Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নয় বছর পরও রোহিঙ্গাদের সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
    বাংলাদেশ

    নয় বছর পরও রোহিঙ্গাদের সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

    নিউজ ডেস্কUpdated:আগস্ট 25, 2026আগস্ট 25, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ সামরিক দমন-পীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জীবনে নয় বছর পেরিয়েও ফেরার কোনো নিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একের পর এক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি।

    ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানের পর রোহিঙ্গাদের বিশাল ঢল বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু করে। বেঁচে ফেরা রোহিঙ্গাদের বর্ণনায় উঠে এসেছে হত্যা, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া এবং ধর্ষণের মতো ভয়াবহ নির্যাতনের কথা। জীবন বাঁচাতে তারা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

    সেই সময় বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা, কূটনৈতিক চাপ এবং মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেখা গেলেও বাস্তবে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। বরং নয় বছর পরও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বাড়ছে।

    জাতিসংঘের হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের শিবিরগুলোতেই রয়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। শিবিরগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে ২০২৪ সালের শুরু থেকে আনুমানিক আরও ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

    অর্থাৎ যে সংকটের সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বছরের পর বছর আলোচনা চলছে, সেই সংকটের বিস্তার এখনো থামেনি।

    প্রত্যাবাসন নিয়ে এত উদ্যোগ, তবু ফল শূন্য

    রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে গত নয় বছরে অন্তত পাঁচটি বড় ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো উদ্যোগই শেষ পর্যন্ত টেকসই সমাধান আনতে পারেনি।

    প্রথম বড় উদ্যোগটি আসে ২০১৭ সালে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য দ্বিপক্ষীয় একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। এরপর কয়েক দফা আলোচনা হলেও প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হয়নি।

    এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও অধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তা। মিয়ানমারে ফিরে গেলে তাদের কী ধরনের মর্যাদা দেওয়া হবে, কোথায় বসবাস করতে হবে এবং ভবিষ্যতে আবার নির্যাতনের শিকার হতে হবে কি না—এসব প্রশ্নের কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা তৈরি হয়নি।

    ফলে প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকা তৈরি বা আলোচনা এগোলেও বাস্তবে একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো যায়নি।

    জাতিসংঘের উদ্যোগেও তৈরি হয়নি আস্থা

    ২০১৯ সালে আরেকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিকে যুক্ত করে রাখাইন রাজ্যে এমন পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যাতে রোহিঙ্গারা নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসইভাবে নিজেদের দেশে ফিরতে পারে।

    কিন্তু সেই উদ্যোগও কাঙ্ক্ষিত ফল আনতে পারেনি।

    এর মধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। রাখাইন রাজ্যে সংঘাত চলতে থাকায় সেখানে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

    অর্থাৎ প্রত্যাবাসনের জন্য যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রয়োজন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত সেটিকেই বারবার বাধাগ্রস্ত করছে।

    চীনের মধ্যস্থতাও সফল হয়নি

    ২০১৯ সালেই বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয় চীন। উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এগিয়ে নেওয়া।

    বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাবাসন শুরুর চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। রোহিঙ্গাদের মধ্যে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থার সংকট ছিল সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি।

    নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত হওয়ার বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা ছাড়া তারা ফিরে যেতে রাজি হয়নি। ফলে ত্রিপক্ষীয় আলোচনাও শেষ পর্যন্ত প্রত্যাবাসনের বাস্তব পথ তৈরি করতে পারেনি।

    বিচার ও জবাবদিহির পথেও ধীরগতি

    রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আরেকটি পথ ছিল আন্তর্জাতিক বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

    গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়েছে।

    ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কৌঁসুলিরা মিয়ানমারের তৎকালীন সামরিক প্রধান এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন ও নিপীড়নের ঘটনায় তার অপরাধমূলক দায় থাকার যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

    তবে এখনো সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়নি।

    ফলে বিচারিক প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ তৈরি করলেও এর প্রভাব এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বাস্তব পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি।

    নিষেধাজ্ঞাতেও মিয়ানমারকে ফেরানো যায়নি

    পশ্চিমা দেশগুলো মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী, শীর্ষ কর্মকর্তাদের এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

    উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়িয়ে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে বাধ্য করা।

    কিন্তু সেই চাপও প্রত্যাশিত ফল দেয়নি। মিয়ানমার বিকল্প অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

    ফলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে মিয়ানমারকে বাধ্য করা যায়নি।

    কক্সবাজারে বাড়ছে মানবিক সংকট

    এদিকে প্রত্যাবাসনের পথ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করছে বাংলাদেশ।

    বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে কক্সবাজারের পাহাড়ি ঢালে গড়ে ওঠা শিবিরগুলোতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বছরের পর বছর ধরে বসবাস করছে।

    শিবিরগুলোর পরিবেশও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ধস ও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা থাকে। গ্রীষ্মকালে সেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

    এর মধ্যেই একটি প্রজন্ম শিবিরের সীমাবদ্ধ পরিবেশে বেড়ে উঠছে। যে শিশুদের জন্ম হয়েছে বাংলাদেশে, তাদের অনেকের কাছে মিয়ানমার এখন শুধু পরিবারের সদস্যদের মুখে শোনা একটি দেশ।

    শিবিরে জন্ম নেওয়া প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোথায়

    রোহিঙ্গা সংকটের সবচেয়ে গভীর দিকগুলোর একটি হলো শিশুদের ভবিষ্যৎ।

    শিবিরে বেড়ে ওঠা শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা এই তরুণ প্রজন্মের সামনে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

    ১৩ বছর বয়সী কুতুপালংয়ের ক্যাম্প ৬-এর রোহিঙ্গা কিশোরী ফাতেমা বিবির কথায় সেই হতাশাই ফুটে উঠেছে।

