ঢাকা: আসন্ন রবি মৌসুমে বোরো ধান, গম ও আলুর বীজ বিতরণের কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) একটি দুই দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে বিএডিসির সদর দপ্তরের সেমিনার কক্ষে এ কর্মশালা শুরু হয়, যা আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) শেষ হবে।
বিএডিসির বীজ বিতরণ বিভাগ আয়োজিত এই কর্মশালায় সারা দেশের মাঠপর্যায়ের বীজ বিতরণ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সদর দপ্তরের বিভিন্ন বিভাগ ও উইং প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় বক্তারা কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলেন, কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন না ঘটলে সামগ্রিক উন্নয়ন কখনোই টেকসই হবে না। সরকারের আধুনিক ও স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থা বিনির্মাণে কৃষকের দোরগোড়ায় মানসম্পন্ন বীজ সময়মতো পৌঁছে দেওয়াকে জরুরি বলে মনে করেন তারা।
কর্মশালায় বীজ উৎপাদন থেকে শুরু করে সরবরাহ পর্যন্ত সব পর্যায়ে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, অঞ্চলভেদে উপযোগী ফসলের বীজ যেন রোপণ মৌসুম শুরুর আগেই কৃষকের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
হয়রানিমুক্ত ও নির্ধারিত মূল্যে বীজ পাবেন কৃষকরা
বিএডিসি চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলামের নির্দেশনার আলোকে কৃষকরা যাতে হয়রানিমুক্ত হয়ে নির্ধারিত মূল্যে বিএডিসির বীজ পেতে পারেন, সে ব্যাপারে কঠোর মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানান অংশগ্রহণকারীরা।
কর্মশালায় বীজ বিতরণ কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বিএডিসির বীজ বিতরণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক কৃষিবিদ মো. সেলিম হায়দার।
উল্লেখ্য, বিএডিসি দেশের কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংস্থাটি বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম কৃষি সেবা ও উপকরণ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।

