Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » খেলাপি, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ ও দেউলিয়াত্ব কী বোঝায়?
    ব্যাংক

    খেলাপি, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ ও দেউলিয়াত্ব কী বোঝায়?

    মনিরুজ্জামানজুন 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ নিয়ে আলোচনা নতুন কিছু নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়টি আরও বেশি আলোচনায় উঠে আসছে। কখনো খবর আসে খেলাপি ঋণ বাড়ছে, কখনো দেখা যায় ঋণ পুনঃতফসিল করা হচ্ছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে বড় প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে আসে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ঋণকে ঝুঁকিপূর্ণ বা অনাদায়ী হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ঋণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই অংশের ঋণ স্বাভাবিকভাবে ফেরত আসার সম্ভাবনা কম বলে ধরা হচ্ছে। সহজভাবে বললে, দেশের মোট ঋণের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই নিয়মিতভাবে পরিশোধ হচ্ছে না বা ভবিষ্যতে খেলাপি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

    এই পরিস্থিতিকে আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা জানা দরকার। যেমন—ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, খেলাপি ঋণ, পুনঃতফসিলকৃত ঋণ এবং দেউলিয়াত্ব। প্রতিটি শব্দ আলাদা অবস্থাকে নির্দেশ করে এবং ব্যাংক খাতে এগুলোর আলাদা প্রভাব রয়েছে।

    ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বলতে বোঝায় এমন ঋণ, যা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না হওয়ার আশঙ্কায় থাকে। খেলাপি ঋণ হলো সেই ঋণ, যা নির্ধারিত কিস্তি বা সময় অনুযায়ী ফেরত দেওয়া হয়নি। আবার কিছু ক্ষেত্রে ঋণের সময়সীমা ও শর্ত পরিবর্তন করে নতুন করে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়, যাকে ঋণ পুনঃতফসিল বলা হয়। অন্যদিকে, দেউলিয়াত্ব হলো এমন একটি অবস্থা, যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার দেনা পরিশোধে সম্পূর্ণভাবে অক্ষম হয়ে পড়ে। এই প্রতিটি অবস্থার জন্য ব্যাংক খাতে আলাদা নীতি ও ব্যবস্থা রয়েছে, যা আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    খেলাপি ঋণ:

    খেলাপি ঋণ বা অনাদায়ি ঋণকে ব্যাংকিং পরিভাষায় ডিফল্ট লোন, ব্যাড লোন বা নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) বলা হয়। এটি এমন ঋণ, যার কিস্তি বা সুদ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করা হয়নি এবং ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সেটিকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

    সহজভাবে বললে, যে ঋণ আদায় হচ্ছে না বা দীর্ঘ সময় ধরে ফেরত আসছে না, সেটিই খেলাপি ঋণ হিসেবে ধরা হয়। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ঋণ ৯০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে পরিশোধ না হলে সেটিকে খেলাপি ঋণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে নন-পারফর্মিং লোন বা খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা।

    এই পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশের বেশি। তার মতে, সরকারি, বেসরকারি ও ইসলামি—সব ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থাতেই এই সমস্যা বিদ্যমান।

    তিনি আরও বলেন, “১০০ টাকার মধ্যে যদি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা অনাদায়ী হয়ে যায়, তাহলে সেই দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা যে বড় ধরনের চাপে আছে, তা স্পষ্ট। বৈশ্বিক মানদণ্ডে খেলাপি ঋণের হার সাধারণত ২ শতাংশের আশপাশে থাকে। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানেও এটি ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত।”

    তার মতে, বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের এই উচ্চ হার তৈরি হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে আছে ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, অডিট ও তদারকিতে অনিয়ম বা যোগসাজশ, প্রভাব খাটিয়ে ঋণ গ্রহণ, ঋণের অর্থের অপব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর নজরদারির ঘাটতি।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের পর অনেক ঋণগ্রহীতা আত্মগোপনে চলে যান এবং অর্থপাচারের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার মতে, এটি সামগ্রিক ব্যবস্থার ব্যর্থতার একটি প্রতিফলন।