    তার ভাষায়, মিয়ানমারে থাকতে পারলে পড়াশোনা করে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বাধীনতা থাকত। কিন্তু শরণার্থী হিসেবে তারা নিজেদের পছন্দমতো শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে না।

    এই বক্তব্য শুধু একজন শিশুর ব্যক্তিগত হতাশা নয়। এটি এমন একটি প্রজন্মের সংকট, যারা নিজেদের জন্মভূমিতে ফিরতে পারছে না, আবার আশ্রয় নেওয়া দেশেও স্থায়ী ভবিষ্যৎ গড়ার নিশ্চয়তা পাচ্ছে না।

    ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রাই হয়ে উঠছে বিকল্প

    শিবিরজীবনের দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা অনেক রোহিঙ্গাকে বিপজ্জনক পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে।

    নারী ও শিশুসহ শত শত রোহিঙ্গা সমুদ্রপথে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। এই যাত্রাগুলোর অনেকগুলোই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পথে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

    নিজেদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ খুঁজতে গিয়ে জীবনকে এমন ঝুঁকির মধ্যে ফেলার ঘটনা দেখিয়ে দেয়, শিবিরের বর্তমান পরিস্থিতি তাদের কাছে কতটা অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

    আন্তর্জাতিক সহায়তাও কমছে

    রোহিঙ্গাদের জন্য আরেকটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমে যাওয়া।

    করোনাভাইরাস মহামারির পর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মানবিক সহায়তার অর্থায়নেও।

    ফলে রোহিঙ্গাদের প্রয়োজন বাড়লেও আন্তর্জাতিক সহায়তার পরিমাণ কমছে।

    বাংলাদেশ নিজেও কয়েক বছর ধরে জ্বালানি সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো অর্থনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ১২ লাখ শরণার্থীর দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব বহন করা দেশের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

    ২০২৬ সালের সহায়তার আবেদনও কমেছে

    রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ সালের সংশোধিত যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চাওয়া হয়েছে।

    এই অর্থ দিয়ে বাংলাদেশে বসবাসরত সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

    তবে এই আবেদন ২০২৫ সালের তুলনায় কম। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এবারের পরিকল্পনাটি মূলত ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর নির্ভর করছে।

    অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন, শিক্ষা কিংবা ভবিষ্যৎ গড়ার মতো প্রয়োজনের চেয়ে এখন মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ন্যূনতম মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা।

    নতুন চিন্তার প্রয়োজন দেখছেন বিশেষজ্ঞরা

    এতগুলো উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছেন, পুরোনো কাঠামোর বাইরে গিয়ে নতুন ধরনের সমাধান খুঁজতে হবে।

    বিকল্প ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেছেন সেন্টার ফর অলটারনেটিভসের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ। তিনি ‘আরাকান স্থিতিশীলতা পরিকল্পনা’ নামে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন।

    তার মতে, এতদিন যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেগুলো মিয়ানমারের সমাজের জন্য যথেষ্ট অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারেনি। ফলে মিয়ানমারকে কেবল চাপ দেওয়ার পরিবর্তে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

    এই পরিকল্পনায় কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জ্বালানি, অবকাঠামো ও উৎপাদন খাতে মিয়ানমারকে অর্থনৈতিক প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    তবে একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

    তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়কেই তা এগিয়ে নিতে হবে।

    বাংলাদেশ আর একা এই বোঝা বহন করতে চায় না

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উচ্চপর্যায়ের এক সংলাপে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, মানবিক সহায়তা দিতে দিতে একসময় যেন বিশ্বের মধ্যে ক্লান্তি তৈরি হয়ে মানবিক দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পরিস্থিতি না হয়।

    তার বক্তব্যের মূল বার্তা হলো, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পাশে থাকবে, কিন্তু এই দায়িত্ব একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা উচিত নয়।

    এটি শুধু অর্থনৈতিক সহায়তার প্রশ্ন নয়। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক চাপও অব্যাহত রাখতে হবে।

    সমাধান ছাড়া সময়ই এখন সবচেয়ে বড় শত্রু

    রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর পূর্ণ হওয়া আসলে একটি দীর্ঘস্থায়ী মানবিক ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরছে।

    ২০১৭ সালে যারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে এসেছিল, তাদের অনেকেই এখনো সেই একই অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তাদের সন্তানরা শিবিরে বড় হচ্ছে। নতুন করে আরও মানুষ বাংলাদেশে আসছে। অথচ প্রত্যাবাসনের বাস্তব প্রক্রিয়া শুরুই করা যায়নি।

    এদিকে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমছে, শিবিরে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং বাংলাদেশের ওপর চাপও ক্রমেই গভীর হচ্ছে।

    এ অবস্থায় শুধু নতুন বৈঠক, নতুন প্রতিশ্রুতি কিংবা নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ যথেষ্ট হবে না। প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মতো বাস্তব পরিবর্তন প্রয়োজন।

    রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সমাধান এখনো নিজেদের দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে ফিরে যাওয়া। কিন্তু নয় বছর পরও সেই পথ অন্ধকার।

    আর যত বেশি সময় পার হচ্ছে, সংকটটি শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং পুরো অঞ্চলের জন্যই তত বড় ও জটিল হয়ে উঠছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    একরাম হত্যা মামলা: বদি-মিফতাহসহ চারজন কারাগারে, সাতজনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    আগস্ট 25, 2026
    বাংলাদেশ

    মাঠে ফলন, বাজারে বাধা: কাগজের দেয়ালে বন্দি বাংলাদেশের কৃষি

    আগস্ট 25, 2026
    বাংলাদেশ

    ৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

    আগস্ট 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.