Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » পাঁচ ব্যাংক একীভূতই থাকছে—আইনে আসছে পরিবর্তন
    ব্যাংক

    পাঁচ ব্যাংক একীভূতই থাকছে—আইনে আসছে পরিবর্তন

    মনিরুজ্জামানUpdated:এপ্রিল 4, 2026এপ্রিল 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ব্যাংক খাতে বড় সিদ্ধান্তে আপাতত পরিবর্তন আসছে না। ইতোমধ্যে একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংক আগের মতোই এক কাঠামোয় পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ায় ভবিষ্যতে নতুন সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা খোলা থাকছে।

    ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ সংশোধন করে জাতীয় সংসদে বিল আকারে তোলার প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। এ জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কাজ করে আগামী রোববারের মধ্যে সুপারিশ জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশোধনী চূড়ান্ত হলে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।

    এর মধ্যেই পরিষ্কার করা হয়েছে, বর্তমানে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের কাঠামো অপরিবর্তিত থাকবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আরও কিছু ব্যাংক একীভূত বা অবসায়নের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, সেটি বাস্তবায়ন হবে কি না—তা নির্ভর করছে আইন সংশোধনের ওপর।

    গত বছরের মে মাসে জারি হওয়া ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ-২০২৫-এর আওতায় শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক—এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী একত্র করে একটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। নতুন এই ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়া হচ্ছে আমানতকারীদের মধ্যে।

    এ ছাড়া আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে আমানত বীমা তহবিল থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পুরো অর্থ ফেরতের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদা একটি স্কিমও চালু করেছে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। সংবিধান অনুযায়ী এসব অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাস না হলে তা বাতিল হয়ে যায়। এ কারণে অধ্যাদেশগুলো যাচাই করতে ১৩ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। তারা ব্যাংক রেজল্যুশনসহ ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধনের সুপারিশ করেছে।

    তবে বিষয়টি নিয়ে মতভেদও রয়েছে। বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশটি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাসের পক্ষে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন। তাদের মতে, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত নতুন কমিটি সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করবে। এরপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, অধ্যাদেশ সংশোধন বা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত এর আওতায় নেওয়া সব কার্যক্রম বৈধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ শুধু অধ্যাদেশের ভিত্তিতে হয়নি, ব্যাংক কোম্পানি আইনও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে আরও কয়েকটি ব্যাংক নিয়ে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ন্যাশনাল, এবি ও আইএফআইসি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান যাচাই শেষ হলেও পরবর্তী পদক্ষেপ এখনো স্পষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চেয়েছে। সংস্থাটির পরবর্তী ঋণ কিস্তি ছাড়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।

    ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিত করে সাময়িকভাবে সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যায়। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী একীভূতকরণ, অবসায়ন, বিক্রি বা নতুন শেয়ার ইস্যুর মতো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে পৃথক একটি বিভাগও গঠন করা হয়েছে।

    মূলত কিছু ব্যাংক আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় খাতে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে রেজল্যুশন পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠন করে আবার বেসরকারি খাতে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এর মাধ্যমে আমানতকারীদের সুরক্ষা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখাই সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    ২০২৫ সালে ব্রাক ব্যাংকের মুনাফা ২,২৫১ কোটি টাকা

    এপ্রিল 26, 2026
    ব্যাংক

    আভিভা ফাইন্যান্সে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    এপ্রিল 26, 2026
    ব্যাংক

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেভাবে টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেয় সরকারকে

    এপ্রিল 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.