মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মানচিত্রে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের বিল ঠিকই এসে পৌঁছায় গাজীপুরের কারখানায়, বগুড়ার কৃষকের জমিতে, ঢাকার বাসভাড়ায়, হাসপাতালের জেনারেটরে এবং শেষ পর্যন্ত মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে।
হাজার কিলোমিটার দূরে একটি জাহাজ আটকে যায়, এলএনজি এর দাম বাড়ে; কয়েক সপ্তাহ পর বাংলাদেশের কোনো কারখানায় শিফট কমে যায়। আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম বাড়ে; কয়েক মাস পর কোনো কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ে। তেলের দাম বাড়ে; তারপর পরিবহন থেকে চাল-ডাল পর্যন্ত প্রায় সবকিছুর দাম একটু একটু করে ওপরে ওঠে। জিওপোলিটিক্স শেষ পর্যন্ত মানচিত্রে থাকে না, একসময় এসে মানুষের মাসের বাজারের হিসাব হয়ে যায়।
এখন বিশ্বব্যাংক আশঙ্কা করছে, এই সংকট দীর্ঘ হলে বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ছয় লাখ। কাগজে সংখ্যাটা লিখতে কয়েক সেকেন্ড লাগে। কিন্তু ছয় লাখ চাকরির সঙ্গে জড়িয়ে আছে কয়েক লাখ পরিবার। কারও বাড়িভাড়া, কারও সন্তানের স্কুলের ফি, কারও বৃদ্ধ মায়ের ওষুধ, কারও কৃষিঋণের কিস্তি, কারও মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরিকল্পনা।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে একটি যুদ্ধ হলে বাংলাদেশের ছয় লাখ মানুষের চাকরি এত সহজে ঝুঁকিতে পড়ে কেন? এখন এটা বুঝতে হলে, আমাদেরকে external shock আর কাঠামোগত দুর্বলতার পার্থক্যটা বোঝা দরকার।
হ্যাঁ, যুদ্ধ বাংলাদেশ শুরু করেনি, আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বা এলএনজি এর দামও বাংলাদেশ ঠিক করে না। যুদ্ধ বরং আগে থেকে থাকা দুর্বলতাগুলোর ওপর একটি stress test চালাচ্ছে। ঝড় সবার ওপর দিয়েই যায়, কিন্তু কার ঘরের ছাদ উড়ে যাবে, সেটা অনেকটাই নির্ভর করে ঝড়ের আগে ঘরটি কতটা শক্ত ছিল।
বাংলাদেশ এই সংকটে পড়েছে এমন সময়ে, যখন অর্থনীতি আগে থেকেই যথেষ্ট নাজুক। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮.৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ২১.৪ শতাংশে উঠেছে। শুধু ২০২৫ সালেই প্রায় ১৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন।
২০২৫–২৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩.৯ শতাংশে নেমে আসার পূর্বাভাস রয়েছে। ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত ছিল ৩০.৬ শতাংশ, আর কর ও মোট দেশজ উৎপাদনের অনুপাত নেমেছে ৭ শতাংশের নিচে।
যুদ্ধ না হলে ২০২৬ সালে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা ছিল। এখন সেই সংখ্যা নেমে আসতে পারে মাত্র ৫ লাখে। অর্থাৎ অর্থনীতির ক্ষতি শুধু নতুন করে কতজন দরিদ্র হলেন, তা দিয়ে মাপা যায় না। কতজন দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারতেন, কিন্তু পারলেন না, সেটাও অর্থনৈতিক ক্ষতি।
উন্নয়ন অর্থনীতিতে তাই দারিদ্র্য আর অর্থনৈতিক ঝুঁকিপ্রবণতা এক বিষয় নয়। ধরুন, একটি পরিবারের মাসিক আয় ৪৫ হাজার টাকা। সরকারি হিসাবে পরিবারটি দরিদ্র নয়, মোটামুটি সংসার চলছে। হঠাৎ উপার্জনকারী মানুষটির কারখানায় কাজের পালা কমে গেল। মাসিক আয় কমল ৮ হাজার টাকা। একই সময়ে বাজার খরচ বাড়ল ৩ হাজার, বাসভাড়া বাড়ল, বাবার ডায়াবেটিসের ওষুধও কিনতে হচ্ছে।