    তবে খেলাপি ঋণের প্রভাব শুধু ব্যাংকের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি পুরো অর্থনীতিতে সরাসরি চাপ সৃষ্টি করে। ব্যাংকের তারল্য কমে যায়, নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা হ্রাস পায়, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষের আমানতের নিরাপত্তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

    ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ:

    সব ঝুঁকিপূর্ণ বা ডিস্ট্রেসড ঋণ সরাসরি খেলাপি ঋণ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ নয়। ডিস্ট্রেসড লোন বলতে এমন ঋণকে বোঝায়, যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে খেলাপি হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে ঋণগ্রহীতার আর্থিক অবস্থা এবং পরিশোধের ধারা দেখে ভবিষ্যতে খেলাপি হয়ে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, এই ধরনের ঋণ এখনো মন্দ ঋণ বা খেলাপি ঋণ হিসেবে শ্রেণিকৃত নয়। তবে এটি যেকোনো সময় খেলাপি ঋণে রূপ নিতে পারে। তার ভাষায়, কিছু সতর্কতামূলক সংকেত ইতোমধ্যে দেখা গেলেও ঋণটি এখনো অনাদায়ী ঋণের পর্যায়ে যায়নি।

    তার মতে, এ ধরনের ঋণ আগেভাগে শনাক্ত করা গেলে ব্যাংক বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের উচিত ঋণগ্রহীতার ওপর নজরদারি বাড়ানো, নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং প্রয়োজন হলে জামানত বা কোল্যাটারালের পুনর্মূল্যায়ন করা। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তিনি আরও জানান, কাউকে সরাসরি খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করার আগে সাধারণত সতর্ক করা হয়।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না হলে, অর্থাৎ ৯০ দিনের বেশি বকেয়া থাকলে, তখনই সেটিকে ডিস্ট্রেসড বা উচ্চ ঝুঁকির ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    ঋণ পুনঃতফসিল:

    ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময়ে কিস্তি বা সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক বিশেষ শর্তে ঋণ পরিশোধের সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে। এই প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ঋণ পুনঃতফসিল বা লোন রিশিডিউলিং। এই ব্যবস্থার আওতায় ঋণের মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে, কিস্তির সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয় বা নতুন শর্তে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। যেসব ব্যবসা সাময়িক আর্থিক সংকটে পড়ে কিন্তু পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের জন্য এটি একটি সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, যেসব ঋণ অনাদায়ী হয়ে গেছে, তারা ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিদ্যমান সরকারি নীতিমালার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে পুনঃতফসিলের সুযোগ পেতে পারে। এরপর নতুন কিস্তির সূচি নির্ধারণ করা হয় এবং সেই অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি নতুন ঋণের মতো কাঠামো নিয়ে সাজানো হয়।

    সুদের হার একই থাকে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুদের হার কমবে নাকি বাড়বে, তা সাধারণত আলোচনার ওপর নির্ভর করে। এটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া বারবার ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়া হলে প্রকৃত খেলাপি ঋণের চিত্র আড়াল হয়ে যেতে পারে। এতে আর্থিক খাতে ঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    দেউলিয়াত্ব:

    যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত আয়, সম্পদ বা অন্য কোনো উপায়ে তার দেনা পরিশোধে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়, তখন সেই পরিস্থিতিকে দেউলিয়াত্ব বা ব্যাংকরাপ্সি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে শুধু ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলেই কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেউলিয়া বলা হয় না। এটি একটি নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়।

    এই ধরনের ক্ষেত্রে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঋণগ্রহীতার আর্থিক অবস্থা, বিদ্যমান সম্পদ, মোট দায় এবং পরিশোধের সক্ষমতা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, যখন কোনো ঋণগ্রহীতা সম্পূর্ণভাবে ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয়ে পড়ে এবং তার জামানত বিক্রি করেও অর্থ উদ্ধার সম্ভব হয় না, তখন বিষয়টি আদালতে যায়। আদালত তখন পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেউলিয়া ঘোষণা করতে পারে। তবে দেউলিয়াত্ব মানে সব ধরনের ঋণ মওকুফ হয়ে যাওয়া নয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা উভয়ের স্বার্থ বিবেচনায় একটি সুশৃঙ্খল ও আইনসম্মত সমাধান নিশ্চিত করা।

