Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, সেপ্টে. 29, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশীয় শিল্প রক্ষায় বাংলাদেশি পাটপণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক বাড়াল ভারত
    বাণিজ্য

    দেশীয় শিল্প রক্ষায় বাংলাদেশি পাটপণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক বাড়াল ভারত

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 29, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    পাটের রপ্তানি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটজাত পণ্যের ওপর নতুন করে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। পণ্য ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী শুল্কের হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

    ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন শুল্কের আওতায় রয়েছে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটের সুতা, দড়ি, কাপড় ও বস্তা। চলতি বছরের জুনে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজ (ডিজিটিআর) এসব পণ্যের ওপর আরোপিত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা সম্পন্ন করে। ওই পর্যালোচনার চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতেই এবার শুল্ক কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে ভারতের অভিযোগ

    ডিজিটিআরের পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্যের আমদানি সামগ্রিকভাবে কমেছে। এরপরও বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের বিরুদ্ধে ভারতে পাটপণ্য ডাম্পিং অব্যাহত রাখার অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

    ভারতের কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ধরনের আমদানির কারণে দেশটির স্থানীয় পাটশিল্প ক্ষতির মুখে পড়ছে।

    পর্যালোচনার সময়কালে ভারতে পাটজাত পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা ২০ শতাংশ কমে যায়। একই সময়ে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি কমেছে ১৩ শতাংশ। ডিজিটিআরের হিসাবে, চাহিদা কমার তুলনায় আমদানি কমার হার কম হওয়ায় বিদেশি উৎপাদকরা ভারতীয় বাজারের উল্লেখযোগ্য অংশ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

    ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, বিদেশি পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ভারতীয় উৎপাদকদের নিজেদের পণ্যের দাম কমাতে হয়েছে।

    ডাম্পিংয়ের হার কত

    বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে পাটজাত পণ্য আমদানির কারণে স্থানীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন—ভারতের পাটশিল্পের বিভিন্ন সংগঠনের এমন অভিযোগের পর গত বছরের জুনে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করে ডিজিটিআর।

    পর্যালোচনায় বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে পাটপণ্য আমদানির পাশাপাশি ভারতের স্থানীয় শিল্পের অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। এতে নমুনাভুক্ত বাংলাদেশি পাটপণ্যের ক্ষেত্রে ডাম্পিংয়ের হার ৫ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    নেপালের ক্ষেত্রে ডাম্পিংয়ের হার ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বলে জানিয়েছে ডিজিটিআর।

    তবে নতুন শুল্ক কাঠামোয় নির্দিষ্ট কিছু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত রাখা হয়েছে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে পণ্য ও উৎপাদকভেদে ভিন্ন হারে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ভারতে বাংলাদেশের পাটপণ্য রপ্তানি কমেছে

    ডিজিটিআরের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ কমেছে।

    ওই অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ১ লাখ ১৭ হাজার টন পাটজাত পণ্য রপ্তানি করা হয়। এর আগের অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার টন।

    অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি কমেছে প্রায় ২৬ হাজার টন।

    ডাম্পিংয়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

    ভারতের ডাম্পিংয়ের অভিযোগ অবশ্য প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশের পাটশিল্প। শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের দাবি, বাংলাদেশে পাটজাত পণ্য উৎপাদনের খরচ এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি।

    তাদের মতে, উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে কম দামে ভারতে পণ্য বিক্রি করে বাজার দখলের যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    শিল্পসংশ্লিষ্টরা আরও বলছেন, ভারতের বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে অতীতেও বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে পাটজাত পণ্যের রপ্তানি কমেছে। ফলে ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পাটপণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ার পেছনে শুধু বাজারমূল্য বা ডাম্পিংকে কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক কার্যকর হওয়ার ফলে ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পাটপণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ রপ্তানিতে এর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যেতে বাধ্য হবে যুক্তরাষ্ট্র: হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

    সেপ্টেম্বর 29, 2026
    আন্তর্জাতিক

    রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান নিহত অন্তত ৩৩

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সমঝোতা, ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে কমতে পারে শুল্ক

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.