন বাকি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছেন।

    অপরদিকে টিটিসিতে কর্মরত না থাকার পরেও জামিলা বেগমের কাছে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কক্ষের চাবি থাকা এবং তাকে কেন্দ্রের একটি কক্ষে রাত্রীযাপনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে জামিলা বেগম বলেন, কেয়ারটেকার দেলোয়ার সকালে দেরীতে ওঠেন। এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু চাবি তার কাছে রাখা হয়েছে। আর অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়েই তিনি সেখানে রাত্রীযাপন করছেন।

    এ বিষয়ে অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন বলেন, তার (জামিলা) চাকরি নেই। তিনি যে প্রকল্পে কাজ করতেন, সেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে এখানে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    টিটিসিতে নাইটগার্ড ও কেয়ারটেকার থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার চাবি কার কাছে থাকে, তা নিয়েও ভিন্ন রকম তথ্য পাওয়া গেছে। কেয়ারটেকার দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, চাবি অতিরিক্ত হিসাব রক্ষক আল আমিনের কাছে থাকে। অন্যদিকে আল আমিনের সঙ্গে কেয়ারটেকারের ফোনে কথোপকথনের সময় তিনি (আল-আমিন) দেলোয়ারকে বলেছেন চাবি জামিলা খালার কাছে আছে।

    জামিলা বেগমের পারিবারিক অবস্থান নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। তার সৎ ছেলে রুহুল আমিন জানিয়েছেন, জামিলা তার অসুস্থ বাবার সাথে থাকেন না। তিনি অভিযোগ করেন, টিটিসির ভেতরে আল আমিনের সঙ্গে জামিলার পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন আল-আমিন ও জামিলা বেগম।

    পাশাপাশি অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল মামুন বলেন, জামিলা বেগমের সাথে আল আমিনের কোনো অনৈতিক সম্পর্ক নেই। তিনি ৫০ বছরের বেশি বয়সের একজন নারী। জরুরিকাজে তাকে মোটরসাইকেলে নিয়ে কোথাও যাওয়া এটা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।

    সার্বিক বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম জানিয়েছেন, এসব বিষয়ে এখনও কেউ আমার কাছে কোন অভিযোগ দায়ের করেননি। তারপরেও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করা হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    অনিশ্চয়তার কুয়াশায় ঢাকা-দিল্লি: নতুন পররাষ্ট্রনীতির অগ্নিপরীক্ষা

    আগস্ট 23, 2026
    বাংলাদেশ

    রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শুভেচ্ছা জানাল ফিলিস্তিন

    আগস্ট 23, 2026
    বাংলাদেশ

    কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, দুই দূতাবাসে হুমকির ই-মেইল নিয়ে যা বলছে পুলিশ

    আগস্ট 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.