    ঋণ পুনরুদ্ধার:

    ঋণ পুনরুদ্ধার বা লোন রিকভারি বলতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বকেয়া ঋণ আদায়ের জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপকে বোঝায়। কোনো ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রথমে ব্যাংক সাধারণত তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ঋণ পরিশোধে উৎসাহিত করার চেষ্টা করে কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলে ব্যাংক বিকল্প হিসেবে ঋণ পুনঃতফসিলের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। এরপরও সমাধান না হলে ঋণের বিপরীতে রাখা জামানত বিক্রি, আইনি নোটিশ, মামলা বা সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, এখানে ইচ্ছাকৃত খেলাপি এবং প্রকৃত ব্যবসায়িক সংকটে পড়ে ঋণ খেলাপি—এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য করা অত্যন্ত জরুরি।

    তার ভাষায়, “একদল আছেন যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করেন না, বরং অন্য খাতে বিনিয়োগ করেন বা অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করেন। তাদের ক্ষেত্রে দ্রুত মামলা, জামানত বাজেয়াপ্ত এবং প্রয়োজনে নিলামের মাধ্যমে ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া উচিত।”

    অন্যদিকে, তিনি বলেন, অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা অর্থনৈতিক মন্দা, যুদ্ধ পরিস্থিতি বা আমদানি-রপ্তানিতে বাধার মতো বাস্তব কারণে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন। তাদের ক্ষেত্রে ব্যাংকের উচিত পুনঃতফসিল, সুদ মওকুফ বা অন্যান্য সহায়ক ব্যবস্থা নিয়ে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা। তার মতে, “একটি গাছ যদি সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, সেটিকে কেটে ফেলার চেয়ে পরিচর্যা করে বাঁচিয়ে তোলা বেশি যুক্তিযুক্ত।”

    তিনি আরও জানান, কোনো ঋণগ্রহীতাকে দেউলিয়া ঘোষণা করা ব্যাংকের জন্যও কাম্য নয়। কারণ এতে ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা সীমিত হয়ে যায়, নতুন ঋণ পাওয়ার সুযোগ নষ্ট হয় এবং সামাজিক ও আর্থিক নানা জটিলতা তৈরি হয়। তাই দেউলিয়াত্ব ঘোষণার পর্যায়ে যাওয়ার আগে ব্যাংক সাধারণত মূল অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করে।

    তবে আদালত যদি কাউকে দেউলিয়া ঘোষণা করেই দেয়, তখন ব্যাংকের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয় কি না—এ প্রশ্নে অধ্যাপক জাহিদ বলেন, সিকিউরড লোনের ক্ষেত্রে জামানতের বিপরীতে ঋণ দেওয়া হয়। তবে অনেক সময় সম্পদের মূল্যায়নে অনিয়ম বা অতিমূল্যায়নের কারণে বাস্তবে সেই সম্পদ বিক্রি করেও পুরো অর্থ উদ্ধার সম্ভব হয় না।

    অন্যদিকে, ইনসিকিউরড লোনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি থাকে। যেমন কিছু ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড বা আংশিক জামানতবিহীন ঋণ সম্পূর্ণ আস্থার ভিত্তিতে দেওয়া হয়, যেখানে পুনরুদ্ধারের সুযোগ সীমিত থাকে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে গড়িমসি চলবে না, ব্যাংকগুলোকে কড়া বার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

    জুন 24, 2026
    মতামত

    কীভাবে উগ্র ডানপন্থীরা লাতিন আমেরিকা দখল করল?

    জুন 24, 2026
    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি কৌশলগত বিপর্যয় ছিল

    জুন 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.