রাজধানীর বাজারে আগাম শীতকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে উচ্চ দামে। পেঁপে ছাড়া বেশির ভাগ সবজির কেজি এখন প্রায় ১০০ টাকার কাছাকাছি। শীত শুরুর আগেই শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তবে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর, কাঁচা মরিচের দাম কমেছে। মুরগি ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই আছে। মাছের বাজারও মোটামুটি স্থিতিশীল। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
সবজির মধ্যে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০ টাকায়। টমেটোর দাম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা এবং গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে মিলছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। ধরন অনুযায়ী প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়।
মাংস ও ডিমের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা, আর হালি ৫৫ টাকা।
মাছের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল। তবে মাছ তাজা না মরা, আকার কেমন এবং কোন বাজার, এসবের ওপর নির্ভর করে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকার পার্থক্য দেখা যায়।
তুলনামূলক সহজলভ্য মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায়। রুই ও কাতলার দাম আকারভেদে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছ মিলছে ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজিতে। দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা ও সাধারণ শোল মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। এসব বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়। চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে ও বড় শোলের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে।
দামের ওঠানামা নিয়ে বিক্রেতা রহিম মিয়া বলেন, মাছের কোনো নির্দিষ্ট দাম থাকে না, এটি মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। বাজারে আমদানি বেশি থাকলে দাম কমে, আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দাম বাড়ে। এমনকি সকাল ও বিকেলেও দামের পরিবর্তন হয়।

