Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মে 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঈদের আগে নতুন নোটের হাহাকার, ব্যাংকে বাড়ছে গ্রাহকের চাপ
    ব্যাংক

    ঈদের আগে নতুন নোটের হাহাকার, ব্যাংকে বাড়ছে গ্রাহকের চাপ

    নিউজ ডেস্কUpdated:মে 14, 2026মে 14, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেই দেশে ছাপানো টাকার চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। মানুষের হাতে নগদ টাকা রাখার প্রবণতা বাড়ে, ব্যবসায়িক লেনদেনও বেড়ে যায়। বিশেষ করে পশুর হাট, পাইকারি বাজার, খুচরা কেনাকাটা ও ঈদকেন্দ্রিক নানা খরচের কারণে ব্যাংকগুলোতে নতুন ও ভালো মানের নোটের চাহিদা তৈরি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে সেই চাহিদা পূরণ নিয়ে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক এবার ঈদের আগে টাঁকশালের কাছে অন্তত ১৬ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট চেয়েছে। কিন্তু টাঁকশাল জানিয়েছে, কাগজ ও কালির সংকটের কারণে ঈদের আগে সর্বোচ্চ ৮ হাজার কোটি টাকার নোট সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ হতে পারে প্রায় অর্ধেক। এতে ঈদের আগে ব্যাংকগুলোতে নতুন বা ভালো মানের নোট পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    তবে বিষয়টি শুধু টাকা ছাপানোর সক্ষমতার সংকট নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নোটের নকশা পরিবর্তন, পুরোনো নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত, কাগজ-কালি আমদানির জটিলতা এবং ব্যাংকগুলোর নিয়মিত নোট ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা। ফলে পুরো পরিস্থিতি এখন শুধু ঈদকেন্দ্রিক সাময়িক সমস্যা নয়, বরং নগদ নোট ব্যবস্থাপনার একটি বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

    এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। ব্যাংকে ছাপানো টাকার সংকট এবং ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট এক বিষয় নয়। দেশে সব মিলিয়ে সঞ্চয়ের পরিমাণ এখন প্রায় ২৪ লাখ কোটি টাকা। অন্যদিকে ছাপানো টাকার চাহিদা থাকে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে।

    অর্থাৎ মানুষের ব্যাংক হিসাবে টাকা আছে, লেনদেনের অর্থও আছে; কিন্তু সমস্যা তৈরি হয়েছে হাতে ব্যবহারযোগ্য ভালো মানের কাগুজে নোট সরবরাহে। তাই এই সংকটকে সরাসরি অর্থের ঘাটতি বলা যাবে না। বরং এটি ছাপানো নোট, ফ্রেশ নোট, পুরোনো নোট বদল এবং বাজারে নোট সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট।

    ঈদের আগে সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে বেশি পরিমাণে নতুন নোট ছাড়ে। অনেকেই ঈদের সময় নতুন নোট উপহার হিসেবে দেন। আবার ব্যবসায়িক লেনদেনেও ভালো মানের নোটের চাহিদা বাড়ে। ফলে এ সময় নোটের স্বাভাবিক চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

    পুরোনো নকশার নোট পড়ে আছে, তবু ছাড়ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    টাঁকশালে বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকার নোট অর্ধপ্রস্তুত অবস্থায় পড়ে আছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে এই নোট দুই সপ্তাহের মধ্যে বাজারে ছাড়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব। কিন্তু আপাতত বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার নোট বাজারে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটের পরিবর্তে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সাধারণত নোটের নকশা পরিবর্তন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। নতুন নোট বাজারে আনতে ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লাগতে পারে। স্বাভাবিক সময়ে একটি একটি করে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটের নকশা পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু এবার বিশেষ পরিস্থিতির কারণে একসঙ্গে সব মূল্যমানের নোট নতুন নকশায় আনার চেষ্টা করা হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্তের কারণে পুরোনো নকশার নোট বাজারে ছাড়া অনেক দিন বন্ধ ছিল। অন্যদিকে নতুন নকশার নোট দ্রুত পর্যাপ্ত পরিমাণে বাজারে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ফারাক তৈরি হয়েছে। গত দুই ঈদে কোনো নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়নি বলেও জানা গেছে। এর প্রভাব এবার আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    কাগজ-কালির সংকট বড় বাধা

    নতুন নকশার নোট ছাপাতে প্রয়োজনীয় কাগজ ও কালির সংকট এখন বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। টাঁকশাল জানিয়েছে, ঈদের আগে সর্বোচ্চ ৮ হাজার কোটি টাকার নোট সরবরাহ করা সম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা অন্তত ১৬ হাজার কোটি টাকা।

    সংকট মোকাবিলায় বেশি খরচ করে বিমানযোগে কাগজ ও কালি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সেসব উপকরণ এনে নোট ছাপা শেষ করে ঈদের আগে বাজারে দেওয়া সম্ভব হবে না। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে চাহিদা পূরণের সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে।

