Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, এপ্রিল 29, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » চার কারণে ব্যাংকে বাড়ছে আমানত
    ব্যাংক

    চার কারণে ব্যাংকে বাড়ছে আমানত

    মনিরুজ্জামানঅক্টোবর 20, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানত বাড়ছে। আগস্ট মাসে প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছে। অর্থাৎ মানুষের হাতে ধরে রাখা টাকা আবার ব্যাংকে ফিরছে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, আমানতের এই বৃদ্ধির পেছনে চারটি মূল কারণ রয়েছে। প্রথমত, গ্রাহকের আস্থা বৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত, রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত। তৃতীয়ত, সুদের হার কমে যাওয়া। চতুর্থত, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার ক্রয় করছে, যা আমানত বাড়াতে সহায়তা করছে।

    গত অর্থবছরে সরকার পরিবর্তন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে আমানতের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে ছিল। কিন্তু চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৮ শতাংশে পৌঁছায়। আগস্টে তা ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট শেষে ব্যাংকে মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৭ লাখ ৩১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে আমানত বেড়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা বা ১০.০২ শতাংশ।

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৩ শতাংশ। জুনে তা ৯.২৫ শতাংশে নেমেছিল। সরকার পরিবর্তনের পর প্রবৃদ্ধি কমতে থাকে। আগস্টে তা সর্বনিম্ন ৭.০২ শতাংশে দাঁড়ায়। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রবৃদ্ধি আবার বাড়তে শুরু করে। মার্চে ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়। এপ্রিলেও প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকে, মে ও জুনে সামান্য কমে যায়। জুলাইয়ে তা ৮.৪২ শতাংশে পৌঁছায়। আগস্টে ১০.০২ শতাংশে পৌঁছানোর ফলে দীর্ঘ ১৭ মাস পর ব্যাংকের আমানত আবার দুই অঙ্কে পৌঁছায়।

    ব্যাংকিং খাতে নানা অনিয়মে গ্রাহকের আস্থা কমে যায়। সরকার পরিবর্তন ও দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার চাপ বেড়ে যায়। ফলে মানুষের হাতে টাকা ধরে রাখা বাড়ে। তবে চলতি অর্থবছরের শুরুতে পরিস্থিতি বদলায়। ঘরের টাকা ব্যাংকে ফিরতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিনটি মূল কারণে আমানত বাড়ছে। প্রথমত, ব্যাংক খাত সংস্কারের উদ্যোগ দৃশ্যমান হওয়ায় মানুষের আস্থা বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবাহ। তৃতীয়ত, ট্রেজারি বিল ও সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমে যাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে আবার ব্যাংকে টাকা রাখছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনাও বাজারে আমানত বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সরকারের পরিবর্তনের পর অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে হাতে রাখে। ফলে আমানত অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগে আস্থা ফিরছে। অতিরিক্ত টাকা এখন আবার ব্যাংকে জমা হচ্ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহও আমানত বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে। মাত্র ১৫ দিনে এক বিলিয়নের বেশি ডলার এসেছে। সুদের হারের পরিবর্তনও আমানত বাড়াতে সহায়তা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনার ফলে বাজারে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার তারল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।”

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আমানত বৃদ্ধিকে সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য হিসেবে দেখা যাবে না। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান এখনও স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি। তাই বিনিয়োগ বাড়ানো এবং স্থিতিশীল বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেজারি বিলের সুদের হার এক অঙ্কে নেমেছে। সর্বশেষ নিলামে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিনের ট্রেজারি বিলের হার যথাক্রমে ৯.৫০, ৯.৭১ ও ৯.৬০ শতাংশ। ৫, ১০, ১৫ ও ২০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের হার যথাক্রমে ৯.৩৩, ৯.৮৯, ৯.৬৭ ও ৯.৭০ শতাংশে রয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সব ব্যাংকে নয়, দুর্বল ব্যাংকের আমানত কমছে। তবে শক্তিশালী ব্যাংকে আমানত বৃদ্ধি অব্যাহত। আমানত বৃদ্ধিতে এগিয়ে রয়েছে সিটি, ব্র্যাক, পূবালী, ইস্টার্ন, যমুনা, ট্রাস্ট, প্রাইম এনসিসি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, ডাচ্-বাংলা, শাহ্জালাল, উত্তরা, যমুনা ও মিডল্যান্ড ব্যাংক।

    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “সরকার পরিবর্তনের পর কয়েকটি ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে গিয়েছিল। বর্তমানে আস্থা ফিরে আসায় আমানত বাড়ছে। আশা করি এই ধারা অব্যাহত থাকবে।” বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগস্টে মানুষের হাতে থাকা টাকার পরিমাণ ২ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। জুলাইয়ে এটি ছিল ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা। এক মাসে ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বা ৩.৭৬ শতাংশ কমেছে। বছরের তুলনায় ৫.৪৫ শতাংশ কম।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এএমডি আব্দুল্লাহ আল-মামুন

    এপ্রিল 29, 2026
    ব্যাংক

    গণভোটের প্রচারে ব্যাংক তহবিল নিয়ে বিতর্ক

    এপ্রিল 29, 2026
    ব্যাংক

    ব্যাংক ঋণে সরকারের চাপ, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রাপ্তিতে সংকটের শঙ্কা

    এপ্রিল 29, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.