Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, মে 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নতুন খসড়ায় ব্যাংক-বহির্ভূত প্রতিষ্ঠান ই-মানি ইস্যু করতে পারবে
    ব্যাংক

    নতুন খসড়ায় ব্যাংক-বহির্ভূত প্রতিষ্ঠান ই-মানি ইস্যু করতে পারবে

    মনিরুজ্জামাননভেম্বর 8, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ ব্যাংক একটি খসড়া প্রবিধান প্রকাশ করেছে। এর ফলে ব্যাংক-বহির্ভূত দেশি ও বিদেশি কোম্পানিও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) বা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার হিসেবে লাইসেন্স পেতে পারবে।

    ‘রেগুলেশনস ফর ই-মানি ইস্যুয়ারস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক খসড়া সম্প্রতি জনমত সংগ্রহের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ব্যাংক-নির্ভর মোবাইল ও অনলাইন আর্থিক সেবা মডেল থেকে সরে আসার পথ তৈরি হচ্ছে। নতুন কাঠামোর আওতায় ব্যাংক ও স্বাধীন ডিজিটাল ফিন্যান্স কোম্পানি—উভয়ই—কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে ই-মানি ইস্যু করতে পারবে। বিদ্যমান এমএফএস ও পিএসপি অপারেটরদের ব্যাংক-নির্ভর হোক বা না হোক, এই প্রবিধান কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে বিকাশ, রকেট, নগদসহ এমএফএস প্রতিষ্ঠান এবং টালি-পে, পাঠাও পে, সেবা পে-এর মতো পিএসপি প্রতিষ্ঠান ই-মানি ইস্যু করছে। তারা ডিজিটাল লেনদেন ও পেমেন্ট সেবার মাধ্যমে অর্থ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক খসড়া প্রবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে নীতিমালা ও তদারকির আওতায় আনতে চাইছে। এর মূল লক্ষ্য হলো ই-মানি ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। খসড়ার নতুন নিয়মের লক্ষ্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো, ই-মানির নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা এবং প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবন-ভিত্তিক পেমেন্ট পরিবেশ তৈরি করা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা খসড়াকে ‘যুগান্তকারী সংস্কার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি প্রচলিত ব্যাংকিং খাতের বাইরে ডিজিটাল ফিন্যান্সের ক্ষেত্রকে উন্মুক্ত করবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ কাঠামো চাই, যেখানে ব্যাংক ও ফিনটেক উভয়ই আর্থিক সেবার পরিধি বাড়াতে পারবে।’ ফিনটেক খাতের শীর্ষ নির্বাহীরাও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। একজন শীর্ষ ফিনটেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যাংক-বহির্ভূত ইএমআইদের অনুমতি দিলে মোবাইল ও অনলাইন পেমেন্ট খাতে উদ্ভাবন এবং অংশীদারিত্বে উল্লেখযোগ্য গতি আসবে।’

    খসড়া প্রবিধানে যা আছে:

    বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি ই-মানি ইস্যুকারীদের জন্য খসড়া প্রবিধান প্রকাশ করেছে। এতে দুই ধরনের ই-মানি ইস্যুকারীর কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি হলো অনুমোদিত ইএমআই, যেখানে ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থাকবে। দ্বিতীয়টি হলো ডেডিকেটেড ইএমআই (ডিইএমআই), যারা ব্যাংক-বহির্ভূত সত্তা হিসেবে শুধু ই-মানি ও সংক্রান্ত পেমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    আবেদনকারীদের, বিশেষ করে ডিইএমআই-দের, ন্যূনতম ৫০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে। তাদের তিন বছরের ব্যবসায়িক ও ঝুঁকি পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। এছাড়া সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং গ্রাহকের অর্থ নিরাপদ রাখতে ট্রাস্ট ও সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ই-মানি ইস্যুকারীদের শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকতে হবে। নির্ভরযোগ্য অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষিত প্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং উচ্চ মূল্যের লেনদেনের জন্য মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ক্রমাগত হুমকি মোকাবিলায় জালিয়াতি শনাক্তকরণ ও সাইবার নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে বোর্ড অডিট এবং ঝুঁকি কমিটি গঠন করতে হবে, যাতে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি শক্তিশালী হয়। নিয়ম লঙ্ঘন করলে ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল অথবা দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা হতে পারে। চূড়ান্ত প্রবিধান জারির আগে সকল অংশীজনকে মতামত জমা দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নতুন এই কাঠামো গৃহীত হলে বাংলাদেশের ডিজিটাল ফিন্যান্স খাত চীন, ভারত ও মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক চর্চার সাথে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০২৪-এর ক্ষমতাবলে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ই-মানি ইস্যুকারীদের তদারকি ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং: জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ডিজিটাল হাতিয়ার

    এপ্রিল 30, 2026
    ব্যাংক

    সিটি ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা লাফিয়ে ১৬২% বৃদ্ধি

    এপ্রিল 30, 2026
    ব্যাংক

    দুর্নীতি রোধে ব্যাংক পরিচালক-এমডিদের লিখিত অঙ্গীকার টাঙিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক

    এপ্রিল 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.