পরিবারটি পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আনুষ্ঠানিকভাবে দরিদ্র হয়ে যায় না। প্রথমে বাইরে খাওয়া বন্ধ হয়। তারপর মাছ মাংস কমে। এরপর সন্তানের কোচিং বন্ধ হয়। নিজের চিকিৎসা আরেক মাস পিছিয়ে যায়। তারপর সঞ্চয়ে হাত পড়ে। সঞ্চয় শেষ হলে শুরু হয় ঋণ।
দারিদ্র্য সবসময় দরজায় কড়া নাড়ে না, সংসারের কয়েকটি ছোট ছোট সিদ্ধান্তের ভেতর দিয়ে নিঃশব্দে ঢুকে পড়ে। এখন বিষয় হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ওই পরিবারের খাবার টেবিল পর্যন্ত রাস্তাটা এত ছোট হলো কীভাবে?
একটা খুব সাধারণ চেইন দেখুন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বাড়ল। এলএনজি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলো। দাম বাড়ল। বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বাড়ল। গ্যাসের সরবরাহ কমল। কারখানা পূর্ণ উৎপাদনক্ষমতায় চলতে পারল না। উৎপাদন ব্যয় বাড়ল। প্রথমে অতিরিক্ত কাজের সুযোগ বন্ধ হলো, এরপর কাজের পালা কমল, নতুন নিয়োগ বন্ধ হলো। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে শুরু হলো শ্রমিক ছাঁটাই।
অর্থাৎ হরমুজ প্রণালির ভূরাজনীতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই গাজীপুরের একজন শ্রমিকের বেতনখাতায় এসে হাজির হতে পারে।
বাংলাদেশ তার আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ এবং এলএনজির ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে সংগ্রহ করে। ইতোমধ্যে পেট্রোবাংলার ছয়টি এলএনজি সরবরাহ চুক্তির পাঁচটিতে অনিবার্য পরিস্থিতিজনিত চুক্তি পালনে অক্ষমতা বা ফোর্স মেজর ঘোষণা করা হয়েছে। খোলাবাজারে এলএনজির দাম প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে ২৪ থেকে ২৮ ডলারে উঠেছে, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।(দ্য ডেইলি স্টার)
যে কারণে,জ্বালানি নিরাপত্তাকে বিদ্যুৎ আছে কি নেই, সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ রাখা ভুল। কর্মসংস্থান, খাদ্য এবং জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তাও জ্বালানি নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত। তাহলে আমরা কেন সংকট সহনশীল জ্বালানি ব্যবস্থা তৈরি না করে ঋণ নিয়ে আমদানিনির্ভর দুর্বলতাকে টিকিয়ে রাখছি?
বর্তমান সংকটে এলএনজি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত ৩৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজনীয়। কিন্তু জরুরি অর্থায়ন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মতো। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র আর আগুন প্রতিরোধের পরিকল্পনা কিন্তু এক বিষয় না।
প্রতিবার যুদ্ধ হলে ঋণ নিয়ে এলএনজি কিনব, ভর্তুকি বাড়াব এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা করব, এটি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশল হতে পারে না। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, উৎসের বৈচিত্র্য এবং মজুত সক্ষমতা নিয়ে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কোথায়?
