Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, জুলাই 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
    বাণিজ্য

    অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

    নিউজ ডেস্কজুলাই 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সরকার চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পণ্য ও সেবা রপ্তানি থেকে মোট ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আগের অর্থবছরের প্রকৃত রপ্তানি আয়ের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে এই লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানি থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। আজ রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণবিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

    গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার পণ্য ও সেবা মিলিয়ে ৬৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্য ছিল ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে অর্থবছর শেষে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়ায় ৫৫ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে আসে ৪৮ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার।

    এ অবস্থায় লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন অর্থবছরে আরও বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কারণ জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসাবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ, ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং একাধিক দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে যাওয়ায় আগামী দিনে রপ্তানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর ধরেই দেশের রপ্তানি খাতে এক ধরনের স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে। গত অর্থবছরেও আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। তবে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে নতুন অর্থবছরে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    তার ভাষ্য, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান দুটি যুদ্ধ, উন্নত দেশগুলোতে ভোগ ও চাহিদা কমে যাওয়া এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের মতো প্রতিকূলতা থাকলেও রপ্তানিমুখী শিল্পকে উৎসাহ দিতে সরকার বাজেটে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার বিভিন্ন প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হচ্ছে, যা রপ্তানি খাতের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করবে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, রপ্তানিকারকদের সহায়তায় সরকার আরও কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, যার ইতিবাচক প্রভাব বিদেশি ক্রেতারাও দেখতে পাবেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আলোচনা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গেও শিগগিরই এফটিএ চূড়ান্ত হতে পারে।

    এ ছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও চার থেকে পাঁচটি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শুরুর প্রস্তুতিও চলছে। এ জন্য উভয় পক্ষের আলোচক দল ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতির বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর কার্যকর শুল্ক হারে বাস্তবিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি জানান, প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র ৩৭ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণা করলেও পরে তা ১৯ শতাংশে নামানো হয়। এরপর মার্কিন উচ্চ আদালতের রায়ের কারণে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হয়।

    পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট সেকশন ১২২-এর আওতায় ব্যালেন্স অব পেমেন্টের কারণ দেখিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পান। তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেকশন ৩০১-এর আওতায় শ্রমসংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।

    বাণিজ্যমন্ত্রীর দাবি, বাস্তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শুল্কের হার আগের মতোই রয়েছে। নতুন কোনো অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হয়নি। একই ধরনের ব্যবস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্যসহ প্রায় ৬০টি দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়েছে। ফলে এ কারণে বাংলাদেশের রপ্তানিতে নতুন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে সরকারের ধারণা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি: লাভের চেয়ে ক্ষতির শঙ্কাই বেশি

    জুলাই 26, 2026
    বাণিজ্য

    দেশীয় রাসায়নিক শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    জুলাই 26, 2026
    বাণিজ্য

    শ্রম ইস্যুতে শুল্ক—নাকি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য কৌশলের নতুন অধ্যায়?

    জুলাই 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.