Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, এপ্রিল 29, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এক ঝটকায় উধাও ৬ হাজার কোটি টাকা
    ব্যাংক

    এক ঝটকায় উধাও ৬ হাজার কোটি টাকা

    মনিরুজ্জামাননভেম্বর 9, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের পর পাঁচ ইসলামী ধারার দুর্বল ব্যাংকের শেয়ার সম্প্রতি ‘শূন্য’ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে এক ঝটকায় প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকার সম্পদ মুহূর্তে উধাও হয়ে গেছে।

    ১০ টাকা ফেসভ্যালুতে পাঁচ ব্যাংকের মোট ৫৮১ কোটি ৯৫ লাখ ৭১ হাজার ৯৫৯টি শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ৫,৮১৯ কোটি টাকারও বেশি। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাঁদের হাতে থাকা ২১৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬৪টি শেয়ারের বিনিয়োগমূল্য ছিল ২,২০০ কোটি টাকা। এই বিনিয়োগ মুহূর্তেই পোর্টফোলিও থেকে মুছে গেছে।

    প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিল ২২৪ কোটি ৪০ লাখ ৩৭ হাজার শেয়ার। এর বাজারমূল্য দাঁড়াচ্ছিল ২,২০৩ কোটি ৭ লাখ টাকা। উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ছিল ১৪৩ কোটি ২ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার, যার মূল্যমান ছিল ১,৩৯০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে থাকা ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৯০ শেয়ারের দামও ছিল ২৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

    সব মিলিয়ে এই বিশাল বিনিয়োগ এক মুহূর্তে আর্থিক মূল্যহীন হয়ে গেছে। সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সব ধরনের বিনিয়োগকারীই এই ক্ষতির প্রভাবে অর্থনৈতিকভাবে অসুবিধায় পড়েছেন। এসব ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তবে এ সংকট কোনো একদিনের সৃষ্টি নয়। এটি বছরের পর বছর ধরে রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, পরিচালকদের অনিয়ম ও ঋণ কেলেঙ্কারির ফল। তবু দায়ভার এখন সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাঁধে চাপানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ক্ষতি শুধুই কোনো একক বিনিয়োগকারীর নয়। শেয়ারবাজারে আস্থা কমবে, বিনিয়োগের প্রবাহ স্থবির হবে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে কাঁপন ছড়িয়ে পড়বে। নিঃস্বতা, ক্ষতির তীব্রতা এবং অর্থের হঠাৎ উধাও—সব একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এর প্রভাব অর্থনীতির ভবিষ্যতের ওপর দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে যাবে।

    ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করে প্রশাসক নিয়োগ করেছে। এই ব্যাংকগুলো হলো: ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক। বিনিয়োগকারী মো. মহসিন বলেন, “একীভূত হওয়া ব্যাংকে বিনিয়োগকারীর শেয়ার ফিরিয়ে দিতে হবে। লুটের দায় কেন সাধারণ মানুষকে নিতে হবে?” অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, “যারা ব্যাংক লুট করেছে, তাদের দায়ভার এখন সাধারণ বিনিয়োগকারীর ওপর চাপানো হচ্ছে। এটি আর্থিক অন্যায়ের এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ।”

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, শেয়ারহোল্ডারদের কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না। গভর্নরের ভাষ্য, “পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির মূল্য নেতিবাচক ৩০০ থেকে ৪০০ শতাংশ। এখন তা আদায় করা উচিত। তবে তা না করে শূন্যের নিচের শেয়ারগুলোর মূল্য জিরো হিসেবে ধরা হবে।” আইন ও বাস্তবতার মধ্যে ছেদও চোখে পড়ে।

    পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও হিসাববিদ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, “আইন অনুযায়ী, কোম্পানি অবসায়ন বা মার্জারের পর সম্পদ বিক্রি করে দায়-দেনা শোধের পর যদি কিছু থাকে, শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন। এখানে তো কিছুই নেই।” তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সরকার চাইলে সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য কিছু উদ্যোগ নিতে পারে।

    অর্থনৈতিক চিত্র ভয়াবহ:

    পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের সম্মিলিত মূলধন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে বড় শিল্পগোষ্ঠীর লুট ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (একিউআর) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট আমানত ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৬৮ কোটি, মোট ঋণ ১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮৪ কোটি, আর খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। গড় খেলাপি ঋণ ৭৭ শতাংশ।

    ঋণের অনুপাত ব্যাংকভিত্তিক ভিন্ন। ইউনিয়ন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ৯৬ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ৯৫ শতাংশ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ৬২ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংক ৪৮ শতাংশ।

    শেয়ার বিন্যাসও হতাশাজনক। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে সাধারণ বিনিয়োগকারীর শেয়ার ৭৮ কোটি ৫৮ লাখ, যার মূল্য ৭৮৫ কোটি টাকা। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে সাধারণের শেয়ার ২১ কোটি, মূল্য ২১৪ কোটি। এক্সিম ব্যাংকে ৫৬ কোটি ৯০ লাখ, দাম ৫৬৯ কোটি। গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ৩০ কোটি ৮৯ লাখ, দাম ৩০৮ কোটি। ইউনিয়ন ব্যাংকে সাধারণ বিনিয়োগকারীর শেয়ার ৩৩ কোটি ২ লাখ, দাম ৩৩০ কোটি টাকা। গত দুই বছরে এই ব্যাংকের শেয়ার মূল্যের ওঠানামা ১০-১৩ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে ক্ষতি আরও গভীর এবং বিনিয়োগকারীর হতাশা তীব্র।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    ৯ মাসেই ব্যাংক ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল সরকারের

    এপ্রিল 29, 2026
    ব্যাংক

    নিট মুনাফা না হলেও বোনাস, ব্যাংক খাতে নতুন নির্দেশনা

    এপ্রিল 28, 2026
    ব্যাংক

    ঢাকা ব্যাংকের নতুন ডিএমডি এস এম আবদুল্লাহ হিল কাফি

    এপ্রিল 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.