কৃষিতে ঝুঁকিটা আরও সরাসরি। বাংলাদেশের কৃষিতে হেক্টরপ্রতি প্রায় ৩৯১.৯ কেজি সার ব্যবহৃত হয় এবং প্রয়োজনীয় সারের ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর।
গ্যাসের সংকটে ইউরিয়া উৎপাদন কমলে আমদানি বাড়ে; একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম বাড়লে ভর্তুকি ও কৃষকের উৎপাদন খরচ দুটোই বাড়ে। শেষে বাড়ে চাল, সবজি ও অন্যান্য খাবারের দাম। যুদ্ধ হয় মধ্যপ্রাচ্যে, বিল দেন রংপুরের কৃষক। বিশ্বায়নের সুবিধা যেমন সীমান্ত পেরিয়ে আসে, তার ঝুঁকিও ঠিক একই রাস্তা ধরে ঘরে ঢোকে।
মূল্যস্ফীতিকেও শুধু ৮ বা ৯ শতাংশের সংখ্যা দিয়ে বোঝা যায় না। একই ৯ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ধনী ও দরিদ্রের জীবনে একই প্রভাব ফেলে না। উচ্চ আয়ের মানুষ রেস্তোরাঁয় খাওয়া বা ছুটি কমাতে পারেন; নিম্ন আয়ের পরিবার কমায় মাছ, মাংস, চিকিৎসা কিংবা সন্তানের পড়াশোনার খরচ।
এখানে এসে, মূল্যস্ফীতি monetary phenomenon থেকে হয়ে যায় class experience বা শ্রেণিভেদে ভিন্নভাবে অনুভূত একটা সামাজিক বাস্তবতা।
আর সেখান থেকেই আজকের জ্বালানি সংকট আগামী দিনের অন্য সংকট তৈরি করতে পারে। বাবার চাকরি গেল। মেয়েটির কোচিং বন্ধ হলো। তারপর কলেজের পর আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলো না। পরিবারের পুষ্টি কমল। মায়ের চিকিৎসা পিছিয়ে গেল। অর্থনীতিতে এগুলোকে পরিবারের সংকট মোকাবিলার কৌশল বলা হয়। বাস্তবে একটা পরিবার আজকের ধাক্কা সামলাতে গিয়ে আগামী দশ বছরের মানবসম্পদ নষ্ট করে ফেলতে পারে।
সুতরাং, আজকের এলএনজি সংকট শুধু আজকের বিদ্যুৎ বিল না। এটা আগামী দিনের অপুষ্টি, শিক্ষাবিচ্যুতি ও intergenerational poverty তৈরি করতে পারে।
সামাজিক সুরক্ষাতেও একই প্রশ্ন। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২২ সালে দরিদ্রতম পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেক কোনো সামাজিক সহায়তা পায়নি, অথচ সবচেয়ে ধনী পরিবারগুলোর প্রায় ৩৫ শতাংশ কোনো না কোনো সুবিধা পেয়েছে।
ধরুন, রাষ্ট্র সবার বিদ্যুৎ বা জ্বালানির দাম ভর্তুকি দিয়ে কমিয়ে রাখল। দরিদ্র মানুষ সুবিধা পেলেন, ঠিক। কিন্তু যে বাড়িতে তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র এবং দুটি গাড়ি আছে, সেই পরিবারও একই ভর্তুকিপ্রাপ্ত ব্যবস্থার সুবিধা পেল। তাই সবার জন্য নির্বিচার ভর্তুকির বদলে জানা উচিত, রাষ্ট্রের খরচ করা প্রতি ১০০ টাকার কত টাকা সেই মানুষের কাছে যাচ্ছে, যার সত্যিই টাকাটা প্রয়োজন?
