ভারত আবারও নৌপথে বাংলাদেশে মিথানল রপ্তানি শুরু করতে যাচ্ছে। আসামের ডিব্রুগড় থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে জাতীয় নৌপথ-২ ব্যবহার করে বাংলাদেশে এই রাসায়নিক পণ্য পাঠানো হবে।
আসাম পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এপিএল) চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা জানিয়েছেন, ভারতের স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার ডিব্রুগড় থেকে নৌপথে পণ্য রপ্তানির কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
এ জন্য আসাম সরকারের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন বিভাগের দুটি কার্গো জাহাজ ভাড়া নিয়েছে এপিএল। এসব জাহাজে করে বাংলাদেশে মিথানল পরিবহন করা হবে।
প্রতিটি জাহাজে ২৭টি কনটেইনার রয়েছে। প্রতিটি কনটেইনারে ২০ টন করে মিথানল বহন করা হচ্ছে। ফলে একটি জাহাজে মোট ৫৪০ টন মিথানল পরিবহন করা হবে।
দুটি জাহাজে মোট ১ হাজার ৮০ টন মিথানল বাংলাদেশে আসবে।
জাহাজগুলো আসামের বগিবিল অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন টার্মিনাল থেকে যাত্রা করবে। সেখান থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৭৮৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সময় লাগবে প্রায় সাত দিন।
ভারতের বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশে মিথানল পৌঁছানোর জন্য ব্রহ্মপুত্র নদকে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনে ব্রহ্মপুত্র নদ ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।
নৌপথে পণ্য পরিবহন তুলনামূলকভাবে কম খরচে ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এটি দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

