চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচি পরীক্ষামূলকভাবে পরিবর্তন করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই পরিবর্তিত সময়সূচি আগামী ১০ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১ নম্বর) ট্রেনটি সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। নতুন সূচি অনুযায়ী এটি ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ছাড়বে।
অপরদিকে, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২২ নম্বর) ট্রেনটি বর্তমানে ছাড়ে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। নতুন সূচিতে এটি ১০টায় ছাড়বে।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের উপপ্রধান পরিচালন কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে রেলওয়ের সহকারী প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বর্তমানে দুই জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করছে। এছাড়া ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে চলাচল করে আরও দুটি আন্তনগর ট্রেন।
২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর কক্সবাজার রেলপথে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হয়। প্রথমে ঢাকা থেকে চালু হয় কক্সবাজার এক্সপ্রেস নামের একটি বিরতিহীন আন্তনগর ট্রেন। এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চালু হয় পর্যটক এক্সপ্রেস, সেটিও ঢাকা থেকে। তখন চট্টগ্রাম থেকে কোনো ট্রেন না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়, যা অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে ইঞ্জিন ও কোচ সংকটের অজুহাতে ৩০ মে ট্রেনটি বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে। স্থানীয়দের চাপের মুখে ১২ জুন ট্রেনটি আবার চালু হয়। এরপর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়মিতভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ষোলশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজরা ও রামু স্টেশনে থামবে। প্রবাল এক্সপ্রেস থামবে ষোলশহর, গোমদণ্ডী, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলহাজারা, ইসলামাবাদ ও রামু স্টেশনে।