বিশেষ করে যখন আমাদের কর থেকে মোট দেশজ উৎপাদনের অনুপাত ৭ শতাংশেরও নিচে, তখন প্রতিটি সরকারি টাকার বিকল্প ব্যবহারমূল্য আছে। জ্বালানি ভর্তুকিতে যে টাকা যাচ্ছে, সেই একই টাকা হাসপাতাল, স্কুল, নগদ সহায়তা, কৃষি কিংবা কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে একসঙ্গে খরচ করা যায় না। বাজেট যতটা হিসাবের খাতা তার চেয়েও বেশি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের নৈতিক দলিল এই বাজেট।
বর্তমান সরকারের সামনে অবশ্যই কঠিন বাস্তবতা আছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানির দাম জনগণের ওপর পুরোটা ছেড়ে দিলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। ভর্তুকি দিলে সরকারি অর্থব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়বে। শিল্পকে গ্যাস না দিলে কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আবার গ্যাস কিনতে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করলে রিজার্ভের ওপর চাপ পড়বে।
এখানে কোনো জাদুর বোতাম নেই। এ কারণে বর্তমান সরকারের জরুরি অর্থায়ন নেওয়া, খাদ্যনিরাপত্তা ও জীবিকা সহায়তা দেওয়া এবং ব্যাংকিং খাত সংস্কারের উদ্যোগগুলো প্রয়োজনীয়। সংকট ব্যবস্থাপনা করতেই হবে।
একই সঙ্গে “আগের সরকারের কাছ থেকে সমস্যা পেয়েছি” কথারও সীমা আছে। ক্ষমতায় আসার পর উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যাও সরকারের সমস্যা।
বাংলাদেশের উন্নয়ন মডেল নিয়েও কনসার্ন আছে। মোট দেশজ উৎপাদন বাড়লেই কি উন্নয়ন? যদি মোট দেশজ উৎপাদন বাড়ে কিন্তু ভালো চাকরি যথেষ্ট না বাড়ে, গ্র্যাজুয়েট তরুণরা কাজ না পায়, নারীরা শ্রমবাজার থেকে বেরিয়ে যায়, আর কয়েক কোটি মানুষ একটি অসুখ বা চাকরি হারানোর দূরত্বে দারিদ্র্যের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে সেই প্রবৃদ্ধি কতটা সহনশীল?
আমরা কি শুধু প্রবৃদ্ধি চাই, নাকি কর্মসংস্থানসমৃদ্ধ প্রবৃদ্ধি?
আমরা কি আরও এলএনজি আমদানির সক্ষমতা চাই, নাকি জ্বালানি সহনশীলতা? আমরা কি সবার জন্য ভর্তুকি চাই, নাকি সত্যিকার ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য সংকটসংবেদনশীল সামাজিক সুরক্ষা? আমরা কি আজকের দিনে কতজন দারিদ্র্যসীমার নিচে আছে সেটাই শুধু গুনব, নাকি কতজন মানুষ আগামীকাল একটি ধাক্কায় সেখানে পড়ে যেতে পারে, সেটাও দেখব?
ছয় লাখ চাকরি অর্থনীতিবিদের স্প্রেডশিটে ছয় লাখ তথ্যবিন্দু। বাস্তবে এর অভিঘাত বহুগুণ বড়। একজনের চাকরি গেলে একটা আয় কমার সাথে সাথে কমে একটা পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা, সঞ্চয় এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যয়। সেই পরিবারের বাজার খরচ কমলে তার প্রভাব পড়ে দোকানদার থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পর্যন্ত আরও অনেকের আয়ে। অর্থাৎ চাকরি হারানোর ক্ষতি ব্যক্তিতে থামে না, অর্থনীতির ভেতর ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহৎ অর্থনীতির ধাক্কা শেষ পর্যন্ত বৃহৎ থাকে না। একসময় সেটা কারও রান্নাঘরে এসে একান্ত ব্যক্তিগত হয়ে যায়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধ করা বাংলাদেশের হাতে নেই। পৃথিবীর পরবর্তী যুদ্ধ, মহামারি, পণ্যবাজারের সংকট কিংবা বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার ব্যাঘাতও আমরা ঠেকাতে পারব না। কিন্তু পরের ঝড়টি যখন আসবে, তখন আমাদের ঘরের ছাদটা আজকের চেয়ে শক্ত থাকবে কি না, সেটা আমাদের হাতে।
গবেষক ও সমাজবিজ্ঞানী ড. লুবণা ফেরদৌসি তুঋণ এর ফেসবুক পোস্ট অনুসারে লেখা।

