Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, সেপ্টে. 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ২০৩০ সালে ১১৫ মিলিয়ন ডলারে যেতে পারে মাশরুমের বাজার
    বাণিজ্য

    ২০৩০ সালে ১১৫ মিলিয়ন ডলারে যেতে পারে মাশরুমের বাজার

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে মাশরুম চাষ ও বাণিজ্যিক উৎপাদন দ্রুত সম্ভাবনাময় কৃষি খাতে পরিণত হচ্ছে। বাড়ছে ভোক্তার চাহিদা, পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা এবং বাণিজ্যিক চাষে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ। এর ফলে দেশের মাশরুম বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বর্তমানে বাংলাদেশের মাশরুম বাজারের আকার প্রায় ৬৫ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার। তুলনামূলক কম বিনিয়োগ, অল্প জায়গা এবং দ্রুত উৎপাদনের কারণে গ্রামীণ পর্যায়ে আয়ের নতুন উৎস হিসেবে মাশরুম চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে।

    মাশরুম উৎপাদন বাড়ার ফলে বাংলাদেশে এর আমদানির ওপর নির্ভরতাও কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মাশরুম আমদানি হয়েছিল ৬৯ দশমিক ৯৩ টন। এরপর ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে ১৭ দশমিক ৪২ টন এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে মাত্র ৪ দশমিক ৯৭ টনে নেমে আসে।

    মাশরুম চাষ প্রকল্পের পরিচালক ড. আখতার জাহান কাকন জানান, বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৪০ হাজার থেকে ৪২ হাজার টন মাশরুম উৎপাদন হচ্ছে। এর বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার।

    তিনি বলেন, ভোক্তারা বিভিন্ন ধরনের মাশরুম সম্পর্কে জানতে শুরু করায় এবং নতুন উদ্যোক্তারা বাণিজ্যিক চাষে যুক্ত হওয়ায় বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

    বাংলাদেশে বর্তমানে অয়েস্টার, মিল্কি, ব্ল্যাক মাশরুম এবং গ্যানোডারমা বা রেইশি মাশরুমের বাণিজ্যিক চাষ হচ্ছে। গবেষণা পর্যায়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ ধরনের মাশরুম নিয়ে কাজ চলছে।

    একসময় বাংলাদেশে অয়েস্টার মাশরুমই সবচেয়ে বেশি চাষ হতো। তবে বর্তমানে উদ্যোক্তারা গ্যানোডারমা, মিল্কি মাশরুম ও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মতো নতুন জাতের দিকেও আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

    পার্বত্য অঞ্চলে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত ব্ল্যাক মাশরুম এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। আগে স্থানীয় জনগোষ্ঠী এটি প্রাকৃতিকভাবে সংগ্রহ করলেও এখন নিজেরাই উৎপাদন শুরু করেছেন।

    তবে উৎপাদন বাড়লেও দেশে মাশরুমের ব্যবহার এখনো তুলনামূলক কম। তাই ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি ও বাজার তৈরি করা এই খাতের বড় চ্যালেঞ্জ।

    ড. কাকন বলেন, উদ্যোক্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাশরুম চাষ ও ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষ প্রতিদিন মাত্র ২৫ গ্রাম করে মাশরুম খেলেও বছরে প্রায় ১৫ লাখ ৫০ হাজার টন মাশরুমের চাহিদা তৈরি হতে পারে।

    পুষ্টিবিদদের মতে, মাশরুম কম ক্যালরি ও কম চর্বিযুক্ত হলেও এতে প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন বি এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে।

    পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম বলেন, মাশরুমে থাকা এরগোথায়োনিন, গ্লুটাথায়োন ও ফেনোলিক যৌগ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে পারে।

    স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ার কারণে বর্তমানে অনেক মানুষ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় মাশরুম যুক্ত করার বিষয়ে আগ্রহী হচ্ছেন।

    মাশরুম চাষের সম্ভাবনাময় অঞ্চল হিসেবে যশোর, মাগুরা, রংপুর, বগুড়া, সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    বর্তমানে ঢাকার সুপারশপ, আধুনিক বাজার এবং সাধারণ কাঁচাবাজারেও তাজা মাশরুম পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় মাশরুম দিয়ে তৈরি খাবার যেমন ভাজা খাবার, স্যুপ ও অন্যান্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

    এই খাত নারীদের জন্যও নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। অনেক নারী উদ্যোক্তা মাশরুম দিয়ে কেক, পিঠা, চিপস, স্যুপ, জ্যাম, জেলি ও চাটনি তৈরি করছেন।

    কেরানীগঞ্জের উদ্যোক্তা লাবনী আক্তার জানান, মাশরুম চাষে কম সময় ও জায়গা লাগে, তাই এটি নারীদের জন্য বাড়তি আয়ের ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারে।

    তিনি মূলত মাশরুমের বীজ বা স্পন উৎপাদন ও বিক্রি করেন। প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার ইউনিট স্পন বিক্রি করেন তিনি। প্রতি ইউনিট স্পনের উৎপাদন খরচ প্রায় ১৫ টাকা হলেও বিক্রি করেন ৩০ টাকায়।

    মাশরুম চাষ ও স্পন বিক্রি থেকে তিনি বছরে প্রায় দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা আয় করেন বলে জানান।

    দেশের মাশরুম খাতে রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। কয়েকটি জাতের মাশরুমের নমুনা বিদেশি বাজারে পাঠানো হয়েছে এবং সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

    সিলেট থেকে গ্যানোডারমার নমুনা হংকংয়ে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস, অয়েস্টার ও রেইশি মাশরুমের নমুনাও পাঠানো হয়েছে।

    তবে এখনো বাণিজ্যিক রপ্তানি শুরু হয়নি। নিয়মিত মানসম্পন্ন উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    মাশরুম চাষ প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৬০ জন উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং কার্যক্রম ৪৮টি জেলায় সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশিক্ষণ, বাজার উন্নয়ন, প্রক্রিয়াজাত পণ্য তৈরি এবং রপ্তানি সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে মাশরুম চাষ ছোট উদ্যোগ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষিভিত্তিক শিল্পে পরিণত হতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    লাইসেন্সহীন ২২ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম: স্থায়ী বন্ধের চিঠি বিটিআরসিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    অর্থনীতি

    চট্টগ্রাম আইসিডিতে কমেছে পণ্য হ্যান্ডলিং, ধীর হচ্ছে বাণিজ্যের গতি

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    বাণিজ্য

    নৌপথে বাংলাদেশে মিথানল রপ্তানি শুরু করছে ভারত

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.