Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, সেপ্টে. 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দাম বেড়েছে তেলের, ফায়দা লুটছে কারা—শিকার হচ্ছে কে?
    বাংলাদেশ

    দাম বেড়েছে তেলের, ফায়দা লুটছে কারা—শিকার হচ্ছে কে?

    এফ. আর. ইমরানসেপ্টেম্বর 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    প্রতীকি ছবি/ এআই
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন খাতে চাপ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই ব্যয়ের সমন্বয়ের নামে সাধারণ যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

    সরকার ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণের পর বাস ভাড়া সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর হিসাব অনুযায়ী, ডিজেলচালিত সাধারণ বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা এবং মিনিবাসের ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৫৯ পয়সা হওয়ার কথা। দূরপাল্লার পথে ৫২ আসনের বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    কিন্তু প্রশ্ন হলো, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে কেন সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে?

    তাহলে গেজেটে নির্ধারিত ভাড়া কি শুধু কাগজেই থাকবে, নাকি মাঠ পর্যায়ে তা বাস্তবায়ন হবে?

    কারণ বাংলাদেশের গণপরিবহন ব্যবস্থায় অতীত অভিজ্ঞতা খুব সুখকর নয়। কারণ, অতীতে সরকার ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও বাস্তবে তার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবার জ্বালানির দাম কমলেও অনেক ক্ষেত্রে ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় না। ফলে সাধারণ যাত্রীদের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়- দাম বাড়লে ভাড়া বাড়ে, কিন্তু দাম কমলে সুবিধা কোথায় যায়?

    ভাড়া বাড়ানোর নিয়ম বনাম বাস্তব চিত্র

    জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর ভাড়া নির্ধারণের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। বিআরটিএর ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটি জ্বালানির দাম, যানবাহনের পরিচালন ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে ভাড়া নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়। এবার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অন্যান্য খরচ যুক্ত না করে শুধু জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

    সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১ টাকা বাড়লে বাস ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি প্রায় ১ পয়সা বাড়ানোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়। এবার ডিজেলের দাম ২০ টাকা বাড়ায় বিআরটিএ কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় তা কমিয়ে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে।

    বিআরটিএ সূত্র বলছে, দূরপাল্লা এবং শহরের কোন পথে, কত দূরত্বে ভাড়া কেমন হবে – দু–এক দিনের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    কিন্তু বাস্তবতা হলো, পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ কারর আগেই অনেক জায়গায় বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনাল থেকে শুরু করে দূরপাল্লার কিছু পরিবহনে গেজেট প্রকাশকে কেন্দ্র করে নির্ধারিত টাকার থেকেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    কোথাও কোথাও ১০০ টাকা বা তারও বেশি ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। যেমন ঢাকা-বরিশাল রুটে একটি পরিবহনে ১০০ টাকা বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যেখানে হিসাব অনুযায়ী বাড়ার কথা ছিল প্রায় ৩০ টাকার মতো।

    প্রশ্ন হলো, সরকার যখন ১৭ পয়সা হিসাব করে ভাড়া নির্ধারণ করছে, তখন কয়েক গুণ বেশি ভাড়া নেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে কীভাবে?

    জ্বালানি সংকটের সুযোগে কারা বাড়তি লাভ করছে?

    সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবকে কেন্দ্র করে শুধু ডিজেলচালিত বাস নয়, অন্য অনেক পরিবহনেও ভাড়া বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    গ্যাসচালিত যানবাহনের ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ উঠেছে। যদিও এসব যানবাহনের জ্বালানি খরচ ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, তবুও কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    এখানেই তৈরি হয় বড় প্রশ্ন- একটি নির্দিষ্ট জ্বালানির দাম বাড়লে সব ধরনের যানবাহনের ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ কে তৈরি করছে?

    অবশ্য পরিবহন মালিকদের যুক্তি হলো, গত কয়েক বছরে গাড়ির যন্ত্রাংশ, রক্ষণাবেক্ষণ, শ্রমিক ব্যয়সহ বিভিন্ন খরচ বেড়েছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া সমন্বয় হয়নি।

    এই যুক্তির কিছু বাস্তব ভিত্তি থাকতে পারে। কিন্তু ভাড়া বাড়ানোর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম থাকার পরও যদি প্রত্যেকে নিজের মতো করে ভাড়া নির্ধারণ করে, তাহলে পুরো ব্যবস্থার ওপরই প্রশ্ন তৈরি হয়।

    কারণ সংকটের সময়ে সবচেয়ে সহজ শিকার হন ‘সাধারণ যাত্রীরা’।

    সাধারণ মানুষের ওপর বাড়ছে জীবনযাত্রার চাপ

    পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি শুধু বাসযাত্রার খরচ বাড়ায় না; এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে পুরো অর্থনীতিতে।

    পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়লে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার চাপ তৈরি হয়। কৃষিপণ্য, খাদ্যদ্রব্য, শিল্পপণ্যসহ সব ক্ষেত্রেই পরিবহন খরচ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    অন্যদিকে, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের আয় একই গতিতে না বাড়লেও যাতায়াত ব্যয় বাড়তে থাকে।

    একজন শ্রমজীবী মানুষ, একজন শিক্ষার্থী, একজন চাকরিজীবী বা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী – যাদের প্রতিদিন গণপরিবহনের ওপর নির্ভর করতে হয়, তাদের জন্য প্রতিদিনের বাড়তি ভাড়া মাস শেষে বড় আর্থিক চাপ তৈরি করে।

    প্রশ্ন হলো, অর্থনৈতিক সংকটের সময় চাপ কেন সবসময় সাধারণ মানুষের জীবনেই পড়ে?

    সরকার জ্বালানি মূল্য সমন্বয় করছে, কিন্তু একই সঙ্গে ভোক্তার সুরক্ষা নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা কতটা করছে? এর উত্তর আদৌও কী মিলবে?

    নজরদারি কোথায়, জবাবদিহিতা কার?

    গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়; এর বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

    বিআরটিএর দায়িত্ব হলো নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা তদারকি করা। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় দেখা যায়, যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিলেও অভিযোগ জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা থাকে না।

    একজন সাধারণ যাত্রী প্রতিদিন বাসে উঠে ভাড়া নিয়ে বিতর্ক করতে পারেন না। কারণ তার গন্তব্যে পৌঁছানো জরুরি। এই দুর্বলতার সুযোগ নেয় কিছু অসাধু পরিবহন মালিক বা শ্রমিক।

    তাই প্রয়োজন—

    • নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও তদারকি;
    • অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা;
    • প্রতিটি বাসে নির্ধারিত ভাড়া তালিকা প্রদর্শন;
    • যাত্রী অভিযোগের কার্যকর ব্যবস্থা;
    • পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের জবাবদিহিতা।

    কারণ শুধু গেজেট প্রকাশ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। গেজেটের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করাই আসল কাজ।

    জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি: প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নাকি ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা?

    সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    অন্যদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো প্রশ্ন তুলছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দীর্ঘদিন লাভ করেছে, সেই সময়ের সঞ্চিত অর্থ সংকটের সময়ে কীভাবে ব্যবহার করা যেত, তা আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন ছিল কি না।

    এখানে মূল বিষয় হলো, জ্বালানি খাতের সিদ্ধান্ত শুধু মূল্য নির্ধারণের বিষয় নয়; এটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের ওপর চাপ কমানোর নীতির সঙ্গেও যুক্ত।

    একটি দায়িত্বশীল ব্যবস্থায় মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের ওপর এর প্রভাব কমানোর পরিকল্পনাও থাকতে হয়।

    সংকট কার, লাভ কার?

    জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বাড়বে- এটি বাস্তবতা। কিন্তু সেই সুযোগে যদি কেউ অযৌক্তিকভাবে বাড়তি ভাড়া নেয়, তাহলে সেটি আর অর্থনৈতিক বাস্তবতা থাকে না; সেটিই হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার নতুন ফাঁদ।

    আজকের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—

    • গেজেটে নির্ধারিত ভাড়া কেন মাঠে কার্যকর করতে এত সমস্যা হয়?
    • সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বাড়তি টাকা নেওয়ার সাহস কোথা থেকে আসে?
    • সংকটের সময় সাধারণ মানুষের পকেট রক্ষার দায়িত্ব কার?
    • নজরদারি ব্যবস্থা কি শুধু কাগজে, নাকি বাস্তবেও আছে?

    জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়তো অর্থনৈতিক বাস্তবতার অংশ। কিন্তু সেই বাস্তবতার আড়ালে কেউ যেন অতিরিক্ত লাভের নতুন ফাঁদ তৈরি করতে না পারে- সেদিকে গভীর নজরদারি প্রয়োজন।

    কারণ একটি রাষ্ট্রের সক্ষমতা শুধু মূল্য নির্ধারণে নয়; বরং মূল্যবৃদ্ধির সময় তার নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর বার্তায়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    র‌্যাব থেকে এসআরবি: নাম বদলালেই কি বদলাবে পুরোনো সমস্যার চিত্র?

    সেপ্টেম্বর 22, 2026
    অর্থনীতি

    জ্বালানি সংকটে বিপাকে নিট পোশাক খাত, কমেছে ৫৫ শতাংশ কারখানার অর্ডার

    সেপ্টেম্বর 22, 2026
    বাংলাদেশ

    এয়ারবাস বর্তমান সরকারের জন্য ‘পরীক্ষা’: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    সেপ্টেম্বর 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.