Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, মে 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অবহেলিত মায়েদের সেবায় অনন্য জ্যোৎস্নার ‘ওল্ড কেয়ার হোম’
    বাংলাদেশ

    অবহেলিত মায়েদের সেবায় অনন্য জ্যোৎস্নার ‘ওল্ড কেয়ার হোম’

    এফ. আর. ইমরানUpdated:আগস্ট 3, 2025আগস্ট 1, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    মূল ছবি থেকে এআই দিয়ে অনুরুপ কপি।
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    স্বামীকে বহু বছর আগে হারিয়েছেন রাবেয়া বেগম। ট্রেন দুর্ঘটনায় বড় ছেলের মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন অন্য সন্তানদের থেকেও। ৮০ বছর বয়সী এই নারী একসময় অর্ধাহারে দিন কাটাতে বাধ্য হন। ঠিক তখনই নিজের গ্রামে খুঁজে পান এমন এক জায়গা, যেখানে থাকা, খাওয়া, এমনকি পরনের কাপড় পর্যন্ত বিনামূল্যে মেলে।

    গত ১২ বছর ধরে তিনি থাকছেন যশোরের সমসপুর গ্রামের ‘ওল্ড কেয়ার হোম’-এ, যেখানে আরো অনেক অসহায় মায়ের সঙ্গে কেটে যাচ্ছে তাঁর শান্তিময় দিন।

    ভৈরব নদের পাড়ে পাঁচ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বৃদ্ধাশ্রমটি গড়ে তুলেছেন জ্যোৎস্না মুখার্জি। এই প্রাকৃতিক পরিবেশঘেরা ‘ওল্ড কেয়ার হোম’ হয়ে উঠেছে জীবনের শেষ অধ্যায়ে অসহায় নারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়।

    উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আশিকুজ্জামান তুহিন একাধিকবার প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃতির মাঝে এমন বৃদ্ধাশ্রমে থেকে মায়েদের মনেও প্রশান্তি আসে। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য।”

    ‘ওল্ড কেয়ার হোম’-এর একদিন-

    যশোর শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের মান্দারতলা বাজার পার হয়ে ভৈরব নদ পার করলেই মেলে সমসপুর গ্রামের অবস্থান। সেখানেই একটি এল-আকৃতির একতলা ভবনে ছয়টি কক্ষ, রান্নাঘর, চারটি শৌচাগারসহ রয়েছে আলাদা প্রার্থনাকক্ষ, দুটি টিভি, বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা। পাশেই রয়েছে আরো তিনটি কক্ষবিশিষ্ট টিনের ঘর।

    বর্তমানে সেখানে ২০ জন মা থাকেন। তাঁরা কেউ ‘আম্মু’ কেউ ‘খালা’ বলে ডেকে থাকেন জ্যোৎস্না মুখার্জিকে। তিনবেলা খাবার, জামা-কাপড়, জুতা, সাবান, টুথব্রাশ-পেস্ট, ওষুধ সবকিছুই নিয়মিত মেলে। চারজন চিকিৎসক মোবাইলে নিয়মিত পরামর্শ দেন, মাঝে মাঝে চিকিৎসাশিবিরও হয়।

    ছবি: প্রথম আলো

    টিনের ছাউনি থেকে পাকা ভবন-

    ১৯৯৮ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে স্বামীর সঙ্গে গিয়েছিলেন জ্যোৎস্না মুখার্জি। সেখানকার তিনটি বৃদ্ধাশ্রম দেখে নিজের গ্রামে এমন কিছু গড়ার স্বপ্ন দেখেন। ২০০১ সালে স্বামীর মৃত্যুতে কিছুটা থমকে গেলেও ২০০৮ সালে গ্রামের অসহায় বৃদ্ধাদের সেবা শুরু করেন তিনি। ২০১০ সালে বাবা বিশ্বনাথ গাঙ্গুলী পাঁচ বিঘা জমি লিখে দেন মেয়েকে, যা হয়ে ওঠে বৃদ্ধাশ্রমের ভিত্তি।

    ২০১২ সালে প্রথম ছয়টি টিনের ছাউনি কক্ষ তৈরি হয়। পরের বছরই আশ্রয় পান ৪০ জন মা। ২০১৪ সালে এটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধন পায়। এরপর জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় নতুন কক্ষ নির্মিত হয়। বর্তমানে ছয়টি কক্ষে ছাদ রয়েছে।

    আনন্দের মধ্যেই কাটে দিন-

    আবাসিকদের মধ্যে রয়েছেন ঝিনাইদহের আম্বিয়া বেগম (৬৮) ও মুরাদগড়ের রোকেয়া বেগম (৭৫)। তাঁদের ভাষায়, এখানকার পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, সুযোগ–সুবিধার অভাব নেই। নিয়মিত গল্প, গান, অনুষ্ঠান ও টিভি দেখার পাশাপাশি বছরে দুইবার বাইরে ঘুরতে যাওয়া হয়। নদের পাড়ে তৈরি টি হাউসে মাসে এক–দুবার হয় আড্ডা ও খাবারের আয়োজন। দাফনের জন্য আট শতক জমিও কিনে রাখা হয়েছে, যদি কোনো বাসিন্দার আত্মীয় না থাকে।

    নিজস্ব আয়েই চলে খরচ-

    জ্যোৎস্না মুখার্জির মোবাইল ব্যবসা না থাকলেও বর্তমানে বাজারে ভুসিমাল ব্যবসা ও বাড়িভাড়ার আয় রয়েছে। সেইসঙ্গে বৃদ্ধাশ্রমের জমিতে সবজি, ফল, বাঁশ, গরু, ছাগল, মুরগি, হাঁস ও কবুতরের চাষ থেকেও আয় হয়। মাঝে মাঝে কিছু অনুদান মেলে, জেলা প্রশাসন থেকে কিছু চালও পাওয়া যায়।

    স্থানীয় তিনজন নারী নামমাত্র সম্মানীতে দেখাশোনা করেন আশ্রমটি। মাসিক গড় খরচ ২০ হাজার টাকা। বাসিন্দারা নিজেরাও রান্না ও পরিষ্কারে সহায়তা করেন।

    ভবিষ্যতের স্বপ্ন-

    সীমানাপ্রাচীর না থাকায় কিছুটা উদ্বেগে থাকলেও জ্যোৎস্না মুখার্জির স্বপ্ন আরো বড়। ভবিষ্যতে নদের পাড়ে দুই কক্ষের ভবন গড়ে বৃদ্ধ বাবাদের জন্যও স্থান তৈরি করতে চান তিনি।

    সমসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাশেম আলী বলেন, “অজপাড়াগাঁয়ে এমন সুন্দর একটি বৃদ্ধাশ্রম বিরল। এখানে থাকতে মায়েদের কিছুই লাগে না, সবকিছুই দেওয়া হয়। এটা আমাদের গর্বের বিষয়।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের খালি জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা

    মে 8, 2026
    বাংলাদেশ

    হাওরে এক হাজার কোটি টাকার ফসলহানি

    মে 8, 2026
    বাংলাদেশ

    সংরক্ষিত নারী আসনের ৭৪ শতাংশ এমপিই কোটিপতি পরিবারের

    মে 8, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.