    এখানে একটি বাস্তব প্রশ্ন তৈরি হয়: যখন ঈদের আগে নোটের চাহিদা বাড়ে, তখন আগেভাগে প্রস্তুতি কেন যথেষ্ট ছিল না? কারণ নোট ব্যবস্থাপনা এমন একটি বিষয়, যেখানে পরিকল্পনা, আমদানি, মুদ্রণ, যাচাই, সংরক্ষণ ও বিতরণ—সব ধাপেই সময় লাগে। শেষ মুহূর্তে উদ্যোগ নিলে বাজারের চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

    ব্যাংকের ভল্টে কত টাকা থাকে

    ব্যাংকারদের তথ্য অনুযায়ী, ছাপানো নোটের বড় একটি অংশ মানুষের হাতে থাকে। কেউ ব্যবসায়িক কাজে, কেউ দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে নগদ টাকা রাখেন। দেশের ব্যাংকগুলোর প্রায় ১২ হাজার শাখার ভল্টে সাধারণত ১৬ হাজার কোটি থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার মতো নগদ টাকা থাকে।

    এর বাইরে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে লেনদেন ও বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট এবং সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় থাকে ১৪ হাজার কোটি থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকার মতো টাকা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো পুরোনো, ছেঁড়া, দাগযুক্ত বা ময়লাযুক্ত নোট জমা দিয়ে ভালো মানের নোট সংগ্রহ করে।

    কিন্তু এখন ব্যাংকগুলো চাহিদামতো ফ্রেশ নোট পাচ্ছে না। ফলে বাজারে ছেঁড়া-ফাটা, বেশি দাগযুক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী নোটের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ গ্রাহকের ভোগান্তি বাড়ছে। অনেক দোকানদার ছেঁড়া নোট নিতে চান না। আবার গ্রাহক ব্যাংকে গেলে অনেক সময় নোট বদলাতেও নানা অজুহাত দেখানো হয়।

    গ্রাহকের নোট বদলানোর অধিকার থাকলেও বাস্তবে জটিলতা

    নিয়ম অনুযায়ী, গ্রাহক ব্যাংকে গিয়ে ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট বদলে নিতে পারেন। ব্যাংক সেই নোট বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বদলে নিয়ে আসে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছেঁড়া, দাগযুক্ত, ময়লাযুক্ত বা ত্রুটিপূর্ণ নোট আবার বাজারে ছাড়ার কথা নয়। এসব নোট সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হয় এবং তার বিপরীতে সমমূল্যের ফ্রেশ নোট নেওয়া হয়।

    কিন্তু বাস্তবে অনেক ব্যাংক এই নিয়ম যথাযথভাবে মানে না। বিশেষ করে ছোট মূল্যমানের নোট বদলাতে ব্যাংকগুলোর অনীহা বেশি দেখা যায়। অনেক গ্রাহককে বলা হয়, নোট নেই, পরে আসতে হবে, অথবা অন্য শাখায় যেতে হবে। এতে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে।

    আগে সাধারণ গ্রাহকরা সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নোট বদলে নিতে পারতেন। কিন্তু গত বছরের নভেম্বর থেকে সেই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন সাধারণ গ্রাহককে মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় ব্যাংকগুলো যদি সক্রিয়ভাবে নোট বদল না করে, তাহলে গ্রাহকের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

    ক্লিন নোট পলিসি থাকলেও বাস্তবায়নে দুর্বলতা

    বাংলাদেশ ব্যাংক গত নভেম্বর মাসে ক্লিন নোট পলিসি করেছে। এর আগেও ত্রুটিযুক্ত নোট বদলানো ও বাজার থেকে অযোগ্য নোট তুলে নেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা ছিল। নীতিগতভাবে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরিষ্কার, ভালো মানের ও ব্যবহারযোগ্য নোট বাজারে থাকলে লেনদেন সহজ হয় এবং মানুষের আস্থা বাড়ে।

    কিন্তু নীতি থাকলেই সমস্যার সমাধান হয় না; বাস্তবায়নই এখানে মূল বিষয়। ব্যাংকগুলো যদি নিয়মিতভাবে অযোগ্য নোট তুলে না নেয়, আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি পর্যাপ্ত ফ্রেশ নোট সরবরাহ করতে না পারে, তাহলে বাজারে ছেঁড়া নোটের পরিমাণ বাড়তেই থাকবে।

    এই সংকট তাই শুধু নোট ছাপানোর নয়; এটি নোট সংগ্রহ, বাছাই, ধ্বংস, পুনরায় সরবরাহ এবং ব্যাংকিং শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বক্তব্য

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী নতুন নকশার নোট আনতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগেছে। এ কারণে বাজারে নোটের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি আরও জানান, সাধারণত ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট বাজার থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে তা করা না যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে শিগগিরই ব্যাংকগুলোকে নতুন টাকা দেওয়া শুরু হবে এবং এতে সংকট থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকটের বিষয়টি স্বীকার করছে, তবে এটিকে সাময়িক সমস্যা হিসেবে দেখছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ঈদের মতো উচ্চ চাহিদার সময়ে এই সাময়িক সমস্যাই সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হতে পারে।

    সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব

    নতুন নোটের সংকট সবচেয়ে বেশি অনুভব করবেন সাধারণ গ্রাহক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহন খাত, খুচরা বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা এবং ঈদকেন্দ্রিক লেনদেনে যুক্ত মানুষ। কোরবানির পশুর হাটে নগদ লেনদেন এখনো বড় ভূমিকা রাখে। সেখানে বড় অঙ্কের টাকা হাতে হাতে লেনদেন হয়। যদি ভালো মানের নোটের সংকট বাড়ে, তাহলে লেনদেনে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

    অন্যদিকে ছোট নোটের সংকটও সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রিকশা ভাড়া, বাজার, দোকান, ক্ষুদ্র সেবা খাত—এসব জায়গায় ছোট নোটের প্রয়োজন বেশি। ব্যাংকগুলো যদি ছোট নোট বদলাতে অনীহা দেখায়, তাহলে খুচরা লেনদেনের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

    সংকটের মূল কারণ কোথায়

    এই পরিস্থিতির পেছনে কয়েকটি কারণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

    প্রথমত, নতুন নকশার নোট একযোগে আনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সময় বেশি লেগেছে। দ্বিতীয়ত, পুরোনো নকশার নোট বাজারে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত সরবরাহ সংকট বাড়িয়েছে। তৃতীয়ত, কাগজ ও কালির ঘাটতি নতুন নোট ছাপানোর গতি কমিয়েছে। চতুর্থত, ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছেঁড়া-ফাটা নোট বদলানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট সক্রিয়তা নেই। পঞ্চমত, সাধারণ গ্রাহকের সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নোট বদলানোর সুযোগ বন্ধ হওয়ায় নির্ভরতা পুরোপুরি ব্যাংক শাখার ওপর গিয়ে পড়েছে।

    এই কারণগুলো একসঙ্গে কাজ করায় নোট সংকট এখন দৃশ্যমান হয়েছে।

    করণীয় কী হতে পারে

    পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে প্রথমেই ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ফ্রেশ নোট সরবরাহ করতে হবে। একই সঙ্গে ছেঁড়া-ফাটা ও ত্রুটিযুক্ত নোট বদলানোর বিষয়ে ব্যাংক শাখাগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশনা মানতে বাধ্য করতে হবে। গ্রাহক যেন কোনো শাখা থেকে অযথা ফেরত না যান, সে বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

    দ্বিতীয়ত, ঈদের মতো উচ্চ চাহিদার সময়ের জন্য আগাম পরিকল্পনা আরও শক্তিশালী করতে হবে। কাগজ-কালি আমদানির মতো বিষয় শেষ মুহূর্তে নয়, বরং পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে নিশ্চিত করা দরকার।

    তৃতীয়ত, পুরোনো নকশার নোট বাজারে ছাড়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত যাই হোক, জনগণের লেনদেন যাতে বিঘ্নিত না হয়, তা আগে নিশ্চিত করতে হবে। কারণ নোটের নকশা গুরুত্বপূর্ণ হলেও অর্থ ব্যবস্থার দৈনন্দিন কার্যকারিতা আরও বেশি জরুরি।

    চতুর্থত, ক্লিন নোট পলিসির বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু নির্দেশনা জারি করলেই হবে না, কোন ব্যাংক কত নোট বদলাচ্ছে, কত ত্রুটিযুক্ত নোট ফেরত দিচ্ছে, গ্রাহক অভিযোগ কত আসছে—এসব বিষয়ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা দরকার।

    ঈদের আগে নতুন নোটের সংকট আপাতদৃষ্টিতে একটি সাময়িক সরবরাহ সমস্যা মনে হলেও এর ভেতরে নগদ নোট ব্যবস্থাপনার বড় দুর্বলতা ফুটে উঠেছে। একদিকে টাঁকশালে পুরোনো নকশার ১৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকার নোট পড়ে আছে, অন্যদিকে নতুন নকশার নোটের জন্য কাগজ-কালির সংকট তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬ হাজার কোটি টাকার নোট চাইলেও ঈদের আগে সর্বোচ্চ ৮ হাজার কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে।

    এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মানুষের আস্থা শুধু হিসাবের টাকায় নয়, হাতে পাওয়া ব্যবহারযোগ্য নোটের ওপরও নির্ভর করে। তাই ঈদের আগে নতুন নোট সরবরাহ, ছেঁড়া নোট বদল এবং ব্যাংক শাখাগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ—এই তিনটি বিষয়ে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    যে কারণে সফল হচ্ছে না ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’

    মে 14, 2026
    ব্যাংক

    ৫ বড় গ্রুপের খেলাপি ঋণে জনতা ব্যাংকের আর্থিক সংকট

    মে 14, 2026
    ব্যাংক

    আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    মে 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.