ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে রোববার সন্ধ্যার পর আট থেকে নয়টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছেন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন। পরে তাঁদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ইসরাফিল রতন জানান, সংঘবদ্ধভাবে আট থেকে নয়টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের ফটক, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের সড়কে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হয়।
টিএসসি থেকে পালানোর সময় আটক
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের আটক করেন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন।
এ সময় আটক ব্যক্তিদের মারধর করা হয়। পরে একই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটক তিনজন হলেন রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)। তাঁদের মধ্যে রেজাউলের বাড়ি নাটোর জেলায়, সোহেল রানার বাড়ি রাজশাহীতে এবং নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জে।
পরে তিনজনকেই শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

